আজ সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

নতুন বইয়ের গন্ধে সাতক্ষীরার শিশুরা

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৩:৩০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

আব্দুর রহমান, সাতক্ষীরা: নতুন বছরের প্রথম সকাল। শীতের হালকা কুয়াশা ভেদ করে সাতক্ষীরার গ্রাম-শহরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে জমেছে উৎসবের আমেজ। রঙিন ব্যাগ কাঁধে নিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে ছুটে এসেছে শিশুরা। শিক্ষক ও অভিভাবকদের কোলাহলের মাঝে একে একে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে নতুন বই- নতুন স্বপ্নের সঙ্গী। বইয়ের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে পড়ছে কালি ও কাগজের চেনা গন্ধ, যা বহু শিশুর কাছে বছরের প্রথম আনন্দ। সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় ১ হাজার ৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৮৪৭ কপি পাঠ্যবইয়ের চাহিদার বিপরীতে শতভাগ বই বিতরণ নিশ্চিত হয়েছে। বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরাও নতুন বছরের প্রথম দিনেই সম্পূর্ণ বই পেয়েছে।
সদর উপজেলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফি নতুন বই বুকে জড়িয়ে বলল, “এবার আমি নিজে নিজে পড়তে শিখব।” পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার মা জানান, বছরের প্রথম দিনেই বই পেয়ে সন্তানদের আগ্রহ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। শিক্ষকরা বলছেন, সময়মতো বই পাওয়ায় পাঠদান কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন হচ্ছে না। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত স্কুলে আসার আগ্রহ যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের পথও আরও মজবুত হচ্ছে। নতুন বছরের প্রথম দিনে সাতক্ষীরার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তাই শুধু বই বিতরণ হয়নি- বিতরণ হয়েছে স্বপ্ন, আশা আর আগামী দিনের আলোকিত ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমীন বলেন, “নতুন বই শিশুদের মনে নতুন স্বপ্ন ও অফুরন্ত আনন্দ জাগায়। তাদের কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করে এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশা জোগায়। নতুন ক্লাসের উত্তেজনা ও বইয়ের ঘ্রাণ মিলে শিশুদের মধ্যে এক অসাধারণ অনুভূতির সৃষ্টি হয়, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং নতুন কিছু শেখার প্রেরণা দেয়।” তিনি আরও বলেন, নতুন বছরের প্রথম দিনেই শিশুদের হাতে শতভাগ নতুন বই তুলে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

নতুন বইয়ের গন্ধে সাতক্ষীরার শিশুরা

আপডেট সময়: ০৩:৩০:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

আব্দুর রহমান, সাতক্ষীরা: নতুন বছরের প্রথম সকাল। শীতের হালকা কুয়াশা ভেদ করে সাতক্ষীরার গ্রাম-শহরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে জমেছে উৎসবের আমেজ। রঙিন ব্যাগ কাঁধে নিয়ে স্কুল প্রাঙ্গণে ছুটে এসেছে শিশুরা। শিক্ষক ও অভিভাবকদের কোলাহলের মাঝে একে একে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে নতুন বই- নতুন স্বপ্নের সঙ্গী। বইয়ের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে পড়ছে কালি ও কাগজের চেনা গন্ধ, যা বহু শিশুর কাছে বছরের প্রথম আনন্দ। সাতক্ষীরার সাতটি উপজেলায় ১ হাজার ৯৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য ৯ লাখ ৬৭ হাজার ৮৪৭ কপি পাঠ্যবইয়ের চাহিদার বিপরীতে শতভাগ বই বিতরণ নিশ্চিত হয়েছে। বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরাও নতুন বছরের প্রথম দিনেই সম্পূর্ণ বই পেয়েছে।
সদর উপজেলার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফি নতুন বই বুকে জড়িয়ে বলল, “এবার আমি নিজে নিজে পড়তে শিখব।” পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার মা জানান, বছরের প্রথম দিনেই বই পেয়ে সন্তানদের আগ্রহ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। শিক্ষকরা বলছেন, সময়মতো বই পাওয়ায় পাঠদান কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন হচ্ছে না। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত স্কুলে আসার আগ্রহ যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নের পথও আরও মজবুত হচ্ছে। নতুন বছরের প্রথম দিনে সাতক্ষীরার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তাই শুধু বই বিতরণ হয়নি- বিতরণ হয়েছে স্বপ্ন, আশা আর আগামী দিনের আলোকিত ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমীন বলেন, “নতুন বই শিশুদের মনে নতুন স্বপ্ন ও অফুরন্ত আনন্দ জাগায়। তাদের কল্পনার জগৎকে প্রসারিত করে এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশা জোগায়। নতুন ক্লাসের উত্তেজনা ও বইয়ের ঘ্রাণ মিলে শিশুদের মধ্যে এক অসাধারণ অনুভূতির সৃষ্টি হয়, যা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং নতুন কিছু শেখার প্রেরণা দেয়।” তিনি আরও বলেন, নতুন বছরের প্রথম দিনেই শিশুদের হাতে শতভাগ নতুন বই তুলে দেওয়া বর্তমান সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য।