ভারত থেকে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ১২০ জনকে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি। এ নিয়ে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিজিবি। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় করা হচ্ছে মাইকিং। যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, রবিবার দিবাগত রাতে কয়েকটা গাড়িতে করে ১১০ থেকে ১২০ জনের মতো নারী পুরুষকে সীমান্তে এনে জড়ো করে বিএসএফ। পরে গভীর রাতে তারকাটা বেষ্টিত বিভিন্ন গেট খুলে তাদেরকে সাদিপুর খড়ের মাঠ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের টেষ্টা চালায়। এ সময টহলরত বিজিবির প্রতিরোধে প্রবেশ করতে পারেনি তারা। ২১/৬ পিলারের পাশ দিয়ে ১২ জন নাগরিককে তার কাটার বাহিরে ঠেলে দিলেও বিজিবির বাধায় গত তিনদিন ধরে জিরো লাইনে আটকে আছে তারা। মাঠেই মধ্যে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। সোমবার পতাকা বৈঠকেও কোন সুরাহা হয়নি। ফলে নারী শিশু ও পুরুষেরা অমানবিক দুর্ভোগে পড়েছেন।
সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ ভারী অস্ত্র ত্যাগ করে রয়েছে মুখেমুখি অবস্থানে। ছড়িয়ে পড়েছে উত্তেজনা। তবে বিজিবি কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার সীমান্ত এলাকায় কোন নাগরিকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। কোন ঝোপ ঝাড়ে লুকিয়ে থাকতে পাবে বলে জানান তিনি। এ মানবিক বিষয়ে দু’দেশের সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারসহ স্থানীয়রা। সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের ঠলে দেওয়া নাগরিকদের মধ্য আহসানুর রহমানের মা ও বাবা সাতক্ষীরা হযরত আলী জানান, তার ছেলে ও বৌমা রয়েছে। ফোনে কথা হয়েছে তাদের সাথে। বিজিবির সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী পিতা মাতা ১০/১২ জন নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। তারা ভারতীয় অংশ রযেছে। নিরাপত্তার কারনে তাদের নেওয়ার বিষয়টি বিজিবির নয় বলে জানান বিজিবি অধিনাযক গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।
আজকের বাণী 


















