আজ সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা? Logo শ্যামনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে কিশোরকে কুপিয়ে জখম Logo জীবিকার সংকটে সুন্দরবনের হাজারো বনজীবী Logo হাম ও হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু বেড়ে ৫৮৮ Logo জ্বালানি তেলের দাম বাধ্য হয়ে বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী Logo সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে ৬ জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি Logo পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে রাজি হলে ৩০০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ পেতে পারে ইরান: নিউইয়র্ক টাইমস Logo এশিয়া কাপ অনূর্ধ্ব-১৮ হকি: চায়নিজ তাইপেকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রথম জয় Logo শ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট Logo হজ পালন করতে গিয়ে ৪১ বাংলাদেশির মৃত্যু
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা?

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে আবেদন এবং সরেজমিনে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (পিটিশন নং- ১৮৯৯/২০২৬) শহরের পল্লীমঙ্গল ভোকেশনাল স্কুলের শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় একটি আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নালিশী সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এবং শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে। আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, উক্ত সম্পত্তিতে তার বসতঘর রয়েছে, যেখানে তিনি পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সম্প্রতি দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক বসতঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। এতে ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঘর সংস্কার করা না গেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনের আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ অবস্থায় বসতঘর জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়নি। শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল তার নিজস্ব নির্মিত একটি বিলাসবহুল দোতলা বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করছেন। বসতঘর ভাঙচুর বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো দৃশ্যমান আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে। বিষয়টি সেই বিরোধেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরুফা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ ধরনের কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছোট ভাই আব্দুল করিম একটি দোতলা বাড়িতে বসবাস করে। আমাদেরকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তিনি পরিকল্পিতভাবে এই নাটক সাজিয়েছেন।” এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। উল্লেখ্য, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সাধারণত জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আদালতের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা?

মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা?

আপডেট সময়: ১১:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে আবেদন এবং সরেজমিনে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (পিটিশন নং- ১৮৯৯/২০২৬) শহরের পল্লীমঙ্গল ভোকেশনাল স্কুলের শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় একটি আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নালিশী সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এবং শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে। আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, উক্ত সম্পত্তিতে তার বসতঘর রয়েছে, যেখানে তিনি পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সম্প্রতি দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক বসতঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। এতে ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঘর সংস্কার করা না গেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনের আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ অবস্থায় বসতঘর জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়নি। শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল তার নিজস্ব নির্মিত একটি বিলাসবহুল দোতলা বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করছেন। বসতঘর ভাঙচুর বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো দৃশ্যমান আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে। বিষয়টি সেই বিরোধেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরুফা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ ধরনের কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছোট ভাই আব্দুল করিম একটি দোতলা বাড়িতে বসবাস করে। আমাদেরকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তিনি পরিকল্পিতভাবে এই নাটক সাজিয়েছেন।” এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। উল্লেখ্য, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সাধারণত জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আদালতের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।