আজ রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo তালায় সীমানা পিলার ও মোটরসাইকেলসহ ৪জন আটক Logo চট্টগ্রাম বিভাগকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে সাতক্ষীরার গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় Logo খুলনা মহানগর ছাত্রশিবিরের ‘সাইক্লিং ফর গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ ক্যাম্পেইন Logo ২০ বছরেও সংস্কার হয়নি মাছখোলা পশ্চিমের সড়ক, চরম দুর্ভোগ Logo তীব্র তাপদাহের পর কলারোয়ায় স্বস্তির বৃষ্টি Logo দেবহাটায় ঘের কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় নিজ ঘর থেকে বিতর্কিত নারীর মরদেহ উদ্ধার Logo সাতক্ষীরায় খো খো প্রশিক্ষণ ও আন্তঃজেলা টুর্নামেন্ট সম্পন্ন Logo কালিগঞ্জে পরিবেশ দিবসে জামায়াতের মানববন্ধন Logo কালিগঞ্জে টমটম চালককে পিটিয়ে জখম, তিনদিনেও মামলা রেকর্ড হয়নি
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা?

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে আবেদন এবং সরেজমিনে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (পিটিশন নং- ১৮৯৯/২০২৬) শহরের পল্লীমঙ্গল ভোকেশনাল স্কুলের শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় একটি আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নালিশী সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এবং শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে। আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, উক্ত সম্পত্তিতে তার বসতঘর রয়েছে, যেখানে তিনি পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সম্প্রতি দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক বসতঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। এতে ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঘর সংস্কার করা না গেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনের আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ অবস্থায় বসতঘর জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়নি। শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল তার নিজস্ব নির্মিত একটি বিলাসবহুল দোতলা বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করছেন। বসতঘর ভাঙচুর বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো দৃশ্যমান আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে। বিষয়টি সেই বিরোধেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরুফা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ ধরনের কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছোট ভাই আব্দুল করিম একটি দোতলা বাড়িতে বসবাস করে। আমাদেরকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তিনি পরিকল্পিতভাবে এই নাটক সাজিয়েছেন।” এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। উল্লেখ্য, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সাধারণত জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আদালতের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

তালায় সীমানা পিলার ও মোটরসাইকেলসহ ৪জন আটক

মিথ্যা অভিযোগে আপন ভাই-বোনকে ফাঁসানোর চেষ্টা?

আপডেট সময়: ১১:২৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরায় পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে আপন ভাই-বোনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে আবেদন এবং সরেজমিনে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ মে ২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (পিটিশন নং- ১৮৯৯/২০২৬) শহরের পল্লীমঙ্গল ভোকেশনাল স্কুলের শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় একটি আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, নালিশী সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে এবং শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে। আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, উক্ত সম্পত্তিতে তার বসতঘর রয়েছে, যেখানে তিনি পরিবারসহ দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সম্প্রতি দ্বিতীয় পক্ষ জোরপূর্বক বসতঘর ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেছে। এতে ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঘর সংস্কার করা না গেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপনের আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। এ অবস্থায় বসতঘর জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অভিযোগে বর্ণিত ঘটনার সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাওয়া যায়নি। শিক্ষক আব্দুল করিম মুকুল তার নিজস্ব নির্মিত একটি বিলাসবহুল দোতলা বাড়িতে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করছেন। বসতঘর ভাঙচুর বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো দৃশ্যমান আলামত পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলমান রয়েছে। বিষয়টি সেই বিরোধেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আরুফা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “এ ধরনের কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছোট ভাই আব্দুল করিম একটি দোতলা বাড়িতে বসবাস করে। আমাদেরকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে তিনি পরিকল্পিতভাবে এই নাটক সাজিয়েছেন।” এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। উল্লেখ্য, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা সাধারণত জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আদালতের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।