আজ শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির Logo প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে Logo বনবিভাগের অভিযানে মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক Logo আশাশুনিতে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী Logo খুলনায় জামায়াতের থানা কর্মপরিষদ, মজলিসে শূরা ও টিম সদস্যদের শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত Logo বিষ্ণুপুর পিকেএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা Logo দুস্থদের মাঝে ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ Logo সীমান্তের যেকোন অন্যায় জনগণ প্রতিহত করবে Logo বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর মামলার সাক্ষীকে যুবদল নেতার হুমকি Logo চাপড়ার খেলার মাঠ নিয়ে মামলার তদন্ত ঘিরে বিতর্ক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ জুন থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পেরিয়ে সরাসরি অধিদপ্তরে পৌঁছাবে। এ জন্য হোয়াটসঅ্যাপভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় নজরদারি কাঠামো গড়ে তোলার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান অনেকাংশে নির্ভর করে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা এবং শিক্ষকদের সময়মতো উপস্থিতির ওপর। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। এ প্রেক্ষাপটে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় শিক্ষক উপস্থিতি মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি উপজেলার ক্লাস্টারভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গঠন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউপিইও/ এটিপিইও) ওই গ্রুপের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিদিন কর্মদিবসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাতে হবে। ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। সরকারিভাবে বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তন হলে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে তথ্য পাঠাতে হবে। উপস্থিতি প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের অনুমোদিত শিক্ষক পদ, কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা, বিভিন্ন ধরনের অনুমোদিত ছুটিতে থাকা শিক্ষক, প্রশিক্ষণে থাকা শিক্ষক, সংযুক্ত শিক্ষক এবং বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে। ক্লাস্টার পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পর সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সমন্বিত প্রতিবেদন পাঠাবেন। উপজেলা পর্যায়ে সব ক্লাস্টারের তথ্য একত্র করে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছে জেলার সারসংক্ষেপ পাঠাবেন। বিভাগীয় উপপরিচালকরা বিভাগের সব জেলার তথ্য একত্র করে দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এক্সেল শিটে তথ্য সংযোজন করে ই-মেইলেও প্রেরণ করতে হবে।

অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ প্রতিদিন দেশের সব বিভাগের তথ্য সমন্বয় করে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষক উপস্থিতি প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং তা মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকদের শুধু উপস্থিতির তথ্য পাঠালেই হবে না, শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট অংশের ছবিও তুলে সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। এসব ছবি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এ ছাড়া উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তথ্য সন্নিবেশনের জন্য অধিদপ্তর থেকে সরবরাহ করা নির্ধারিত এক্সেল শিট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের নামের তালিকাও ওই শিটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নির্দেশনায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষক উপস্থিতি-সংক্রান্ত তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে প্রদান করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বাড়বে, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নতুন এই মনিটরিং ব্যবস্থা সেই লক্ষ্য অর্জনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

আপডেট সময়: ১১:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ জুন থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পেরিয়ে সরাসরি অধিদপ্তরে পৌঁছাবে। এ জন্য হোয়াটসঅ্যাপভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় নজরদারি কাঠামো গড়ে তোলার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান অনেকাংশে নির্ভর করে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা এবং শিক্ষকদের সময়মতো উপস্থিতির ওপর। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। এ প্রেক্ষাপটে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় শিক্ষক উপস্থিতি মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি উপজেলার ক্লাস্টারভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গঠন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউপিইও/ এটিপিইও) ওই গ্রুপের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিদিন কর্মদিবসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাতে হবে। ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। সরকারিভাবে বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তন হলে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে তথ্য পাঠাতে হবে। উপস্থিতি প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের অনুমোদিত শিক্ষক পদ, কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা, বিভিন্ন ধরনের অনুমোদিত ছুটিতে থাকা শিক্ষক, প্রশিক্ষণে থাকা শিক্ষক, সংযুক্ত শিক্ষক এবং বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে। ক্লাস্টার পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পর সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সমন্বিত প্রতিবেদন পাঠাবেন। উপজেলা পর্যায়ে সব ক্লাস্টারের তথ্য একত্র করে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে। এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছে জেলার সারসংক্ষেপ পাঠাবেন। বিভাগীয় উপপরিচালকরা বিভাগের সব জেলার তথ্য একত্র করে দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এক্সেল শিটে তথ্য সংযোজন করে ই-মেইলেও প্রেরণ করতে হবে।

অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ প্রতিদিন দেশের সব বিভাগের তথ্য সমন্বয় করে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষক উপস্থিতি প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং তা মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করবে। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকদের শুধু উপস্থিতির তথ্য পাঠালেই হবে না, শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট অংশের ছবিও তুলে সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। এসব ছবি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এ ছাড়া উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তথ্য সন্নিবেশনের জন্য অধিদপ্তর থেকে সরবরাহ করা নির্ধারিত এক্সেল শিট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের নামের তালিকাও ওই শিটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নির্দেশনায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষক উপস্থিতি-সংক্রান্ত তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে প্রদান করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বাড়বে, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নতুন এই মনিটরিং ব্যবস্থা সেই লক্ষ্য অর্জনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।