আজ শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির Logo প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে Logo বনবিভাগের অভিযানে মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক Logo আশাশুনিতে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী Logo খুলনায় জামায়াতের থানা কর্মপরিষদ, মজলিসে শূরা ও টিম সদস্যদের শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত Logo বিষ্ণুপুর পিকেএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা Logo দুস্থদের মাঝে ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ Logo সীমান্তের যেকোন অন্যায় জনগণ প্রতিহত করবে Logo বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর মামলার সাক্ষীকে যুবদল নেতার হুমকি Logo চাপড়ার খেলার মাঠ নিয়ে মামলার তদন্ত ঘিরে বিতর্ক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর মামলার সাক্ষীকে যুবদল নেতার হুমকি

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেসক্লাবে হামলা ও লুটপাট মামলার এক সাক্ষীকে প্রাণনাশ ও মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা বাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক কল্যাণের প্রতিনিধি ও মামলার ৩নং সাক্ষী মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসদরের মুক্তিযোদ্ধা সড়ক এলাকায় মায়ের জন্য ওষুধ কিনে প্রেসক্লাবে ফেরার পথে যুবদল নেতা বাবলুর রহমান কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে তার পথরোধ করেন। এ সময় তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে ‘পিতার সামনে নিয়ে পিটিয়ে সাইজ করা’ এবং ‘সাক্ষী হওয়ার খায়েশ মিটিয়ে দেওয়া’সহ নানা হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। মিজানুর রহমান উপজেলার আবাদচণ্ডীপুর গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে। তিনি গত ২ মার্চ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে হামলা, লুটপাট এবং প্রেসক্লাব সভাপতি সামিউল মনিরকে মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার সাক্ষী। ঘটনার পর তিনি শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এদিকে অভিযোগ ওঠার কয়েক ঘণ্টা আগেই কেন্দ্রীয় যুবদল বাবলুর রহমানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে। প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে গত ৩ মার্চ তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির বলেন, “মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে আমাকে এবং অন্যান্য সাক্ষীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। মামলা প্রত্যাহারের চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমার ভাতিজা সাংবাদিক আল আজিম ও ভাই গোলাম আজমকে একটি মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলেও আমরা অভিযোগ করছি।” শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “হুমকির অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে এবং দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিলের চেষ্টা করা হচ্ছে।” উল্লেখ্য, খোলপেটুয়া নদীতে বালু উত্তোলন সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে গত ২ মার্চ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রহমান বাবু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর এবং যুবদল নেতা বাবলুর রহমানসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর মামলার সাক্ষীকে যুবদল নেতার হুমকি

আপডেট সময়: ১১:২৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রেসক্লাবে হামলা ও লুটপাট মামলার এক সাক্ষীকে প্রাণনাশ ও মারধরের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা বাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক শ্যামনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক কল্যাণের প্রতিনিধি ও মামলার ৩নং সাক্ষী মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসদরের মুক্তিযোদ্ধা সড়ক এলাকায় মায়ের জন্য ওষুধ কিনে প্রেসক্লাবে ফেরার পথে যুবদল নেতা বাবলুর রহমান কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে তার পথরোধ করেন। এ সময় তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। একপর্যায়ে ‘পিতার সামনে নিয়ে পিটিয়ে সাইজ করা’ এবং ‘সাক্ষী হওয়ার খায়েশ মিটিয়ে দেওয়া’সহ নানা হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। মিজানুর রহমান উপজেলার আবাদচণ্ডীপুর গ্রামের সামছুর রহমানের ছেলে। তিনি গত ২ মার্চ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে হামলা, লুটপাট এবং প্রেসক্লাব সভাপতি সামিউল মনিরকে মারধরের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার সাক্ষী। ঘটনার পর তিনি শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এদিকে অভিযোগ ওঠার কয়েক ঘণ্টা আগেই কেন্দ্রীয় যুবদল বাবলুর রহমানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে। প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে গত ৩ মার্চ তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির বলেন, “মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে আমাকে এবং অন্যান্য সাক্ষীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। মামলা প্রত্যাহারের চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আমার ভাতিজা সাংবাদিক আল আজিম ও ভাই গোলাম আজমকে একটি মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে বলেও আমরা অভিযোগ করছি।” শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, “হুমকির অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে এবং দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিলের চেষ্টা করা হচ্ছে।” উল্লেখ্য, খোলপেটুয়া নদীতে বালু উত্তোলন সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে গত ২ মার্চ শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুর রহমান বাবু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙ্গুর এবং যুবদল নেতা বাবলুর রহমানসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।