আজ শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির Logo প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে Logo বনবিভাগের অভিযানে মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক Logo আশাশুনিতে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী Logo খুলনায় জামায়াতের থানা কর্মপরিষদ, মজলিসে শূরা ও টিম সদস্যদের শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত Logo বিষ্ণুপুর পিকেএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা Logo দুস্থদের মাঝে ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বিতরণ করলেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ Logo সীমান্তের যেকোন অন্যায় জনগণ প্রতিহত করবে Logo বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের পর মামলার সাক্ষীকে যুবদল নেতার হুমকি Logo চাপড়ার খেলার মাঠ নিয়ে মামলার তদন্ত ঘিরে বিতর্ক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

বনবিভাগের অভিযানে মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১১:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মধু আহরণ করে ফেরার পথে ১১০০ কেজি মধুসহ ১১ জন মৌয়ালকে আটক করেছে বনবিভাগ। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে সাতক্ষীরা রেঞ্জের টেংরাখালী বন টহল ফাঁড়ির সদস্যরা সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে দুটি নৌকাসহ তাদের আটক করে। বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত মৌয়ালরা নিষিদ্ধ সময়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে মধু সংগ্রহ করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ১১০০ কেজি মধু জব্দ করা হয়। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে আটক হওয়া মৌয়ালদের অভিযোগ, বনবিভাগের এক দালাল পরিচয়ধারী জালাল মোল্লার মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন। গত ১ জুন থেকে সুন্দরবনে সকল ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ওই চুক্তির ভিত্তিতেই তারা মধু সংগ্রহের জন্য বনে যান। নির্ধারিত সময় শেষে ফিরতে না পারার পরে ১২ জুন ফেরার পথে বনবিভাগের সদস্যদের হাতে আটক হন। আটককৃত কয়েকজন মৌয়াল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “টাকা দিয়ে বনে যাওয়ার পরেও যদি বনবিভাগ আমাদের আটক করে, তাহলে সেই চুক্তির মূল্য কী? এখন আমাদের জেল-জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।” আটককৃতরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা গ্রামের বানছার উদ্দীন গাজীর ছেলে মো. আমজাত হোসেন (৬৪), হাকিম শেখের ছেলে মো. কামরুল শেখ (৪৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে আল-আমিন (৪০), আছান হাবিব (৩৫), মো. রাব্বানী (৩৫), মো. হায়াত আলী গাজী (৫৫), মো. মোবারক শেখ (৩২), মো. বাবলু রহমান (৩০), মো. মনিরুল খাঁ (৩৮), মো. আবিয়ার মালী (৪৫) ও মো. কবিরুল ইসলাম (৪৫)। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কীভাবে মৌয়ালরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেন এবং চুক্তির নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ কতটুকু সত্য- তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে ও এবিষয়ে কোন বন কর্মকর্তারা কথা না বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান এর সাথে যোগাযোগের জন্য তার মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেনি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির

বনবিভাগের অভিযানে মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক

আপডেট সময়: ১১:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মধু আহরণ করে ফেরার পথে ১১০০ কেজি মধুসহ ১১ জন মৌয়ালকে আটক করেছে বনবিভাগ। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে সাতক্ষীরা রেঞ্জের টেংরাখালী বন টহল ফাঁড়ির সদস্যরা সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে দুটি নৌকাসহ তাদের আটক করে। বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত মৌয়ালরা নিষিদ্ধ সময়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে মধু সংগ্রহ করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ১১০০ কেজি মধু জব্দ করা হয়। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে আটক হওয়া মৌয়ালদের অভিযোগ, বনবিভাগের এক দালাল পরিচয়ধারী জালাল মোল্লার মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন। গত ১ জুন থেকে সুন্দরবনে সকল ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ওই চুক্তির ভিত্তিতেই তারা মধু সংগ্রহের জন্য বনে যান। নির্ধারিত সময় শেষে ফিরতে না পারার পরে ১২ জুন ফেরার পথে বনবিভাগের সদস্যদের হাতে আটক হন। আটককৃত কয়েকজন মৌয়াল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “টাকা দিয়ে বনে যাওয়ার পরেও যদি বনবিভাগ আমাদের আটক করে, তাহলে সেই চুক্তির মূল্য কী? এখন আমাদের জেল-জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।” আটককৃতরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা গ্রামের বানছার উদ্দীন গাজীর ছেলে মো. আমজাত হোসেন (৬৪), হাকিম শেখের ছেলে মো. কামরুল শেখ (৪৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে আল-আমিন (৪০), আছান হাবিব (৩৫), মো. রাব্বানী (৩৫), মো. হায়াত আলী গাজী (৫৫), মো. মোবারক শেখ (৩২), মো. বাবলু রহমান (৩০), মো. মনিরুল খাঁ (৩৮), মো. আবিয়ার মালী (৪৫) ও মো. কবিরুল ইসলাম (৪৫)। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কীভাবে মৌয়ালরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেন এবং চুক্তির নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ কতটুকু সত্য- তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে ও এবিষয়ে কোন বন কর্মকর্তারা কথা না বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পশ্চিম বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান এর সাথে যোগাযোগের জন্য তার মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেনি।