আজ মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের প্রস্তুতি সভা Logo কালিগঞ্জে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি উন্নয়নে অবহিতকরণ সভা Logo সাতক্ষীরায় অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর চূড়ান্ত ফলাফল বিষয়ক সেমিনার Logo দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন Logo বকচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বরখাস্ত Logo জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে Logo যুগিখালী ইউনিয়নে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo সাতক্ষীরা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী মাসুম বিল্লাহ শাহীন Logo সাতক্ষীরায় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার জন্য অর্থ বিতরণ Logo ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে সাতক্ষীরায় নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধন
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

যুগিখালী ইউনিয়নে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৯:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১২নং যুগিখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও ৩ নম্বর পাইকপাড়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর/কাবিখা) প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নামমাত্র কাজ করে সরকারি বরাদ্দের অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় পাইকপাড়া ইছারউদ্দিন মোড় থেকে আইয়ুব দালালের ডিপের মোড় পর্যন্ত কাঁচা রাস্তায় মাটি ভরাটের জন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের আওতায় পুরো রাস্তায় মাটি ভরাটের কথা থাকলেও বাস্তবে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে। বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। এ ছাড়া একই রাস্তা দেখিয়ে পুনরায় ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এর একটি অংশ মাহবুব সানার পুকুরপাড় ভরাট এবং বাকি অংশ কামারালী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য দেখানো হয়। পুকুর মালিকের দাবি, তাঁর পুকুরপাড়ে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে। অন্যদিকে কামারালী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, জাতীয় নির্বাচনের সময় নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে বিদ্যালয়ে পাঁচটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। এ কাজে ইউনিয়ন পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের কোনো আর্থিক অবদান ছিল না। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচন অফিসের স্থাপিত সিসি ক্যামেরাকেই প্রকল্পের কাজ হিসেবে দেখিয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। একইভাবে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের কারণে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পের অর্থ ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তাদের দাবি, দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রকৃত চিত্র যাচাই এবং অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের প্রস্তুতি সভা

যুগিখালী ইউনিয়নে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময়: ০৯:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ১২নং যুগিখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও ৩ নম্বর পাইকপাড়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর/কাবিখা) প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নামমাত্র কাজ করে সরকারি বরাদ্দের অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় পাইকপাড়া ইছারউদ্দিন মোড় থেকে আইয়ুব দালালের ডিপের মোড় পর্যন্ত কাঁচা রাস্তায় মাটি ভরাটের জন্য ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের আওতায় পুরো রাস্তায় মাটি ভরাটের কথা থাকলেও বাস্তবে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে। বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। এ ছাড়া একই রাস্তা দেখিয়ে পুনরায় ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এর একটি অংশ মাহবুব সানার পুকুরপাড় ভরাট এবং বাকি অংশ কামারালী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য দেখানো হয়। পুকুর মালিকের দাবি, তাঁর পুকুরপাড়ে সর্বোচ্চ ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার কাজ করা হয়েছে। অন্যদিকে কামারালী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, জাতীয় নির্বাচনের সময় নির্বাচন অফিসের উদ্যোগে বিদ্যালয়ে পাঁচটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। এ কাজে ইউনিয়ন পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের কোনো আর্থিক অবদান ছিল না। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচন অফিসের স্থাপিত সিসি ক্যামেরাকেই প্রকল্পের কাজ হিসেবে দেখিয়ে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। একইভাবে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাতের কারণে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, প্রকল্পের অর্থ ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তাদের দাবি, দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রকৃত চিত্র যাচাই এবং অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।