খুলনা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন বলেছেন, প্রতি বছরের ন্যায় পবিত্র মাহে রমাদানকে সামনে রেখে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য গোদামজাত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। ফলে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারদের সাহরি ও ইফতারের আয়োজন কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, অবিলম্বে বাজার মনিটরিং জোরদার করে অসাধু সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া মাহে রমাদানের পবিত্রতা রক্ষার জন্য সমাজে অশ্লীলতা, মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখা, নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় খুলনা জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা বৈঠকে মাওলানা এমরান হুসাইন সভাপতির বক্তব্য রাখেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, সেক্রেটারি মুন্সী মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সী মঈনুল ইসলাম ও এ টি এম গাউসুল আযম হাদি, জেলা কর্মপরিষদ সদস্যরা, খুলনা দক্ষিণ ও উত্তর জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি এবং অন্যান্য জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
সভায় তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে হতাশ না হয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রেখে যোগ্যতা অর্জনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিজেদের যোগ্য চরিত্রে গড়ে তোলা উচিত। আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করা এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করা অপরিহার্য।
মাওলানা এমরান হুসাইন আরও বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক শোষণ, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও সাংস্কৃতিক গোলামী থেকে মুক্ত হয়নি। বারবার শাসক ও শাসনের পরিবর্তন হলেও জনগণের ভাগ্য বদলায়নি। ঘুষ, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কবলে পড়ে দেশের মানুষ দিশাহারা। চব্বিশের ৫ আগস্ট তরুণ প্রজন্মের সাহসী ও ত্যাগী ভূমিকার কারণে আজ দেশের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছে। নতুন বাংলাদেশকে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না; জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে পুনর্গঠনে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।”
রিপোর্টার 



























