আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি ও লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে সভায় সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিমসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও ইয়াছিন আরাফাত, পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানছুরসহ স্বাস্থ্য ও আইটি বিভাগের দায়িত্বশীলরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ঢাকা-রংপুর লংমার্চের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতি পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দলের শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ লংমার্চের আয়োজন করা হচ্ছে। দলটির ঘোষণা অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু হবে। সমাবেশ চলবে সকাল ৮টা পর্যন্ত। এরপর লংমার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পাঁচটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে।
লংমার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে রাজনৈতিক দল, সরকার, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, সড়ক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন জামায়াত নেতারা। একই সঙ্গে জনগণের দাবির পক্ষে আয়োজিত কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসী ও দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আজকের বাণী 





























