আজ মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩ Logo কলারোয়ায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত Logo শ্যামনগরে বিসিডিএস’র বার্ষিক সম্মেলন ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241
বিএনপিকে দায়ী করল মার্কিন দুই সংস্থা

প্রধানমন্ত্রীই সবচেয়ে বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৬:৫৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪
  • ৩৭০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশকে সমান তালে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে যিনি আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অর্থাৎ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের সব কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুললেন তিনিই সেই ডিজিটাইজেশনের নেতিবাচক ব্যহারের সর্বাধিক শিকার হচ্ছেন।

সম্প্রতি এমনই এক চিত্র উঠে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এর প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সবচেয়ে বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশে আসা সংস্থা দুটির টেকনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট মিশন (টিএএম) গত ১৬ মার্চ আইআরআই-এর ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর, গুজব ও বিভ্রান্তিকর রাজনৈতিক আক্রমণ চালানো হয়েছে, যার সিংহভাগের জন্য দায়ী ছিল বিএনপি। আপত্তিকর কথা এবং পোস্ট বিশ্লেষণ করে এই ফলাফল উঠে এসেছে টিএএম-এর গবেষণায়।

২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারের সময়কাল এবং নির্বাচনের দিনসহ অন্যান্য সময়ে আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় সহিংসতা কম হয়েছে বলে এনডিআই-আইআরআই-এর প্রতিবেদন বলা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় সরকার বাড়তি নজর দেওয়ায় সহিংসতা কম হয়েছে। তা সত্ত্বেও, গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের গুণগত মান ক্ষুণ্ন হওয়ার কারণ হিসেবে বিরোধী দলগুলোর সহিংসতাকে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

নির্বাচনকালীন সময়ে, বাংলাদেশ সরকার নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য বাজেট বাড়ানো, দীর্ঘ সময় ধরে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করার জন্য অ্যাডহক সমন্বয় ইউনিট গঠন।

নির্বাচনী সহিংসতার কথা উঠে এসেছে এনডিআই-আইআরআই-এর প্রতিবেদনে। সংঘর্ষ, প্রচার মিছিলে হামলা, প্রচার কার্যালয় ধ্বংস বা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের কথা বলা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন ঠেকাতে সমাবেশ, অবরোধ, ধর্মঘট, যানবাহন ও স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাঙচুর, ভীতি প্রদর্শনসহ সহিংসতার কথা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

বিএনপির গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে নয়াপল্টনে সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হক পারভেজ নিহত হওয়ার ঘটনাটি ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রান্তিক গোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীরাও নির্বাচনী সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছে বলে এনডিআই-আইআরআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে নারীদের লক্ষ্য করে নির্বাচনী সহিংসতা অতীতের তুলনায় কম ছিল। টিএএম তাদের পর্যবেক্ষণে পেয়েছে যে, বাংলাদেশের আইনি কাঠামো লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা সম্পূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে রাজনীতিবিদ ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব এবং তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নির্বাচনী সহিংসতার শিকার হয়েছে। তবে বিগত নির্বাচনের তুলনায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে নির্বাচনী সহিংসতা কম ছিল।

ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতে নির্বাচনী সহিংসতা মোকাবিলায় বেশ কিছু সুপারিশ করেছে টিএএম। নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়ন এবং নির্বাচনী সহিংসতা সম্পর্কিত মামলাগুলোর দ্রুত ও স্বাধীন বিচার ও পর্যালোচনা প্রদানের জন্য আইনি কাঠামো হালনাগাদ করার মতো নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচনের স্বাধীনতা ও তদারকি উন্নত করা যেতে পারে বলে মনে করছে টিএএম।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, যা ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা প্রদান করে এবং অনলাইন জগৎসহ নাগরিক স্বাধীনতা এবং মৌলিক স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করে, এসব বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ উন্নত করতে পরামর্শ দিয়েছে টিএএম।

সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা প্রশমন এবং সহিংসতা প্রশমন প্রচেষ্টায় সরকারকে পরামর্শ দিতে নাগরিক সমাজের ভূমিকা থাকা উচিত বলে মনে করছে টিএএম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের উচিত তাদের দলে অহিংসার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং নির্বাচনী সহিংসতার জন্য, বিশেষত সংখ্যালঘু ও নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালের ৮ থেকে ১১ অক্টোবর সময়কালে আইআরআই এবং এনডিআই একটি প্রাক-নির্বাচন মূল্যায়ন সম্পন্ন করে। ওই দলের সদস্য ছিলেন আইআরআই কো-চেয়ার এবং প্রাক্তন ডেপুটি ইউএসএআইডি প্রশাসক বনি গ্লিক, এনডিআই কো-চেয়ার এবং দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সাবেক সহকারী মন্ত্রী কার্ল এফ. ইন্ডারফারথ, মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক সদস্য মারিয়া চিন আবদুল্লাহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সাবেক সহযোগী কাউন্সেল জামিল জাফর, আইআরআই-এর এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর জোহানা কাও, এবং এনডিআই এশিয়া-প্যাসিফিকের আঞ্চলিক পরিচালক মনপ্রীত সিং আনন্দ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা

বিএনপিকে দায়ী করল মার্কিন দুই সংস্থা

প্রধানমন্ত্রীই সবচেয়ে বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার

আপডেট সময়: ০৬:৫৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০২৪

বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশকে সমান তালে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে যিনি আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে অর্থাৎ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের সব কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুললেন তিনিই সেই ডিজিটাইজেশনের নেতিবাচক ব্যহারের সর্বাধিক শিকার হচ্ছেন।

সম্প্রতি এমনই এক চিত্র উঠে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এর প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সবচেয়ে বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশে আসা সংস্থা দুটির টেকনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট মিশন (টিএএম) গত ১৬ মার্চ আইআরআই-এর ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর, গুজব ও বিভ্রান্তিকর রাজনৈতিক আক্রমণ চালানো হয়েছে, যার সিংহভাগের জন্য দায়ী ছিল বিএনপি। আপত্তিকর কথা এবং পোস্ট বিশ্লেষণ করে এই ফলাফল উঠে এসেছে টিএএম-এর গবেষণায়।

২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারের সময়কাল এবং নির্বাচনের দিনসহ অন্যান্য সময়ে আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় সহিংসতা কম হয়েছে বলে এনডিআই-আইআরআই-এর প্রতিবেদন বলা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় সরকার বাড়তি নজর দেওয়ায় সহিংসতা কম হয়েছে। তা সত্ত্বেও, গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের গুণগত মান ক্ষুণ্ন হওয়ার কারণ হিসেবে বিরোধী দলগুলোর সহিংসতাকে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

নির্বাচনকালীন সময়ে, বাংলাদেশ সরকার নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য বাজেট বাড়ানো, দীর্ঘ সময় ধরে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করার জন্য অ্যাডহক সমন্বয় ইউনিট গঠন।

নির্বাচনী সহিংসতার কথা উঠে এসেছে এনডিআই-আইআরআই-এর প্রতিবেদনে। সংঘর্ষ, প্রচার মিছিলে হামলা, প্রচার কার্যালয় ধ্বংস বা অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের কথা বলা হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন ঠেকাতে সমাবেশ, অবরোধ, ধর্মঘট, যানবাহন ও স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাঙচুর, ভীতি প্রদর্শনসহ সহিংসতার কথা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

বিএনপির গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে নয়াপল্টনে সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হক পারভেজ নিহত হওয়ার ঘটনাটি ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রান্তিক গোষ্ঠী, বিশেষ করে নারীরাও নির্বাচনী সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছে বলে এনডিআই-আইআরআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে নারীদের লক্ষ্য করে নির্বাচনী সহিংসতা অতীতের তুলনায় কম ছিল। টিএএম তাদের পর্যবেক্ষণে পেয়েছে যে, বাংলাদেশের আইনি কাঠামো লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা সম্পূর্ণভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে রাজনীতিবিদ ও সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব এবং তাদের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা নির্বাচনী সহিংসতার শিকার হয়েছে। তবে বিগত নির্বাচনের তুলনায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে নির্বাচনী সহিংসতা কম ছিল।

ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতে নির্বাচনী সহিংসতা মোকাবিলায় বেশ কিছু সুপারিশ করেছে টিএএম। নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য একটি আচরণবিধি প্রণয়ন এবং নির্বাচনী সহিংসতা সম্পর্কিত মামলাগুলোর দ্রুত ও স্বাধীন বিচার ও পর্যালোচনা প্রদানের জন্য আইনি কাঠামো হালনাগাদ করার মতো নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশের নির্বাচনের স্বাধীনতা ও তদারকি উন্নত করা যেতে পারে বলে মনে করছে টিএএম।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ এবং সাইবার নিরাপত্তা আইন, যা ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা প্রদান করে এবং অনলাইন জগৎসহ নাগরিক স্বাধীনতা এবং মৌলিক স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করে, এসব বিদ্যমান আইনের প্রয়োগ উন্নত করতে পরামর্শ দিয়েছে টিএএম।

সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা প্রশমন এবং সহিংসতা প্রশমন প্রচেষ্টায় সরকারকে পরামর্শ দিতে নাগরিক সমাজের ভূমিকা থাকা উচিত বলে মনে করছে টিএএম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের উচিত তাদের দলে অহিংসার সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং নির্বাচনী সহিংসতার জন্য, বিশেষত সংখ্যালঘু ও নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০২৩ সালের ৮ থেকে ১১ অক্টোবর সময়কালে আইআরআই এবং এনডিআই একটি প্রাক-নির্বাচন মূল্যায়ন সম্পন্ন করে। ওই দলের সদস্য ছিলেন আইআরআই কো-চেয়ার এবং প্রাক্তন ডেপুটি ইউএসএআইডি প্রশাসক বনি গ্লিক, এনডিআই কো-চেয়ার এবং দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সাবেক সহকারী মন্ত্রী কার্ল এফ. ইন্ডারফারথ, মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের সাবেক সদস্য মারিয়া চিন আবদুল্লাহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির সাবেক সহযোগী কাউন্সেল জামিল জাফর, আইআরআই-এর এশিয়া-প্যাসিফিক বিভাগের সিনিয়র ডিরেক্টর জোহানা কাও, এবং এনডিআই এশিয়া-প্যাসিফিকের আঞ্চলিক পরিচালক মনপ্রীত সিং আনন্দ।