আজ শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo বাঘ-দস্যুর ভয় উপেক্ষা করে সুন্দরবনের মধু সংগ্রাহকরা Logo রূপসা উপজেলা নির্বাচনে প্রচারণায় সরব সম্ভাব্য প্রার্থীরা Logo জেলা সাংবাদিক পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা Logo শ্যামনগরে হেরিংবোন সড়কের উদ্বোধন Logo ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম Logo সাতক্ষীরায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধি: সাধারণ গ্রাহকের মধ্যে অসন্তোষ Logo যশোরে সাড়ে ছয় কোটি টাকার হীরাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের সাক্ষাৎ, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস Logo ফকিরহাট থেকে অপহৃত ১৮ মাসের শিশু রাফছা খুলনায় উদ্ধার, অপহরণকারী গ্রেফতার Logo পাটকেলঘাটায় গাড়ি থেকে ১৩ লিটার অকটেন উদ্ধার, মালিক জরিমানা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধি: সাধারণ গ্রাহকের মধ্যে অসন্তোষ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

ভোক্তাপর্যায়ে দাম নির্ধারণের একদিন আগে থেকেই সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি শুরু হয়েছে ১২ কেজি ওজনের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার। হঠাৎ করে এক লাফে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অতিরিক্ত বাড়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ গ্রাহকরা। জানা যায়, এপ্রিল মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৪১ টাকা থেকে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকালে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি) যা এদিন সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এর আগে মার্চ মাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়। এদিকে বিইআরসি কর্তৃক এপ্রিল মাসে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করার আগেই বুধবার (১এপ্রিল) বিকাল থেকে সাতক্ষীরা শহরের প্রায় সবগুলো ডিলার পয়েন্টে দাম বৃদ্ধির ঘোষনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ি ৩১ মার্চে বিক্রি হওয়া ১৪৫০ টাকার সিলিন্ডার বুধবার বিকাল থেকে বিক্রি হয় সাড়ে ১৮ শ’ টাকা থেকে ১৯০০ টাকায়। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিকালে নতুন মূল্য নির্ধারণের পর তা বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায়। তবে ডিলারদের দাবি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কোম্পানি দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় তাদেরকেও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করতে হচ্ছে।

জেলা নাগরিক কমিটির নেতা আলী নুর খান বাবুল জানান, বিইআরসি সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া সত্ত্বেও সাতক্ষীরার বাজারে বরাবরই নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। কিন্তু গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ কিছুটা সংকট চলছে। এই অজুহাতে প্রতি সিলিন্ডারে ২৭২ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা। কোন কারণ ছাড়া হঠাৎ করে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। তিনি বাজারে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান। সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর একটি ডিলার পয়েন্টে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে আসা সদর উপজেলার লবসা গ্রামের এক গৃহিণী আসমা আক্তার বলেন, প্রতি মাসে গ্যাস কিনতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা ৩০০ টাকা বেশি দরে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায়, আরেক ভোক্তা সিরাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দাম বাড়ানোর আগেই ডিলাররা মিলে সিন্ডিকেট করে প্রতিটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা প্রায় ৩০০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তারা ভোক্তাদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছে। শহরের মুনজিতপুর এলাকার গৃহবধূ শারিমন একরাম বলেন, আজ সকালেও ১৯০০ টাকা দিয়ে একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছি। গত মাসে ১৪৫০ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। সরকার নির্ধারিত দামে কোনোদিন সিলিন্ডার কিনতে পারি না। সব সময় আড়াই’শ থেকে ৩শ’ টাকা বেশি দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়। তাহলে সরকারিভাবে দাম নির্ধারণের দরকার কী! যুমনা কোম্পানির ডিলার মো. রাশেদুজ্জামান জানান, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এরই মধ্যে দুই দফায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। বুধবার কোম্পানি থেকে প্রতিটি সিলিন্ডার ১৭৮৫ টাকা দুরে কিনতে হবে বলে আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক টাকা পাঠিয়ে আমাদেরকে সিলিন্ডার বুকিং দিতে হচ্ছে। এর সাথে আছে পরিবহন ও লেবারসহ অন্যান্য খরচ। কাজেই বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার ২০ থেকে ৩০ টাকা লাভে ১৯০০ টাকা দরে বিক্রি করা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। তবে খুচরা এই দাম আরো বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি।

তবে এ বিষয়ে একাধিক খুচরা বিক্রেতা জানান, তারা ডিলারদের কাছ থেকেই বেশি দামে গ্যাস কিনছেন। ফলে বাধ্য হয়েই তাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি একটি সমন্বয়হীনতা ও নজরদারি ঘাটতির ফল। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ডিলার গ্যাস মজুত রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনছেন। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার বলেন, বাজারে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকি করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বাস্তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঘ-দস্যুর ভয় উপেক্ষা করে সুন্দরবনের মধু সংগ্রাহকরা

সাতক্ষীরায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধি: সাধারণ গ্রাহকের মধ্যে অসন্তোষ

আপডেট সময়: ১১:০৮:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ভোক্তাপর্যায়ে দাম নির্ধারণের একদিন আগে থেকেই সাতক্ষীরায় ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি শুরু হয়েছে ১২ কেজি ওজনের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার। হঠাৎ করে এক লাফে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম অতিরিক্ত বাড়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ গ্রাহকরা। জানা যায়, এপ্রিল মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৪১ টাকা থেকে ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকালে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন (বিইআরসি) যা এদিন সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। এর আগে মার্চ মাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়। এদিকে বিইআরসি কর্তৃক এপ্রিল মাসে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ করার আগেই বুধবার (১এপ্রিল) বিকাল থেকে সাতক্ষীরা শহরের প্রায় সবগুলো ডিলার পয়েন্টে দাম বৃদ্ধির ঘোষনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ি ৩১ মার্চে বিক্রি হওয়া ১৪৫০ টাকার সিলিন্ডার বুধবার বিকাল থেকে বিক্রি হয় সাড়ে ১৮ শ’ টাকা থেকে ১৯০০ টাকায়। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিকালে নতুন মূল্য নির্ধারণের পর তা বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকায়। তবে ডিলারদের দাবি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কোম্পানি দাম বাড়িয়ে দেওয়ায় তাদেরকেও বেশি দামে গ্যাস বিক্রি করতে হচ্ছে।

জেলা নাগরিক কমিটির নেতা আলী নুর খান বাবুল জানান, বিইআরসি সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে দেওয়া সত্ত্বেও সাতক্ষীরার বাজারে বরাবরই নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। গৃহস্থালির কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। কিন্তু গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজির সরবরাহ কিছুটা সংকট চলছে। এই অজুহাতে প্রতি সিলিন্ডারে ২৭২ থেকে ৩০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা। কোন কারণ ছাড়া হঠাৎ করে গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। তিনি বাজারে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান। সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর একটি ডিলার পয়েন্টে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে আসা সদর উপজেলার লবসা গ্রামের এক গৃহিণী আসমা আক্তার বলেন, প্রতি মাসে গ্যাস কিনতে এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা ৩০০ টাকা বেশি দরে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায়, আরেক ভোক্তা সিরাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দাম বাড়ানোর আগেই ডিলাররা মিলে সিন্ডিকেট করে প্রতিটি সিলিন্ডারে নির্ধারিত মূল্য অপেক্ষা প্রায় ৩০০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় তারা ভোক্তাদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো দাম নিচ্ছে। শহরের মুনজিতপুর এলাকার গৃহবধূ শারিমন একরাম বলেন, আজ সকালেও ১৯০০ টাকা দিয়ে একটি গ্যাস সিলিন্ডার কিনেছি। গত মাসে ১৪৫০ টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। সরকার নির্ধারিত দামে কোনোদিন সিলিন্ডার কিনতে পারি না। সব সময় আড়াই’শ থেকে ৩শ’ টাকা বেশি দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়। তাহলে সরকারিভাবে দাম নির্ধারণের দরকার কী! যুমনা কোম্পানির ডিলার মো. রাশেদুজ্জামান জানান, সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এরই মধ্যে দুই দফায় গ্যাস সিলিন্ডারের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। বুধবার কোম্পানি থেকে প্রতিটি সিলিন্ডার ১৭৮৫ টাকা দুরে কিনতে হবে বলে আমাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক টাকা পাঠিয়ে আমাদেরকে সিলিন্ডার বুকিং দিতে হচ্ছে। এর সাথে আছে পরিবহন ও লেবারসহ অন্যান্য খরচ। কাজেই বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিটি গ্যাস সিলিন্ডার ২০ থেকে ৩০ টাকা লাভে ১৯০০ টাকা দরে বিক্রি করা ছাড়া আমাদের কোন উপায় নেই। তবে খুচরা এই দাম আরো বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি।

তবে এ বিষয়ে একাধিক খুচরা বিক্রেতা জানান, তারা ডিলারদের কাছ থেকেই বেশি দামে গ্যাস কিনছেন। ফলে বাধ্য হয়েই তাদেরকে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি একটি সমন্বয়হীনতা ও নজরদারি ঘাটতির ফল। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ডিলার গ্যাস মজুত রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে, ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনছেন। এ পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার বলেন, বাজারে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকি করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বাস্তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমছে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।