আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার পশুর হাটগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব-৬। এর অংশ হিসেবে জাল নোট শনাক্ত ও অর্থ লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আধুনিক বুথ স্থাপন করেছে বাহিনীটি। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে র্যাব-৬ এর সদস্যরা বিশেষ নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় হাটে আগত ক্রেতাদের জন্য জাল নোট শনাক্তের বিশেষ বুথে টাকা যাচাইয়ের সুযোগ রাখা হয়।
র্যাব-৬ সাতক্ষীরা কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মুহাম্মদ যিয়াদ বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটগুলোতে জাল নোট লেনদেনের ঝুঁকি থাকে। এ কারণে আমরা এখানে বিশেষ বুথ স্থাপন করেছি, যেখানে যেকোনো ক্রেতা সন্দেহজনক টাকা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন। আমাদের টিম সার্বক্ষণিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে।” তিনি আরও বলেন, হাটে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, বখাটেপনা বা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষ যেন নিরাপদে কেনাবেচা করতে পারে—সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য।
র্যাব-৬ সিপিসি-১ এর পক্ষ থেকে হাট এলাকায় একটি র্যাব সাপোর্ট সেন্টারও স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন রয়েছে। হাটে আসা ক্রেতারা জানান, জাল নোট শনাক্তের বুথ থাকায় তারা অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করছেন এবং নির্বিঘ্নে কেনাবেচা করতে পারছেন। এদিকে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটগুলোতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই হাটে পশুর সমাগম ও বেচাকেনা বাড়ছে। ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে অন্যান্য দিনের তুলনায় ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতিও ছিল বেশি, ফলে বেচাকেনা জমজমাট হয়ে ওঠে।
আজকের বাণী 






















