মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNBC-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের অস্ত্র ও সরঞ্জাম পুনরায় মজুত করেছে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন “পুরোপুরি প্রস্তুত” এবং নির্দেশ পেলেই ইরানে পুনরায় হামলা চালাতে পারে। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ইচ্ছা তার নেই এবং খুব শিগগিরই পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে। একইসঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, আলোচনায় না বসলে তাদের জন্য বিকল্প খুব সীমিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে, সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার কেন্দ্র হিসেবে পাকিস্তান-এর নাম উঠে এলেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি তেহরান। যদিও আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচও করেনি তারা।
আল জাজিরা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের এই অনিশ্চয়তার পেছনে শুধু আস্থার সংকট নয়, বরং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার প্রভাবও রয়েছে। নৌ-অবরোধ, ইরানি জাহাজে হামলা এবং ভারত মহাসাগরের কাছে আরেকটি জাহাজ জব্দের ঘটনাকে তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।
তেহরানের মতে, অবকাঠামোতে হামলার হুমকি রেখে কূটনৈতিক আলোচনা চালানো বাস্তবসম্মত নয়। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থান মূলত চাপ প্রয়োগের কৌশল, যা প্রকৃত কূটনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সব মিলিয়ে, যুদ্ধবিরতির শেষ মুহূর্তে দুই পক্ষের অবস্থান আরও কঠোর হয়ে উঠছে, যা নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। উঠছে, যা নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে।
রিপোর্টার 



























