সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মেহেদী হাসান (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের পেছনে একটি মোবাইল ফোন টাওয়ারসংলগ্ন ডোবা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রেখে গেছে।
নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ও চার বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি মেহেদী। শুক্রবার সকালে জালালাবাদ গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের স্ত্রী জোহরা খাতুনের বোন সালেহা খাতুন ময়লা ফেলতে গিয়ে ডোবায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে মেহেদীর মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার ছেলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। রাতে আর ফিরে আসেনি। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো পার্শ্ববর্তী আলাইপুর গ্রামে তার শ্বশুরবাড়িতে গেছে। সকালে লোকজন এসে জানায়, কে বা কারা আমার ছেলেকে হত্যা করে জালালাবাদে ফেলে রেখে গেছে। কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মেহেদী হাসানকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
আজকের বাণী 






















