আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্রীউলায় বিতর্ক: স্থানীয়দের প্রশ্ন—আবদুল মান্নান আসলে কোন দলের?

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৭:৩৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান বিএনপির সদস্য সচিব পদে প্রার্থী হওয়ার পর ইউনিয়নজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন—আসলে তিনি কোন দলের?

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত সাড়ে ১৬ বছর ধরে আবদুল মান্নান ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি ব্যবসায়িক সুবিধা পেয়েছেন এবং সম্পদশালী হয়েছেন। ফলে হঠাৎ বিএনপির উচ্চপদে প্রার্থী হওয়ায় অনেকেই বিস্মিত।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা তাঁকে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে একাধিক অনুষ্ঠানে দেখেছি। এখন হঠাৎ বিএনপির হয়ে কাজ করলে জনমনে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।”

তবে মান্নানের ঘনিষ্ঠরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, তিনি একজন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

রিপোর্টে ন্যায্যতা বজায় রাখতে আবদুল মান্নানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি বা তাঁর ঘনিষ্ঠ কেউ মন্তব্য জানালে তা সংযুক্ত করা হবে।

শ্রীউলা ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে প্রকৃত কর্মীদের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাঁদের আশঙ্কা, টাকার বিনিময়ে নেতৃত্ব নির্ধারণ হলে এলাকার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীউলায় বিতর্ক: স্থানীয়দের প্রশ্ন—আবদুল মান্নান আসলে কোন দলের?

আপডেট সময়: ০৭:৩৩:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান বিএনপির সদস্য সচিব পদে প্রার্থী হওয়ার পর ইউনিয়নজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন—আসলে তিনি কোন দলের?

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত সাড়ে ১৬ বছর ধরে আবদুল মান্নান ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি ব্যবসায়িক সুবিধা পেয়েছেন এবং সম্পদশালী হয়েছেন। ফলে হঠাৎ বিএনপির উচ্চপদে প্রার্থী হওয়ায় অনেকেই বিস্মিত।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা তাঁকে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে একাধিক অনুষ্ঠানে দেখেছি। এখন হঠাৎ বিএনপির হয়ে কাজ করলে জনমনে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।”

তবে মান্নানের ঘনিষ্ঠরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, তিনি একজন ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

রিপোর্টে ন্যায্যতা বজায় রাখতে আবদুল মান্নানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি বা তাঁর ঘনিষ্ঠ কেউ মন্তব্য জানালে তা সংযুক্ত করা হবে।

শ্রীউলা ইউনিয়নের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে প্রকৃত কর্মীদের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তাঁদের আশঙ্কা, টাকার বিনিময়ে নেতৃত্ব নির্ধারণ হলে এলাকার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।