আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

নগরঘাটায় জমি জবর দখলের পায়তারা!

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১২:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
  • ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০০ বছরের ভোগ দখলী জমি জবর দখলের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী নাজের আলী সরদার (৮০) জানায় আমার দাদা আব্দুল বারি সরদার, একই গ্রামের মৃত নুর মুহাম্মদ কারিকারের নিকট থেকে প্রায় ১০০ বছর পূর্বে জমি ক্রয় করে। উক্ত জমির নগরঘাটা মৌজার জে.এল-১৫, খতিয়ান নং-২৬০৮, দাগ নং-২৪৩ দাগের ১ একর ২৩ শতক জমি ভোগ দখল করে আসিতেছি। যাহার ১৯৬২ সালে নাজেম আলী সরদার এর নামে রেকড হয় কিন্তু ১৯৫৪ সালে আমার পিতা-মৃত আসমাতুল্লা সরদার ৪২ শতক জমি পাট্টা মূলে মৃত: হানেফ সরদার কে দেয়। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে উক্ত পাট্টামূলে ফেরত নেয়। তখন থেকে আমার শরীকেরা মফিজুদ্দিন সরদার বাদি হয়ে ১৯৫৫ সালে সাতক্ষীরা মুনসেফ আদালতে ১০৬/১৯৬৬ নং একটি মামলা দাখিল করে। তাতে আমার পূর্ব পুরুষ মৃত কওসর আলীদের বীবাদী করে কিন্তু উক্ত মামলাটি ২০১১ সালে ২৭ অক্টোবর বিবাদীর পক্ষে রায় হয়। তখন থেকে তারা আমাদের বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময়ে জমি জোর পূর্বক দখল নেওয়ার জন্য হামলা মামলা সহ আমার এক পুত্রকে হত্যা করে। এতেও তারা খ্যান্ত হয়নি। ভুক্তভোগী আরো জানায় আমি ২০০৩ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করি। তৎকালীন চেয়ারম্যান মহব্বত হোসেন দীর্ঘদিন যাচাই করে ২০০৭ সালে আমার পক্ষে রায় দেয়। রায় দেওয়ার পর বিবাদী আমাদের উপর হামলা চালায় ও জমি দখলের চেষ্টা করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করি। বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে রায় দেয়। আদালতের রায় পাওয়ার পর আমাদের উপর আবারও হামলা চালায়। আমি কোন উপায়অন্ত না পেয়ে ২০০৭ সালে ২ রা জুলাই পাটকেলঘাটা থানায় জি ডি করি যাহার নং-৫৬, তারিখ-০২/০৭/২০০৭। থানা তদন্তকারী কর্মকর্তা উভয় পক্ষদের থানায় ডেকে তৎকালীন চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপুকে বিষয়টি মিমাংসার কথা বললে তার কোন সুরাহ হয়নি। এর আগেও ২০০৭সালে বিবাদী পাটকেলঘাটা থানায় বসে মুচলেকা দেয় যে, তারা আমাদের উপর আর কোন নির্যাতন ও হামলা চালাবে না। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আমি ডি.আই.জি খুলনা বরাবর অভিযোগ করি তাতেও কোন প্রতিকার না পেয়ে পুনরায় ২০১৮ সালে ৩০ জানুয়ারী পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করি। এতেও কোন লাভ হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩রা মে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করলে জেলা প্রশাসক স্থানীয় চেয়ারম্যান কে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা বললে আজও কোন সুরহা হয়নি। সর্বশেষ গত ৫ই মে ২০২৪ সালে বিবাদী পক্ষ আমার জমিতে জোর পূর্বক ধান কেটে নিতে গেলে আমিও পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো কাচি দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে ও আমার স্ত্রী ও সন্তানদের উপর হামলা চালায়। তখন এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে আমি একই এলাকার মতিয়ার রহমান এর পুত্র মোঃ কিবরিয়া (৪০), মৃত ওজিয়ার রহমান এর পু মোঃ হাসানুর রহমান (৩৬), ও মোঃ শাহিনুর রহমান এর নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু আমারা দরিদ্র অসহায় নিরীহ হওয়ায় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি এবং বিবাদীরা পূর্বের ন্যায় আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে। আমি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারন করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেও লাভ হচ্ছে না। আমি আমার পরিবারের উপর অন্যায় ভাবে নির্যাতন, হামলার ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

নগরঘাটায় জমি জবর দখলের পায়তারা!

আপডেট সময়: ১২:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০০ বছরের ভোগ দখলী জমি জবর দখলের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী নাজের আলী সরদার (৮০) জানায় আমার দাদা আব্দুল বারি সরদার, একই গ্রামের মৃত নুর মুহাম্মদ কারিকারের নিকট থেকে প্রায় ১০০ বছর পূর্বে জমি ক্রয় করে। উক্ত জমির নগরঘাটা মৌজার জে.এল-১৫, খতিয়ান নং-২৬০৮, দাগ নং-২৪৩ দাগের ১ একর ২৩ শতক জমি ভোগ দখল করে আসিতেছি। যাহার ১৯৬২ সালে নাজেম আলী সরদার এর নামে রেকড হয় কিন্তু ১৯৫৪ সালে আমার পিতা-মৃত আসমাতুল্লা সরদার ৪২ শতক জমি পাট্টা মূলে মৃত: হানেফ সরদার কে দেয়। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে উক্ত পাট্টামূলে ফেরত নেয়। তখন থেকে আমার শরীকেরা মফিজুদ্দিন সরদার বাদি হয়ে ১৯৫৫ সালে সাতক্ষীরা মুনসেফ আদালতে ১০৬/১৯৬৬ নং একটি মামলা দাখিল করে। তাতে আমার পূর্ব পুরুষ মৃত কওসর আলীদের বীবাদী করে কিন্তু উক্ত মামলাটি ২০১১ সালে ২৭ অক্টোবর বিবাদীর পক্ষে রায় হয়। তখন থেকে তারা আমাদের বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন সময়ে জমি জোর পূর্বক দখল নেওয়ার জন্য হামলা মামলা সহ আমার এক পুত্রকে হত্যা করে। এতেও তারা খ্যান্ত হয়নি। ভুক্তভোগী আরো জানায় আমি ২০০৩ সালে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করি। তৎকালীন চেয়ারম্যান মহব্বত হোসেন দীর্ঘদিন যাচাই করে ২০০৭ সালে আমার পক্ষে রায় দেয়। রায় দেওয়ার পর বিবাদী আমাদের উপর হামলা চালায় ও জমি দখলের চেষ্টা করে। আমি কোন উপায় না পেয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করি। বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে রায় দেয়। আদালতের রায় পাওয়ার পর আমাদের উপর আবারও হামলা চালায়। আমি কোন উপায়অন্ত না পেয়ে ২০০৭ সালে ২ রা জুলাই পাটকেলঘাটা থানায় জি ডি করি যাহার নং-৫৬, তারিখ-০২/০৭/২০০৭। থানা তদন্তকারী কর্মকর্তা উভয় পক্ষদের থানায় ডেকে তৎকালীন চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপুকে বিষয়টি মিমাংসার কথা বললে তার কোন সুরাহ হয়নি। এর আগেও ২০০৭সালে বিবাদী পাটকেলঘাটা থানায় বসে মুচলেকা দেয় যে, তারা আমাদের উপর আর কোন নির্যাতন ও হামলা চালাবে না। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে আমি ডি.আই.জি খুলনা বরাবর অভিযোগ করি তাতেও কোন প্রতিকার না পেয়ে পুনরায় ২০১৮ সালে ৩০ জানুয়ারী পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করি। এতেও কোন লাভ হয়নি। সর্বশেষ ২০২৩ সালের ৩রা মে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করলে জেলা প্রশাসক স্থানীয় চেয়ারম্যান কে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা বললে আজও কোন সুরহা হয়নি। সর্বশেষ গত ৫ই মে ২০২৪ সালে বিবাদী পক্ষ আমার জমিতে জোর পূর্বক ধান কেটে নিতে গেলে আমিও পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে আমাদের হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো কাচি দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে ও আমার স্ত্রী ও সন্তানদের উপর হামলা চালায়। তখন এলাকাবাসী আমাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে আমি একই এলাকার মতিয়ার রহমান এর পুত্র মোঃ কিবরিয়া (৪০), মৃত ওজিয়ার রহমান এর পু মোঃ হাসানুর রহমান (৩৬), ও মোঃ শাহিনুর রহমান এর নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু আমারা দরিদ্র অসহায় নিরীহ হওয়ায় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি এবং বিবাদীরা পূর্বের ন্যায় আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে আমার মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে। আমি স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারন করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করেও লাভ হচ্ছে না। আমি আমার পরিবারের উপর অন্যায় ভাবে নির্যাতন, হামলার ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছি।