আজ বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

ভাঙনের মুখে মসজিদ, বাজার ও সড়ক; ১৩০ ফুট এলাকায় প্রতিরোধকাজের ঘোষণা

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১০:৩০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের আখড়াখোলা বাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দ্রুত প্রতিরোধমূলক কাজ শুরুর ঘোষণা দেন।

পরিদর্শনকালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান ও লিয়াকত আলী নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীর ভাঙনে আখড়াখোলা বাজার জামে মসজিদ, বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সংযোগ সড়ক এবং আশপাশের বসতবাড়ি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান জানান, জরুরি ভিত্তিতে ১৩০ ফুট এলাকাজুড়ে নদীভাঙন প্রতিরোধের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) থেকে কাজ শুরু হবে। নির্ধারিত কাজ শেষ হলে ভাঙনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির প্রভাষক ইকবাল হোসেন, বল্লী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান, আখড়াখোলা বাজার জামে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক, সেক্রেটারি আফসার আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদর উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। দ্রুত প্রতিরোধকাজ শুরুর ঘোষণায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

ভাঙনের মুখে মসজিদ, বাজার ও সড়ক; ১৩০ ফুট এলাকায় প্রতিরোধকাজের ঘোষণা

আপডেট সময়: ১০:৩০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের আখড়াখোলা বাজার জামে মসজিদ সংলগ্ন নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং দ্রুত প্রতিরোধমূলক কাজ শুরুর ঘোষণা দেন।

পরিদর্শনকালে উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান ও লিয়াকত আলী নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নদীর ভাঙনে আখড়াখোলা বাজার জামে মসজিদ, বাজারের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সংযোগ সড়ক এবং আশপাশের বসতবাড়ি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী আশিকুজ্জামান জানান, জরুরি ভিত্তিতে ১৩০ ফুট এলাকাজুড়ে নদীভাঙন প্রতিরোধের কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট) থেকে কাজ শুরু হবে। নির্ধারিত কাজ শেষ হলে ভাঙনের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির প্রভাষক ইকবাল হোসেন, বল্লী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান, আখড়াখোলা বাজার জামে মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুল মালেক, সেক্রেটারি আফসার আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদর উদ্দিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। দ্রুত প্রতিরোধকাজ শুরুর ঘোষণায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।