আজ শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ঈদের নাটক ‘অমর প্রেম’ Logo এলপিএলে ড্রাফট পদ্ধতি ফিরছে, ৪৮ বাংলাদেশি ক্রিকেটারের নিবন্ধন Logo উত্তর গাজায় ইসরাইলি ড্রোন হামলায় নিহত ৫ Logo সত্য ও সাহসের আলোকযাত্রায় ১১ বছরে দক্ষিণের মশাল Logo পলাশপোল সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নতুন কমিটি গঠন Logo শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর চর ধসে ভাঙন আতঙ্ক ঝুঁকিতে ১০ গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার Logo খুলনার সাবেক মেয়র শেখ তৈয়েবুর রহমানের স্ত্রী লাইলা রহমান আর নেই Logo শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে একযোগে মানববন্ধন Logo সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, র‍্যাবিস ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচি Logo এক মাসের মধ্যে রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর চর ধসে ভাঙন আতঙ্ক ঝুঁকিতে ১০ গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মাদিয়া এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রায় ২৫০ ফুট চর ধসে পড়ায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এতে বসতঘর ও জমিজমা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে অন্তত ১০ গ্রামের কয়েকশ পরিবার। ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা গ্রামগুলো হলো পশ্চিম দুর্গাবাটি, পূর্ব দুর্গাবাটি, মাদিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, বড়কুপট, ছোটকুপট, পশ্চিম পোড়াকাটলা, পূর্ব পোড়াকাটলা, ভামিয়া ও কলবাড়ির কিছু অংশ। এলাকাবাসীর দাবি, এসব গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার বর্তমানে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার ভোরে প্রথমে নদীর চরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট অংশ ধসে যায়। পরে শনিবার সকাল থেকে ভাঙনের মাত্রা আরও বেড়ে প্রায় ২৫০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে পুরো এলাকাজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদিয়া এলাকার দুর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন নদীর চরে হঠাৎ করেই তীব্র ভাঙন শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে নদীর প্রবল স্রোত ও জোয়ারের কারণে ভাঙন আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা রুস্তম আলী বলেন, “খোলপেটুয়া নদীর এই অংশ দিয়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে অন্তত ৮ থেকে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হবে। এতে হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি, মাছের ঘের ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।” স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নীলকান্ত রপ্তান বলেন, “দুর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্যোগ দেখা দিতে পারে। বহু এলাকা নোনা পানিতে তলিয়ে গিয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।” এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও শাখা কর্মকর্তা (শ্যামনগর পওর শাখা) মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। ভাঙন রোধে সেখানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চলছে।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের নাটক ‘অমর প্রেম’

শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীর চর ধসে ভাঙন আতঙ্ক ঝুঁকিতে ১০ গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার

আপডেট সময়: ০৮:০১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মাদিয়া এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর প্রায় ২৫০ ফুট চর ধসে পড়ায় তীব্র ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এতে বসতঘর ও জমিজমা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটছে অন্তত ১০ গ্রামের কয়েকশ পরিবার। ভাঙনের ঝুঁকিতে থাকা গ্রামগুলো হলো পশ্চিম দুর্গাবাটি, পূর্ব দুর্গাবাটি, মাদিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, বড়কুপট, ছোটকুপট, পশ্চিম পোড়াকাটলা, পূর্ব পোড়াকাটলা, ভামিয়া ও কলবাড়ির কিছু অংশ। এলাকাবাসীর দাবি, এসব গ্রামের অন্তত ৩০০ পরিবার বর্তমানে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার ভোরে প্রথমে নদীর চরের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ ফুট অংশ ধসে যায়। পরে শনিবার সকাল থেকে ভাঙনের মাত্রা আরও বেড়ে প্রায় ২৫০ ফুট এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে পুরো এলাকাজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদিয়া এলাকার দুর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন নদীর চরে হঠাৎ করেই তীব্র ভাঙন শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে নদীর প্রবল স্রোত ও জোয়ারের কারণে ভাঙন আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা রুস্তম আলী বলেন, “খোলপেটুয়া নদীর এই অংশ দিয়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে অন্তত ৮ থেকে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হবে। এতে হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি, মাছের ঘের ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।” স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নীলকান্ত রপ্তান বলেন, “দুর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্যোগ দেখা দিতে পারে। বহু এলাকা নোনা পানিতে তলিয়ে গিয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।” এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও শাখা কর্মকর্তা (শ্যামনগর পওর শাখা) মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, “ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। ভাঙন রোধে সেখানে জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম চলছে।”