আজ মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

জুমার নামাজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার ফজিলত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

জুমার দিনকে বলা হয় মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ। এ দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ। বিশেষ করে জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়া ইসলামের এক বিশেষ বিধান।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে হেঁটে জুমার নামাজে যেতেন—এটি আমাদের জন্য সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য মসজিদে হেঁটে যাওয়া উত্তম ও অধিক ফজিলতপূর্ণ। তবে মসজিদ যদি অনেক দূরে হয়, তবে কষ্ট করে হাঁটার প্রয়োজন নেই।

রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল, যাওয়ার পথে কোনো বাহনে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, অহেতুক কথা না বলে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনল ও নামাজ আদায় করল—তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে।”
(তিরমিজি, হাদিস: ৪৫৬)

রাসুলের প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) অন্যান্য সাহাবিদের মতো হেঁটে মসজিদে যেতেন। ফেরার পথে কখনো হেঁটে, কখনো বাহনে চড়ে ফিরতেন। (ইবনে আবি শায়বা)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যখন নামাজ শুরু হয়, তখন দৌড়ে গিয়ে নামাজে যোগ দিও না; বরং ধীরস্থিরভাবে হেঁটে যাও। যতটুকু নামাজ পাবে, ততটুকু আদায় করো; আর যা বাদ যাবে, তা পরে পূর্ণ করো।”
(বুখারি)

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত—পায়ে হেঁটে, ধীরস্থিরভাবে, মনোযোগসহকারে মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা, যাতে দ্বিগুণ ফজিলত ও সওয়াব লাভ করা যায়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

জুমার নামাজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার ফজিলত

আপডেট সময়: ০৩:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

জুমার দিনকে বলা হয় মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ। এ দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ। বিশেষ করে জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়া ইসলামের এক বিশেষ বিধান।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে হেঁটে জুমার নামাজে যেতেন—এটি আমাদের জন্য সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য মসজিদে হেঁটে যাওয়া উত্তম ও অধিক ফজিলতপূর্ণ। তবে মসজিদ যদি অনেক দূরে হয়, তবে কষ্ট করে হাঁটার প্রয়োজন নেই।

রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল, যাওয়ার পথে কোনো বাহনে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, অহেতুক কথা না বলে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনল ও নামাজ আদায় করল—তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে।”
(তিরমিজি, হাদিস: ৪৫৬)

রাসুলের প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) অন্যান্য সাহাবিদের মতো হেঁটে মসজিদে যেতেন। ফেরার পথে কখনো হেঁটে, কখনো বাহনে চড়ে ফিরতেন। (ইবনে আবি শায়বা)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যখন নামাজ শুরু হয়, তখন দৌড়ে গিয়ে নামাজে যোগ দিও না; বরং ধীরস্থিরভাবে হেঁটে যাও। যতটুকু নামাজ পাবে, ততটুকু আদায় করো; আর যা বাদ যাবে, তা পরে পূর্ণ করো।”
(বুখারি)

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত—পায়ে হেঁটে, ধীরস্থিরভাবে, মনোযোগসহকারে মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা, যাতে দ্বিগুণ ফজিলত ও সওয়াব লাভ করা যায়।