আজ শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার Logo বাংলাদেশের পেস ইতিহাসে হাসানের হ্যাটট্রিক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

জুমার নামাজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার ফজিলত

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৩:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

জুমার দিনকে বলা হয় মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ। এ দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ। বিশেষ করে জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়া ইসলামের এক বিশেষ বিধান।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে হেঁটে জুমার নামাজে যেতেন—এটি আমাদের জন্য সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য মসজিদে হেঁটে যাওয়া উত্তম ও অধিক ফজিলতপূর্ণ। তবে মসজিদ যদি অনেক দূরে হয়, তবে কষ্ট করে হাঁটার প্রয়োজন নেই।

রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল, যাওয়ার পথে কোনো বাহনে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, অহেতুক কথা না বলে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনল ও নামাজ আদায় করল—তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে।”
(তিরমিজি, হাদিস: ৪৫৬)

রাসুলের প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) অন্যান্য সাহাবিদের মতো হেঁটে মসজিদে যেতেন। ফেরার পথে কখনো হেঁটে, কখনো বাহনে চড়ে ফিরতেন। (ইবনে আবি শায়বা)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যখন নামাজ শুরু হয়, তখন দৌড়ে গিয়ে নামাজে যোগ দিও না; বরং ধীরস্থিরভাবে হেঁটে যাও। যতটুকু নামাজ পাবে, ততটুকু আদায় করো; আর যা বাদ যাবে, তা পরে পূর্ণ করো।”
(বুখারি)

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত—পায়ে হেঁটে, ধীরস্থিরভাবে, মনোযোগসহকারে মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা, যাতে দ্বিগুণ ফজিলত ও সওয়াব লাভ করা যায়।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী

জুমার নামাজে পায়ে হেঁটে যাওয়ার ফজিলত

আপডেট সময়: ০৩:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

জুমার দিনকে বলা হয় মুসলমানদের সাপ্তাহিক ঈদ। এ দিনটি মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ। বিশেষ করে জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়া ইসলামের এক বিশেষ বিধান।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে হেঁটে জুমার নামাজে যেতেন—এটি আমাদের জন্য সুন্নত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মুসল্লিদের জন্য মসজিদে হেঁটে যাওয়া উত্তম ও অধিক ফজিলতপূর্ণ। তবে মসজিদ যদি অনেক দূরে হয়, তবে কষ্ট করে হাঁটার প্রয়োজন নেই।

রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল, যাওয়ার পথে কোনো বাহনে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, অহেতুক কথা না বলে মনোযোগ সহকারে খুতবা শুনল ও নামাজ আদায় করল—তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব দেওয়া হবে।”
(তিরমিজি, হাদিস: ৪৫৬)

রাসুলের প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) অন্যান্য সাহাবিদের মতো হেঁটে মসজিদে যেতেন। ফেরার পথে কখনো হেঁটে, কখনো বাহনে চড়ে ফিরতেন। (ইবনে আবি শায়বা)

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) বলেছেন—

“যখন নামাজ শুরু হয়, তখন দৌড়ে গিয়ে নামাজে যোগ দিও না; বরং ধীরস্থিরভাবে হেঁটে যাও। যতটুকু নামাজ পাবে, ততটুকু আদায় করো; আর যা বাদ যাবে, তা পরে পূর্ণ করো।”
(বুখারি)

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত—পায়ে হেঁটে, ধীরস্থিরভাবে, মনোযোগসহকারে মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা, যাতে দ্বিগুণ ফজিলত ও সওয়াব লাভ করা যায়।