আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সব হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চায় জাতিসংঘ

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৪:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪
  • ৩০২ বার পড়া হয়েছে

প্রতিটি হত্যার তদন্ত ও বিচার করাই হচ্ছে মানবাধিকারের দাবি। একইসঙ্গে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা (মব জাস্টিস) অগ্রহণযোগ্য। মামলা করার সময় যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। বাংলাদেশে দুদিনের সফর শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ভলকার তুর্ক বলেন, কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। যেকোনো হত্যার বিচারের জন্য অনুসন্ধান প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সাহায্য করাটাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের কাজই হলো বাংলাদেশের এই পরিবর্তনে পূর্ণ সহায়তা করা। নতুন সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে, তারা সকলের সহায়তা পেলে সব কিছুই করতে পারবেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জানান, অভিযোগগুলো যেন সুনির্দিষ্ট হয় এবং যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদেরই যেন অভিযুক্ত করা হয়। তার মতে, মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো ঘটনারই দায়মুক্তির সুযোগ থাকা ঠিক না।

বাংলাদেশের মানবাধিকারের বিষয়ে তিনি বলেন, আগের সময়ের থেকে মানবাধিকারের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করব।

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘালঘুদের ওপর অত্যাচারের বিষয়গুলো ভালো করে যাচাই করতে হবে। সবকিছুই আমাদের তদন্তের আওতায় আসবে।

রোহিঙ্গাদের সাহায্যের বিষয়ে ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশের মতো সারাবিশ্বে অনেক বেশি সাহায্য আমাদের কাছে চাওয়া হয়। অনেক ধরনের উদাহরণ আছে আমাদের কাছে। রোহিঙ্গাদের সাহায্য করা কঠিন হলেও আমরা সহায়তা করে যাচ্ছি।

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ভলকার তুর্ক আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথেও সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে ঢাকায় জাতিসংঘের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং মিশনের কার্যক্রম ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা, বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রধান, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠকের বিষয়ে অবহিত করেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

সব হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চায় জাতিসংঘ

আপডেট সময়: ০৪:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

প্রতিটি হত্যার তদন্ত ও বিচার করাই হচ্ছে মানবাধিকারের দাবি। একইসঙ্গে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা (মব জাস্টিস) অগ্রহণযোগ্য। মামলা করার সময় যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। বাংলাদেশে দুদিনের সফর শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

ভলকার তুর্ক বলেন, কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। যেকোনো হত্যার বিচারের জন্য অনুসন্ধান প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সাহায্য করাটাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের কাজই হলো বাংলাদেশের এই পরিবর্তনে পূর্ণ সহায়তা করা। নতুন সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে, তারা সকলের সহায়তা পেলে সব কিছুই করতে পারবেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার জানান, অভিযোগগুলো যেন সুনির্দিষ্ট হয় এবং যারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদেরই যেন অভিযুক্ত করা হয়। তার মতে, মানবাধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো ঘটনারই দায়মুক্তির সুযোগ থাকা ঠিক না।

বাংলাদেশের মানবাধিকারের বিষয়ে তিনি বলেন, আগের সময়ের থেকে মানবাধিকারের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করব।

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘালঘুদের ওপর অত্যাচারের বিষয়গুলো ভালো করে যাচাই করতে হবে। সবকিছুই আমাদের তদন্তের আওতায় আসবে।

রোহিঙ্গাদের সাহায্যের বিষয়ে ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশের মতো সারাবিশ্বে অনেক বেশি সাহায্য আমাদের কাছে চাওয়া হয়। অনেক ধরনের উদাহরণ আছে আমাদের কাছে। রোহিঙ্গাদের সাহায্য করা কঠিন হলেও আমরা সহায়তা করে যাচ্ছি।

এদিকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ভলকার তুর্ক আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সাথেও সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি প্রধান উপদেষ্টাকে ঢাকায় জাতিসংঘের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং মিশনের কার্যক্রম ছাড়াও সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা, বিভিন্ন সংস্কার কমিশনের প্রধান, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠকের বিষয়ে অবহিত করেন।