আজ বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ Logo সাতক্ষীরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সভাপতি টিটু, সম্পাদক মামুন Logo সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে ‘ভয়েস টু ভেঞ্চার ব্রিজ’ Logo তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার চার খেলোয়াড়ের চার পদক Logo দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ Logo দেবহাটায় জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত Logo সাতক্ষীরায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন করলেন শহিদুল ইসলাম মুকুল Logo রাজধানীর বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে’ Logo ২৮তম জাতীয় লিগের পর্দা উঠল, দীর্ঘ বিরতির পর খুলনায় ফিরল ক্রিকেটের প্রাণচাঞ্চল্য
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৮:১৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের পাশাপাশি সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া তাঁর প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক শান্তির মতো বিষয় গুরুত্ব পায়। ভাষণে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পুনর্গঠনের জন্য ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—এই তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ভাষণে বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায়সংগত আচরণ, পারস্পরিক স্বার্থ, সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সমস্যার উৎস মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও সেখানে খুঁজতে হবে। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও ভাষণে উঠে আসে।

বিশ্বশান্তি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিরস্ত্রীকরণ, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতিসংঘের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু একসঙ্গে তুলে ধরার মাধ্যমে সরকারের নীতিগত অবস্থান উপস্থাপন করা হয়েছে। ভাষণের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, মানবিক সংকট মোকাবিলা, জলবায়ু ঝুঁকি এবং শান্তি ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা। জাতিসংঘে তারেক রহমানের এই ভাষণ তাঁর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে ওই বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনাও হয়ে উঠেছে। এর আগে তাঁর বাবা জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে এবং মা খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দিয়েছিলেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

দক্ষিণ কাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম ও খাতা বিতরণ

জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা

আপডেট সময়: ০৮:১৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক রূপান্তরের পাশাপাশি সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় দেওয়া তাঁর প্রথম ভাষণে গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক শান্তির মতো বিষয় গুরুত্ব পায়। ভাষণে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পুনর্গঠনের জন্য ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’—এই তিনটি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

ভাষণে বৈশ্বিক সংঘাত নিরসনে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমতা, ন্যায়সংগত আচরণ, পারস্পরিক স্বার্থ, সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান তিনি। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সমস্যার উৎস মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও সেখানে খুঁজতে হবে। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও ভাষণে উঠে আসে।

বিশ্বশান্তি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিরস্ত্রীকরণ, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতিসংঘের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু একসঙ্গে তুলে ধরার মাধ্যমে সরকারের নীতিগত অবস্থান উপস্থাপন করা হয়েছে। ভাষণের মূল বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, মানবিক সংকট মোকাবিলা, জলবায়ু ঝুঁকি এবং শান্তি ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা। জাতিসংঘে তারেক রহমানের এই ভাষণ তাঁর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে ওই বিশ্বমঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনাও হয়ে উঠেছে। এর আগে তাঁর বাবা জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে এবং মা খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বক্তব্য দিয়েছিলেন।