আজ রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo পারুলিয়ার সেকেন্দ্রায় ইজিবাইক উল্টে যাত্রী আহত Logo তালায় পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় যুব সম্পৃক্ততা অনুষ্ঠিত Logo সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নিখোঁজ ছেলের সন্ধানের দাবিতে পিতার সংবাদ সম্মেলন Logo সুন্দরবনের ছোট নাক জোড়া খাল এলাকা থেকে আটক-২ Logo সাতক্ষীরায় ক্যাডেট এএসআই নিয়োগ উপলক্ষে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo সাতক্ষীরায় প্রতিদিন ১ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা Logo ওসি শামীমের নেতৃত্বে মধ্যরাতের অভিযান: নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বৈঠক থেকে আটক ৬ Logo সাতক্ষীরায় ব্রহ্মরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুর রহমান মুকুল Logo লোকসঙ্গীতে সুরের জাদু: জাতীয় মঞ্চ কাঁপানো সাতক্ষীরার খুদে বিস্ময় প্রাঞ্জল Logo সিরাজগঞ্জে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

ওসি শামীমের নেতৃত্বে মধ্যরাতের অভিযান: নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বৈঠক থেকে আটক ৬

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৭:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠক, সরকারবিরোধী নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের আমানউল্লাহ সরদারের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ও নিচতলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। সেখানে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক পরিকল্পনা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি থানার ওসি শামীমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাত প্রায় ১টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অংশগ্রহণকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে ছাদে অবস্থানরত ছয়জনকে আটক করা হয়। এ সময় নিচতলায় থাকা আরও ১০ জন এজাহারভুক্ত আসামি এবং ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি পালিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— কচুয়া গ্রামের ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ, আছাফুর রহমান, ইকরামুল ঢালী, জিয়াউর রহমান, আজিজুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলাম। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেয় এবং ভবিষ্যতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দাবি করেছে, প্রধান অভিযুক্ত ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশের অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, চলন্ত যানবাহনে হামলা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সড়ক যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা তৈরির পরিকল্পনাও ছিল তাদের।

এ ঘটনায় মোস্তাক আহম্মেদ বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি আশাশুনি থানার মামলা নম্বর-২২, তারিখ ২১ জুন ২০২৬ হিসেবে রুজু করা হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এ অভিযোগগুলো পুলিশের এজাহার ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে উত্থাপিত। অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

পারুলিয়ার সেকেন্দ্রায় ইজিবাইক উল্টে যাত্রী আহত

ওসি শামীমের নেতৃত্বে মধ্যরাতের অভিযান: নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বৈঠক থেকে আটক ৬

আপডেট সময়: ০৭:০৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গোপন বৈঠক, সরকারবিরোধী নাশকতা ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের আমানউল্লাহ সরদারের নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ও নিচতলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। সেখানে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক পরিকল্পনা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশাশুনি থানার ওসি শামীমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল রাত প্রায় ১টা ১৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অংশগ্রহণকারীরা পালানোর চেষ্টা করলে ছাদে অবস্থানরত ছয়জনকে আটক করা হয়। এ সময় নিচতলায় থাকা আরও ১০ জন এজাহারভুক্ত আসামি এবং ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি পালিয়ে যায় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— কচুয়া গ্রামের ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশ, আছাফুর রহমান, ইকরামুল ঢালী, জিয়াউর রহমান, আজিজুল ইসলাম ও রাশিদুল ইসলাম। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেয় এবং ভবিষ্যতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পরিকল্পনা ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দাবি করেছে, প্রধান অভিযুক্ত ওমর ছাকি ফেরদৌস পলাশের অর্থায়ন ও পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড সংঘটনের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, চলন্ত যানবাহনে হামলা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং সড়ক যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা তৈরির পরিকল্পনাও ছিল তাদের।

এ ঘটনায় মোস্তাক আহম্মেদ বাদী হয়ে আশাশুনি থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি আশাশুনি থানার মামলা নম্বর-২২, তারিখ ২১ জুন ২০২৬ হিসেবে রুজু করা হয়েছে। এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এ অভিযোগগুলো পুলিশের এজাহার ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে উত্থাপিত। অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত নন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।