আজ মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রথম ধাপে দেশের ১৩ জেলার একটি করে ওয়ার্ডে কর্মসূচি শুরু হবে। সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং এসব কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা।

এর আগে রোববার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে সমন্বিত ও সুশৃঙ্খলভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

উপকারভোগী বাছাই জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হলেও আর্থিক তথ্যের ঘাটতি থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত টার্গেটিং ত্রুটি রয়েছে, যার ফলে অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধা একীভূত করে এ ধরনের ত্রুটি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্য ভাতা পেতে পারবেন।

প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অন্য ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সুবিধা থাকবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরান যুদ্ধে যুক্ত হলো বৃটেন’

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময়: ১১:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রথম ধাপে দেশের ১৩ জেলার একটি করে ওয়ার্ডে কর্মসূচি শুরু হবে। সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং এসব কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা।

এর আগে রোববার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে সমন্বিত ও সুশৃঙ্খলভাবে সহায়তা প্রদান করা হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

উপকারভোগী বাছাই জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হলেও আর্থিক তথ্যের ঘাটতি থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডগুলোতে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত টার্গেটিং ত্রুটি রয়েছে, যার ফলে অর্থের অপচয় হচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে একাধিক সুবিধা একীভূত করে এ ধরনের ত্রুটি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্য ভাতা পেতে পারবেন।

প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অন্য ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সুবিধা থাকবে।