সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় মানবিকতার এক হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে এসেছে। উপজেলার খলিলনগর ইউনিয়নের প্রসাদপুর গ্রামের মোড়লপাড়ায় মিতু (২৪) নামের এক তরুণী প্রায় ১৫ বছর ধরে পায়ে শিকল ও বেড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় জীবনযাপন করছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, মানসিক অসুস্থতার কারণে পরিবারের সদস্যরা তাকে এভাবে বেঁধে রাখতে বাধ্য হয়েছেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসার অভাবে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। সম্প্রতি বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের নজরে আসে। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রাহাত খান ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহাত খান, তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. খালিদ হাসান নয়নকে সঙ্গে নিয়ে মিতুর বাড়িতে যান। সেখানে তারা তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শন শেষে চিকিৎসক জানান, যথাযথ চিকিৎসা পেলে মিতুর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে পরিবারের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিতুর মায়ের হাতে শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ তুলে দেন। পাশাপাশি তিনি মিতুর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানোর কথা জানান। স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের এই উদ্যোগ মিতুর জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। এখন সবার প্রত্যাশা- যথাযথ চিকিৎসা পেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে সে।
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন
তালায় ১৫ বছর ধরে শিকলবন্দী তরুণীর পাশে ইউএনও
-
স্টাফ রিপোর্টার - আপডেট সময়: ১০:২৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
- ৩১ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ























