আজ বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে একটি সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’ নামের সদ্য আবিষ্কৃত এই গ্রহটির পরিবেশগত অবস্থা মঙ্গল গ্রহের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তারা। গ্রহটি সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে এবং আকারে পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বড়।

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল ২০১৭ সালে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের বর্ধিত মিশন ‘কে২’ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্রহটির সন্ধান পান। গবেষণাটি চলতি সপ্তাহে অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স-এ প্রকাশিত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের গবেষক ড. চেলসি হুয়াং জানান, গ্রহটির কক্ষপথ পৃথিবীর মতো এবং এর কক্ষপথ পরিক্রমণকাল প্রায় ৩৫৫ দিন। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রহটি তার নক্ষত্রের ‘হ্যাবিটেবল জোনে’ থাকার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ।

হুয়াং বলেন, সূর্যের মতো নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে থাকা নিকটতম অন্য গ্রহ কেপলার-১৮৬এফ হলেও সেটি এই নতুন গ্রহের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি দূরে এবং উজ্জ্বলতায়ও প্রায় ২০ গুণ কম।

গ্রহটি প্রথম শনাক্ত করা হয় যখন এটি স্বল্প সময়ের জন্য নিজ নক্ষত্রের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে। তখন নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা সামান্য হ্রাস পায়। এই ক্ষীণ সংকেত প্রথম শনাক্ত করেন একদল স্বেচ্ছাসেবী ‘সিটিজেন সায়েন্টিস্ট’। তাদের মধ্যে গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক ড. আলেকজান্ডার ওয়েইনারও ছিলেন, যিনি সে সময় হাইস্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওয়েইনার জানান, হাইস্কুলে পড়ার সময় তিনি ‘প্ল্যানেট হান্টার্স’ নামের একটি সিটিজেন সায়েন্স প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন, যা তার গবেষণায় বড় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। পরবর্তীতে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারে ভূমিকা রাখতে পেরেছেন।

গবেষকরা জানান, গ্রহটির নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যের তুলনায় শীতল ও কম উজ্জ্বল। ফলে গ্রহটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গল গ্রহের মতো হতে পারে, যা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নেমে যেতে পারে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান

আপডেট সময়: ১১:৫৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪৬ আলোকবর্ষ দূরে একটি সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ‘এইচডি ১৩৭০১০ বি’ নামের সদ্য আবিষ্কৃত এই গ্রহটির পরিবেশগত অবস্থা মঙ্গল গ্রহের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তারা। গ্রহটি সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে এবং আকারে পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৬ শতাংশ বড়।

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের বিজ্ঞানীদের নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক গবেষক দল ২০১৭ সালে নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের বর্ধিত মিশন ‘কে২’ থেকে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্রহটির সন্ধান পান। গবেষণাটি চলতি সপ্তাহে অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স-এ প্রকাশিত হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের গবেষক ড. চেলসি হুয়াং জানান, গ্রহটির কক্ষপথ পৃথিবীর মতো এবং এর কক্ষপথ পরিক্রমণকাল প্রায় ৩৫৫ দিন। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, গ্রহটি তার নক্ষত্রের ‘হ্যাবিটেবল জোনে’ থাকার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ।

হুয়াং বলেন, সূর্যের মতো নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে থাকা নিকটতম অন্য গ্রহ কেপলার-১৮৬এফ হলেও সেটি এই নতুন গ্রহের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি দূরে এবং উজ্জ্বলতায়ও প্রায় ২০ গুণ কম।

গ্রহটি প্রথম শনাক্ত করা হয় যখন এটি স্বল্প সময়ের জন্য নিজ নক্ষত্রের সামনে দিয়ে অতিক্রম করে। তখন নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা সামান্য হ্রাস পায়। এই ক্ষীণ সংকেত প্রথম শনাক্ত করেন একদল স্বেচ্ছাসেবী ‘সিটিজেন সায়েন্টিস্ট’। তাদের মধ্যে গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক ড. আলেকজান্ডার ওয়েইনারও ছিলেন, যিনি সে সময় হাইস্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওয়েইনার জানান, হাইস্কুলে পড়ার সময় তিনি ‘প্ল্যানেট হান্টার্স’ নামের একটি সিটিজেন সায়েন্স প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন, যা তার গবেষণায় বড় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। পরবর্তীতে সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারে ভূমিকা রাখতে পেরেছেন।

গবেষকরা জানান, গ্রহটির নক্ষত্রটি আমাদের সূর্যের তুলনায় শীতল ও কম উজ্জ্বল। ফলে গ্রহটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গল গ্রহের মতো হতে পারে, যা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নেমে যেতে পারে।