আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

অবশেষে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন,সাতক্ষীরা খোলপেটুয়া নদী

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।

গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে। বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

অবশেষে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন,সাতক্ষীরা খোলপেটুয়া নদী

আপডেট সময়: ০৪:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।

গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে। বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।