আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

অবশেষে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন,সাতক্ষীরা খোলপেটুয়া নদী

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৪:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।

গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে। বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

অবশেষে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন,সাতক্ষীরা খোলপেটুয়া নদী

আপডেট সময়: ০৪:৪১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার দুপুর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।

গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুই’শ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে। বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।