আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে টাকা ছাড়া সেবা মেলেনা- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:২১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রুগী নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে টিকেট নিতে হবে। টিকেট ১০টাকা, টিকেট নেওয়ার পর, যদি রোগী ভর্তি করতে হয়। টিকেট নেওয়ার পর রোগীকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে ১০০-২০০টাকা, আর রোগীর অবস্থা খারাপ হলে ট্রলি দিয়ে নিতে ২০০-৩০০টাকা,ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর সাথে ১জনের বেশি প্রবেশ করলে জন প্রতি ২০টাকা, ৫০টাকা হলে আছে,না হয় মাটিতে। রোগী ভর্তি শেষ। এবার ডাক্তারের পালা। ডাক্তার আসবে রোগী দেখবে।তারপর শুরু হবে পরিক্ষা। প্রথমে কমপক্ষে ৪টি পরিক্ষা সাথে ১বস্তা স্যালাইন ও কিছু ঔষধ। পরিক্ষার রিপোর্ট আসা পর্যন্ত স্যালাইন আর ঔষধ চলবে।

রিপোর্ট আসার পর আরেক ডাক্তার আসবে সে দেখে আবার অন্য পরিক্ষা দিবে।এভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন হবে আর একটার পর একটা পরিক্ষা দিবে।পরিক্ষা করাতে হুইল চেয়ারে নিয়ে গেলে ১০০টাকা আর ট্রলিতে নেওয়া লাগলে ২০০টাকা ওয়ার্ড বয়কে দিতে হবে। আর প্রতিদিন নতুন নতুন ঔষধ যোগ হবে।প্রতিদিন রোগীর সাথে দেখা করতে আসলে দারোয়ানকে খুশি করতে হবে।সব পরিক্ষা শেষ। এবার অপারেশন এর পালা।অপারেশন করতে ৬০০০ থেকে ৭০০০ টাকার ঔষধ কিনে ডাক্তারের হাতে দিতে হবে। যাহা অফেরতযোগ্য।অপারেশনে যদি রোগী মারা যায়। টাকা এবং মানুষ সব শেষ, হাতে ভিক্ষার বাটি।

আর অপারেশন যদি সাক্সেস হয়।অপারেশন থিয়েটারের বয়কে খুশি করতে হবে।দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। এবং প্রতিদিন ড্রেসিং করার জন্য ও খাওয়ার ঔষধ কিনতে হবে।রোগী সুস্থ্য। এবার রিলিস দেওয়ার পালা।নার্সকে খুশি করতে হবে। দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। ওয়ার্ড বয়কে খুশি করতে হবে। সবাইকে খুশি করে লেংটা হয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তারপর বাহিরে এসে দেখবেন জাতির সেই ব্যানার ঝুলে আছে,আমি ও আমরা প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিমুক্ত উপরক্ত কথার লেখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব‍্যাপক চাওর হয়েছে সাতক্ষীরায়।

আসলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এধরনের ঘটনা নতুন কিছু নয় কিন্তু কে শোনে কার কথা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ হাসপাতালে সেবার চেয়ে হয়রানি বেশি তারপরও আসতে হয় জীবন বাচানোর জন্য। একাধিক রোগী বা তাদের স্বজনদের অভিযোগ দেশ বদলালেও শুধুমাত্র বদলায়নি এই হাসপাতালের অনিয়ম দূর্নীতি। সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক আবু সাঈদ বলেন আমাদের নিতি নিদ্ধারক যারা আছে তাদের জবাব দিহিতামূলক এর আওতায় আনলে এধরনের দূর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব এবং প্রত‍্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে সমাজ ও দেশ প্রেমিক হলে দেশ থেকে দূর্নীতি আর অনীয়ম দূর করা সম্ভব। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক খুদরেতে খুদার বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব‍্যবহিত মোবাইলে ফোন করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

সাতক্ষীরা মেডিকেল হাসপাতালে টাকা ছাড়া সেবা মেলেনা- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

আপডেট সময়: ০১:২১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

আবু সাঈদ, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রুগী নিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে টিকেট নিতে হবে। টিকেট ১০টাকা, টিকেট নেওয়ার পর, যদি রোগী ভর্তি করতে হয়। টিকেট নেওয়ার পর রোগীকে হুইল চেয়ারে করে ওয়ার্ডে নিয়ে গেলে ১০০-২০০টাকা, আর রোগীর অবস্থা খারাপ হলে ট্রলি দিয়ে নিতে ২০০-৩০০টাকা,ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়ার পর রোগীর সাথে ১জনের বেশি প্রবেশ করলে জন প্রতি ২০টাকা, ৫০টাকা হলে আছে,না হয় মাটিতে। রোগী ভর্তি শেষ। এবার ডাক্তারের পালা। ডাক্তার আসবে রোগী দেখবে।তারপর শুরু হবে পরিক্ষা। প্রথমে কমপক্ষে ৪টি পরিক্ষা সাথে ১বস্তা স্যালাইন ও কিছু ঔষধ। পরিক্ষার রিপোর্ট আসা পর্যন্ত স্যালাইন আর ঔষধ চলবে।

রিপোর্ট আসার পর আরেক ডাক্তার আসবে সে দেখে আবার অন্য পরিক্ষা দিবে।এভাবে প্রতিদিন ডাক্তার পরিবর্তন হবে আর একটার পর একটা পরিক্ষা দিবে।পরিক্ষা করাতে হুইল চেয়ারে নিয়ে গেলে ১০০টাকা আর ট্রলিতে নেওয়া লাগলে ২০০টাকা ওয়ার্ড বয়কে দিতে হবে। আর প্রতিদিন নতুন নতুন ঔষধ যোগ হবে।প্রতিদিন রোগীর সাথে দেখা করতে আসলে দারোয়ানকে খুশি করতে হবে।সব পরিক্ষা শেষ। এবার অপারেশন এর পালা।অপারেশন করতে ৬০০০ থেকে ৭০০০ টাকার ঔষধ কিনে ডাক্তারের হাতে দিতে হবে। যাহা অফেরতযোগ্য।অপারেশনে যদি রোগী মারা যায়। টাকা এবং মানুষ সব শেষ, হাতে ভিক্ষার বাটি।

আর অপারেশন যদি সাক্সেস হয়।অপারেশন থিয়েটারের বয়কে খুশি করতে হবে।দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। এবং প্রতিদিন ড্রেসিং করার জন্য ও খাওয়ার ঔষধ কিনতে হবে।রোগী সুস্থ্য। এবার রিলিস দেওয়ার পালা।নার্সকে খুশি করতে হবে। দারোয়ানকে খুশি করতে হবে। ওয়ার্ড বয়কে খুশি করতে হবে। সবাইকে খুশি করে লেংটা হয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তারপর বাহিরে এসে দেখবেন জাতির সেই ব্যানার ঝুলে আছে,আমি ও আমরা প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিমুক্ত উপরক্ত কথার লেখা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব‍্যাপক চাওর হয়েছে সাতক্ষীরায়।

আসলে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এধরনের ঘটনা নতুন কিছু নয় কিন্তু কে শোনে কার কথা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ হাসপাতালে সেবার চেয়ে হয়রানি বেশি তারপরও আসতে হয় জীবন বাচানোর জন্য। একাধিক রোগী বা তাদের স্বজনদের অভিযোগ দেশ বদলালেও শুধুমাত্র বদলায়নি এই হাসপাতালের অনিয়ম দূর্নীতি। সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক আবু সাঈদ বলেন আমাদের নিতি নিদ্ধারক যারা আছে তাদের জবাব দিহিতামূলক এর আওতায় আনলে এধরনের দূর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব এবং প্রত‍্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে সমাজ ও দেশ প্রেমিক হলে দেশ থেকে দূর্নীতি আর অনীয়ম দূর করা সম্ভব। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক খুদরেতে খুদার বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার ব‍্যবহিত মোবাইলে ফোন করলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।