আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরা রেজ্ঞের কৈখালী ষ্টেশন কর্মকর্তা সুলতানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ‍্যের অভিযোগ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০১:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন শ্যামনগরের সীমান্তবর্তী কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতানের বিরুদ্ধে কৌশলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বৈধভাবে পাস পারমিট নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেও কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার খাতায় নাম লেখাতে হয়। খাতায় নাম না লেখালে সুন্দরবনে টহলকালে ঐ সমস্ত জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অর্থ। তাছাড়া বরফ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করলেই দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৈখালী, টেংরাখালী, কালিঞ্চি এলাকার একাধিক জেলে বলেন, ‘আমরা কৈখালী স্টেশন হতে পাশ নিয়ে সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরতে যায়। কিন্তু আমাদের পাশের টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে তালিকায় নাম লেখাতে হয়। নাম না লেখালে আমাদের পাশ সম্পূর্ণ হয় না।এছাড়া প্রতিগোনে বরফের জন্য স্টেশনে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। অন্যান্য অফিসে বাড়তি কোন টাকা নেয় না তাহলে আমাদের কৈখালী স্টেশনে বরফের জন্য টাকা দিতে হয় কেন? আমরা এক সপ্তাহের জন্য সুন্দরবনে পাস পারমিট নিয়ে মাছ ধরতে যাই। বরফ নিয়ে না গেলে আমাদের মাছগুলো সংরক্ষণ করা যায় না। পতিত আ.লীগ সরকারের আমলেও, এম এ সুলতান আমাদের নিকট থেকে বাড়তি হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

এই সরকারের আমলেও যদি আমাদের এভাবে ঘুষ দিতে হয় তবে আমরা যাবো কোথায়? আমরা জেলেরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে আমরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তাছাড়া আমার নাম করে কেউ যদি টাকা আদায় করে সেটাও আমার জানা নেই। বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা এসি এফ মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। এজন্য বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

সাতক্ষীরা রেজ্ঞের কৈখালী ষ্টেশন কর্মকর্তা সুলতানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ‍্যের অভিযোগ

আপডেট সময়: ০১:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন শ্যামনগরের সীমান্তবর্তী কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতানের বিরুদ্ধে কৌশলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বৈধভাবে পাস পারমিট নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেও কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার খাতায় নাম লেখাতে হয়। খাতায় নাম না লেখালে সুন্দরবনে টহলকালে ঐ সমস্ত জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অর্থ। তাছাড়া বরফ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করলেই দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৈখালী, টেংরাখালী, কালিঞ্চি এলাকার একাধিক জেলে বলেন, ‘আমরা কৈখালী স্টেশন হতে পাশ নিয়ে সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরতে যায়। কিন্তু আমাদের পাশের টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে তালিকায় নাম লেখাতে হয়। নাম না লেখালে আমাদের পাশ সম্পূর্ণ হয় না।এছাড়া প্রতিগোনে বরফের জন্য স্টেশনে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। অন্যান্য অফিসে বাড়তি কোন টাকা নেয় না তাহলে আমাদের কৈখালী স্টেশনে বরফের জন্য টাকা দিতে হয় কেন? আমরা এক সপ্তাহের জন্য সুন্দরবনে পাস পারমিট নিয়ে মাছ ধরতে যাই। বরফ নিয়ে না গেলে আমাদের মাছগুলো সংরক্ষণ করা যায় না। পতিত আ.লীগ সরকারের আমলেও, এম এ সুলতান আমাদের নিকট থেকে বাড়তি হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

এই সরকারের আমলেও যদি আমাদের এভাবে ঘুষ দিতে হয় তবে আমরা যাবো কোথায়? আমরা জেলেরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে আমরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তাছাড়া আমার নাম করে কেউ যদি টাকা আদায় করে সেটাও আমার জানা নেই। বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা এসি এফ মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। এজন্য বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।