আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরা রেজ্ঞের কৈখালী ষ্টেশন কর্মকর্তা সুলতানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ‍্যের অভিযোগ

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০১:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২১৪ বার পড়া হয়েছে

সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন শ্যামনগরের সীমান্তবর্তী কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতানের বিরুদ্ধে কৌশলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বৈধভাবে পাস পারমিট নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেও কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার খাতায় নাম লেখাতে হয়। খাতায় নাম না লেখালে সুন্দরবনে টহলকালে ঐ সমস্ত জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অর্থ। তাছাড়া বরফ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করলেই দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৈখালী, টেংরাখালী, কালিঞ্চি এলাকার একাধিক জেলে বলেন, ‘আমরা কৈখালী স্টেশন হতে পাশ নিয়ে সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরতে যায়। কিন্তু আমাদের পাশের টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে তালিকায় নাম লেখাতে হয়। নাম না লেখালে আমাদের পাশ সম্পূর্ণ হয় না।এছাড়া প্রতিগোনে বরফের জন্য স্টেশনে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। অন্যান্য অফিসে বাড়তি কোন টাকা নেয় না তাহলে আমাদের কৈখালী স্টেশনে বরফের জন্য টাকা দিতে হয় কেন? আমরা এক সপ্তাহের জন্য সুন্দরবনে পাস পারমিট নিয়ে মাছ ধরতে যাই। বরফ নিয়ে না গেলে আমাদের মাছগুলো সংরক্ষণ করা যায় না। পতিত আ.লীগ সরকারের আমলেও, এম এ সুলতান আমাদের নিকট থেকে বাড়তি হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

এই সরকারের আমলেও যদি আমাদের এভাবে ঘুষ দিতে হয় তবে আমরা যাবো কোথায়? আমরা জেলেরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে আমরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তাছাড়া আমার নাম করে কেউ যদি টাকা আদায় করে সেটাও আমার জানা নেই। বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা এসি এফ মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। এজন্য বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

সাতক্ষীরা রেজ্ঞের কৈখালী ষ্টেশন কর্মকর্তা সুলতানের বিরুদ্ধে ঘুষ বানিজ‍্যের অভিযোগ

আপডেট সময়: ০১:৪৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সুন্দরবন পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন শ্যামনগরের সীমান্তবর্তী কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতানের বিরুদ্ধে কৌশলে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বৈধভাবে পাস পারমিট নিয়ে জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেও কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তার খাতায় নাম লেখাতে হয়। খাতায় নাম না লেখালে সুন্দরবনে টহলকালে ঐ সমস্ত জেলেদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে অর্থ। তাছাড়া বরফ নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করলেই দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৈখালী, টেংরাখালী, কালিঞ্চি এলাকার একাধিক জেলে বলেন, ‘আমরা কৈখালী স্টেশন হতে পাশ নিয়ে সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরতে যায়। কিন্তু আমাদের পাশের টাকা ছাড়াও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিয়ে তালিকায় নাম লেখাতে হয়। নাম না লেখালে আমাদের পাশ সম্পূর্ণ হয় না।এছাড়া প্রতিগোনে বরফের জন্য স্টেশনে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। অন্যান্য অফিসে বাড়তি কোন টাকা নেয় না তাহলে আমাদের কৈখালী স্টেশনে বরফের জন্য টাকা দিতে হয় কেন? আমরা এক সপ্তাহের জন্য সুন্দরবনে পাস পারমিট নিয়ে মাছ ধরতে যাই। বরফ নিয়ে না গেলে আমাদের মাছগুলো সংরক্ষণ করা যায় না। পতিত আ.লীগ সরকারের আমলেও, এম এ সুলতান আমাদের নিকট থেকে বাড়তি হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।

এই সরকারের আমলেও যদি আমাদের এভাবে ঘুষ দিতে হয় তবে আমরা যাবো কোথায়? আমরা জেলেরা তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। এ ব্যাপারে আমরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ বিষয়ে কৈখালী স্টেশন কর্মকর্তা এম এ সুলতান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তাছাড়া আমার নাম করে কেউ যদি টাকা আদায় করে সেটাও আমার জানা নেই। বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা এসি এফ মশিউর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। এজন্য বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিয়ে খোঁজ নিচ্ছি। যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।