আজ সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাবেক গভর্নর রউফসহ ২৫ জনের লকার পায়নি দুদক

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০১:২১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ ২৫ কর্মকর্তার সেফ ডিপোজিট লকারের সন্ধানে এসে লকার পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ দুদক পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জমানের নেতৃত্বে একটি টিম বিশেষ এ অভিযানে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সমকালকে বলেন, দুদকের একটা টিম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান ২৫ জনের একটা তালিকা নিয়ে এসেছিল। সেফ ডিপোজিট রেজিস্টার নিয়ে তাদের নামই নেই। এখন নতুন করে কারও তালিকা নিয়ে এলেও তা দেখাতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুত।

অভিযান শেষ কাজী সায়েমুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের নামে কোনো লকার নেই। আরও অনেকের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ রয়েছে। আদালতের অনুমোদনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে অভিযানে আসবে দুদক। এই অভিযোগ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাই। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অনেকেই এখনও বাংলাদেশ ব্যাংকে বহাল এবং অনেকেই সাবেক কর্মকর্তা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খুলনা, বরিশাল ও ঢাকাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক কর্মরত। ২৭২টি সেফ ডিপোজিট লকারের সন্ধান পাওয়া যায়।

গত ২৬ জানুয়ারি দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুরের লকারে তল্লাশি করে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার সম্পদের সন্ধান পেয়েছে। এগুলো এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। অভিযানের সময় দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নামে আরও কিছু লকার দেখতে পায়। এর মধ্যে যাদের নামে বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে তাদের নামেও লকার থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ কারণে দুদক ওইসব লকারেও তল্লাশি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ ফেব্রুয়ারি দুদক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়ে কেউ যাতে ওইসব লকার খুলতে না পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করে। এরপর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল শাখার লকার আর কাউকে খুলতে দেওয়া হচ্ছে না।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

সাবেক গভর্নর রউফসহ ২৫ জনের লকার পায়নি দুদক

আপডেট সময়: ০১:২১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ ২৫ কর্মকর্তার সেফ ডিপোজিট লকারের সন্ধানে এসে লকার পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ দুদক পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জমানের নেতৃত্বে একটি টিম বিশেষ এ অভিযানে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সমকালকে বলেন, দুদকের একটা টিম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান ২৫ জনের একটা তালিকা নিয়ে এসেছিল। সেফ ডিপোজিট রেজিস্টার নিয়ে তাদের নামই নেই। এখন নতুন করে কারও তালিকা নিয়ে এলেও তা দেখাতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রস্তুত।

অভিযান শেষ কাজী সায়েমুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, যে ২৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের নামে কোনো লকার নেই। আরও অনেকের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ রয়েছে। আদালতের অনুমোদনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে অভিযানে আসবে দুদক। এই অভিযোগ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাই। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অনেকেই এখনও বাংলাদেশ ব্যাংকে বহাল এবং অনেকেই সাবেক কর্মকর্তা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের খুলনা, বরিশাল ও ঢাকাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক কর্মরত। ২৭২টি সেফ ডিপোজিট লকারের সন্ধান পাওয়া যায়।

গত ২৬ জানুয়ারি দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুরের লকারে তল্লাশি করে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার সম্পদের সন্ধান পেয়েছে। এগুলো এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জিম্মায় রাখা হয়েছে। অভিযানের সময় দুদক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের নামে আরও কিছু লকার দেখতে পায়। এর মধ্যে যাদের নামে বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে তাদের নামেও লকার থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ কারণে দুদক ওইসব লকারেও তল্লাশি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ ফেব্রুয়ারি দুদক থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়ে কেউ যাতে ওইসব লকার খুলতে না পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করে। এরপর থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল শাখার লকার আর কাউকে খুলতে দেওয়া হচ্ছে না।