আজ বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

যুবমহিলা লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৩:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৬৯ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা জেলা যুবমহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ৮ মাসেও কোন ট্যাংকি দিতে পারেননি তিনি। এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

সুত্রে প্রকাশ আশাশুনি উপজেলার পাইথলী গ্রামের মিঠু সরদারের মেয়ে মোছা: সাথী খাতুন জানান, গত ৭ থেকে ৮ মাস পূর্বে দরিদ্র অসহায় মানুষদের কাছ থেকে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন সাতক্ষীরা জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকী। আমি তার কথায় বিশ্বাস করে গ্রামের অসহায় ১০ জন মানুষের নিকট থেকে মোট ২২ হাজার টাকা তুলে সীমা সিদ্দিকীর কাছে দেই। টাকা নেওয়ার পর কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও ট্যাংকি না দেওয়ায় তার কাছে টাকা বা ট্যাংকি চাইতে গেলে উল্টো বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেচ্ছে। এঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ভূক্তভূগী ব্যক্তিরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার পাইথলি গ্রামের সাত্তার গাজীর স্ত্রী বিউটি খাতুন, সিদ্দিক গাজীর স্ত্রী ফরিদা খাতুন, খোকন সরদারের স্ত্রী কহিনুর খাতুন, শহিদুল পাড়ের ছেলে সুমন পাড়, সাত্তার গাজীর ছেলে ইউনুস গাজী, একই উপজেলার বেউলা গ্রামের তানভীর হোসেনের স্ত্রী তানজিলা বেগম, নওশের আলীর ছেলে আব্দুর রহিম ও শহিদুল ইমলাম।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সীমা সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি তাদের টাকাটা ফেরত দিতে প্রস্তুত আছি। কিন্তু একজনের কাছে দিতে পারবো না। যাদের কাছ থেকে নিয়েছি তাদের সকলকে এক জায়গায় করে আমাকে জানালে টাকা ফেরত দিয়ে দেবো।

এঘটনায় ভূক্তভূগীরা অর্থ আত্মসাতকারী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর নিকট থেকে অর্থ ফেরত ও তার বিচার দাবী করে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

যুবমহিলা লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময়: ০৩:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

সাতক্ষীরা জেলা যুবমহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ৮ মাসেও কোন ট্যাংকি দিতে পারেননি তিনি। এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

সুত্রে প্রকাশ আশাশুনি উপজেলার পাইথলী গ্রামের মিঠু সরদারের মেয়ে মোছা: সাথী খাতুন জানান, গত ৭ থেকে ৮ মাস পূর্বে দরিদ্র অসহায় মানুষদের কাছ থেকে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন সাতক্ষীরা জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকী। আমি তার কথায় বিশ্বাস করে গ্রামের অসহায় ১০ জন মানুষের নিকট থেকে মোট ২২ হাজার টাকা তুলে সীমা সিদ্দিকীর কাছে দেই। টাকা নেওয়ার পর কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও ট্যাংকি না দেওয়ায় তার কাছে টাকা বা ট্যাংকি চাইতে গেলে উল্টো বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেচ্ছে। এঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ভূক্তভূগী ব্যক্তিরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার পাইথলি গ্রামের সাত্তার গাজীর স্ত্রী বিউটি খাতুন, সিদ্দিক গাজীর স্ত্রী ফরিদা খাতুন, খোকন সরদারের স্ত্রী কহিনুর খাতুন, শহিদুল পাড়ের ছেলে সুমন পাড়, সাত্তার গাজীর ছেলে ইউনুস গাজী, একই উপজেলার বেউলা গ্রামের তানভীর হোসেনের স্ত্রী তানজিলা বেগম, নওশের আলীর ছেলে আব্দুর রহিম ও শহিদুল ইমলাম।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সীমা সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি তাদের টাকাটা ফেরত দিতে প্রস্তুত আছি। কিন্তু একজনের কাছে দিতে পারবো না। যাদের কাছ থেকে নিয়েছি তাদের সকলকে এক জায়গায় করে আমাকে জানালে টাকা ফেরত দিয়ে দেবো।

এঘটনায় ভূক্তভূগীরা অর্থ আত্মসাতকারী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর নিকট থেকে অর্থ ফেরত ও তার বিচার দাবী করে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।