আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

যুবমহিলা লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৩:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা জেলা যুবমহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ৮ মাসেও কোন ট্যাংকি দিতে পারেননি তিনি। এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

সুত্রে প্রকাশ আশাশুনি উপজেলার পাইথলী গ্রামের মিঠু সরদারের মেয়ে মোছা: সাথী খাতুন জানান, গত ৭ থেকে ৮ মাস পূর্বে দরিদ্র অসহায় মানুষদের কাছ থেকে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন সাতক্ষীরা জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকী। আমি তার কথায় বিশ্বাস করে গ্রামের অসহায় ১০ জন মানুষের নিকট থেকে মোট ২২ হাজার টাকা তুলে সীমা সিদ্দিকীর কাছে দেই। টাকা নেওয়ার পর কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও ট্যাংকি না দেওয়ায় তার কাছে টাকা বা ট্যাংকি চাইতে গেলে উল্টো বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেচ্ছে। এঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ভূক্তভূগী ব্যক্তিরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার পাইথলি গ্রামের সাত্তার গাজীর স্ত্রী বিউটি খাতুন, সিদ্দিক গাজীর স্ত্রী ফরিদা খাতুন, খোকন সরদারের স্ত্রী কহিনুর খাতুন, শহিদুল পাড়ের ছেলে সুমন পাড়, সাত্তার গাজীর ছেলে ইউনুস গাজী, একই উপজেলার বেউলা গ্রামের তানভীর হোসেনের স্ত্রী তানজিলা বেগম, নওশের আলীর ছেলে আব্দুর রহিম ও শহিদুল ইমলাম।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সীমা সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি তাদের টাকাটা ফেরত দিতে প্রস্তুত আছি। কিন্তু একজনের কাছে দিতে পারবো না। যাদের কাছ থেকে নিয়েছি তাদের সকলকে এক জায়গায় করে আমাকে জানালে টাকা ফেরত দিয়ে দেবো।

এঘটনায় ভূক্তভূগীরা অর্থ আত্মসাতকারী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর নিকট থেকে অর্থ ফেরত ও তার বিচার দাবী করে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

যুবমহিলা লীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময়: ০৩:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

সাতক্ষীরা জেলা যুবমহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ৮ মাসেও কোন ট্যাংকি দিতে পারেননি তিনি। এমনকি টাকাও ফেরত দেননি। ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

সুত্রে প্রকাশ আশাশুনি উপজেলার পাইথলী গ্রামের মিঠু সরদারের মেয়ে মোছা: সাথী খাতুন জানান, গত ৭ থেকে ৮ মাস পূর্বে দরিদ্র অসহায় মানুষদের কাছ থেকে পানির ট্যাংকি দেওয়ার নাম করে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা দাবি করেন সাতক্ষীরা জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকী। আমি তার কথায় বিশ্বাস করে গ্রামের অসহায় ১০ জন মানুষের নিকট থেকে মোট ২২ হাজার টাকা তুলে সীমা সিদ্দিকীর কাছে দেই। টাকা নেওয়ার পর কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও ট্যাংকি না দেওয়ায় তার কাছে টাকা বা ট্যাংকি চাইতে গেলে উল্টো বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেচ্ছে। এঘটনায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও কোন লাভ হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ভূক্তভূগী ব্যক্তিরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার পাইথলি গ্রামের সাত্তার গাজীর স্ত্রী বিউটি খাতুন, সিদ্দিক গাজীর স্ত্রী ফরিদা খাতুন, খোকন সরদারের স্ত্রী কহিনুর খাতুন, শহিদুল পাড়ের ছেলে সুমন পাড়, সাত্তার গাজীর ছেলে ইউনুস গাজী, একই উপজেলার বেউলা গ্রামের তানভীর হোসেনের স্ত্রী তানজিলা বেগম, নওশের আলীর ছেলে আব্দুর রহিম ও শহিদুল ইমলাম।

এবিষয়ে অভিযুক্ত সীমা সিদ্দিকীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি তাদের টাকাটা ফেরত দিতে প্রস্তুত আছি। কিন্তু একজনের কাছে দিতে পারবো না। যাদের কাছ থেকে নিয়েছি তাদের সকলকে এক জায়গায় করে আমাকে জানালে টাকা ফেরত দিয়ে দেবো।

এঘটনায় ভূক্তভূগীরা অর্থ আত্মসাতকারী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক সীমা সিদ্দিকীর নিকট থেকে অর্থ ফেরত ও তার বিচার দাবী করে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।