আজ মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে Logo কালীগঞ্জে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগে অভিযান, মিটার ও মোটর জব্দ Logo সাতক্ষীরায় নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এডভোকেসি সভা Logo কঠোর নজরদারিতে সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু Logo চলমান যুদ্ধবিরতি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে। Logo ঋতুপর্ণাদের র‌্যাংকিং অপরিবর্তিত, কাল সাফ ড্র Logo খুলনায় হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু Logo ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের দাবি ট্রাম্পের, পরিস্থিতি ঘিরে ধোঁয়াশা Logo সাতক্ষীরায় কিশোরী ধর্ষণের দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন Logo সাতক্ষীরা সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিলসহ আটক ৩
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

আশাশুনিতে কৃষানীদের মাঝে লবনাক্ততা ও খরা সহনশীল বীজ, জৈবসার বিতরণ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর জন্য সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কৃষানীদের মাঝে লবনাক্ততা ও খরা সহনশীল ধানবীজ এবং রবি মৌসুমের সবজি-বীজ ও জৈব সার বিতরণ করা হয়েছে। উন্নয়ন সংগঠন লিডার্সের উদ্যোগে রোববার (১ ডিসেম্বর) প্রকল্প অফিসে এক অনুষ্ঠানে জনগণের সহনশীলতায় রূপান্তর প্রকল্পের উপকারভোগী কৃষানীদের মাঝে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

আশাশুনি জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের যুগ্ম-সম্পাদক বলমালী দাসের সভাপতিত্বে বীজ বিতরনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিসার এস এম এনামূল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইপিআরসি সংস্থার প্রকল্প মনিটরিং অফিসার মোঃ আকরাম হোসেন, প্রকল্পের টিম লিডার রনজিৎ কুমার মন্ডল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে রনজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, তৃনমূল পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগীদের কৃষিখাতে ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা যথেষ্ট বেশী। জলবায়ু স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে ক্ষয় ক্ষতি কমানো সম্ভব। এই প্রকল্প জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কৃষাণীদের জলবায়ু স্মার্ট কৃষি চর্চায় উৎসাহিত করার জন্য বীজ ও জৈব সার বিতরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি বলেন, আশাশুনি দূর্যোগ কবলিত এলাকা। এখানে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষাবাদের আওতায় আনা প্রয়োজন। পাশাপাশি কৃষিকে শক্তিশালী করার জন্য বাজারের বীজের উপর নির্ভরশীলতা কমানো দরকার। তিনি কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে ধান এবং সবজি বীজের ক্ষেত্রে উচ্চফলনশীল বীজ থেকে বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে ১১৪ জন কৃষকের মাঝে প্রত্যেককে ৪৮৫ কেজি (ব্রিধান ৬৭) ধানবীজ এবং ৬০০ গ্রাম মিস্টিকুমড়া, ১কেজি ৩৭৫ গ্রাম লালশাক, ৬০০ গ্রাম লাউ, ৫৫০ গ্রাম বীট, ১ কেজি ৩৭৫ গ্রাম বরবটি, ১কেজি ৩৭৫ গ্রাম পালংশাক, ১ কেজি ৩৭৫ গ্রাম টকপালং এবং ১ কেজি ২৬ কেজি জৈব সার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনরে অন্যান্য কর্ম কর্তাবৃন্দ ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কৃষাণীগণ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ, স্ত্রী হেফাজতে

আশাশুনিতে কৃষানীদের মাঝে লবনাক্ততা ও খরা সহনশীল বীজ, জৈবসার বিতরণ

আপডেট সময়: ০৪:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়-ক্ষতি কমানোর জন্য সাতক্ষীরার আশাশুনিতে কৃষানীদের মাঝে লবনাক্ততা ও খরা সহনশীল ধানবীজ এবং রবি মৌসুমের সবজি-বীজ ও জৈব সার বিতরণ করা হয়েছে। উন্নয়ন সংগঠন লিডার্সের উদ্যোগে রোববার (১ ডিসেম্বর) প্রকল্প অফিসে এক অনুষ্ঠানে জনগণের সহনশীলতায় রূপান্তর প্রকল্পের উপকারভোগী কৃষানীদের মাঝে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।

আশাশুনি জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের যুগ্ম-সম্পাদক বলমালী দাসের সভাপতিত্বে বীজ বিতরনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আশাশুনি উপজেলা কৃষি অফিসার এস এম এনামূল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইপিআরসি সংস্থার প্রকল্প মনিটরিং অফিসার মোঃ আকরাম হোসেন, প্রকল্পের টিম লিডার রনজিৎ কুমার মন্ডল প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে রনজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, তৃনমূল পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগীদের কৃষিখাতে ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা যথেষ্ট বেশী। জলবায়ু স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে ক্ষয় ক্ষতি কমানো সম্ভব। এই প্রকল্প জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কৃষাণীদের জলবায়ু স্মার্ট কৃষি চর্চায় উৎসাহিত করার জন্য বীজ ও জৈব সার বিতরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রধান অতিথি বলেন, আশাশুনি দূর্যোগ কবলিত এলাকা। এখানে প্রতি ইঞ্চি জমি চাষাবাদের আওতায় আনা প্রয়োজন। পাশাপাশি কৃষিকে শক্তিশালী করার জন্য বাজারের বীজের উপর নির্ভরশীলতা কমানো দরকার। তিনি কৃষাণীদের উদ্দেশ্যে ধান এবং সবজি বীজের ক্ষেত্রে উচ্চফলনশীল বীজ থেকে বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে ১১৪ জন কৃষকের মাঝে প্রত্যেককে ৪৮৫ কেজি (ব্রিধান ৬৭) ধানবীজ এবং ৬০০ গ্রাম মিস্টিকুমড়া, ১কেজি ৩৭৫ গ্রাম লালশাক, ৬০০ গ্রাম লাউ, ৫৫০ গ্রাম বীট, ১ কেজি ৩৭৫ গ্রাম বরবটি, ১কেজি ৩৭৫ গ্রাম পালংশাক, ১ কেজি ৩৭৫ গ্রাম টকপালং এবং ১ কেজি ২৬ কেজি জৈব সার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনরে অন্যান্য কর্ম কর্তাবৃন্দ ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগী কৃষাণীগণ উপস্থিত ছিলেন।