যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামোকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি বলেন, ইরান কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালায়নি। তার দাবি, কুয়েতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে, যার জবাব হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা এখন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছি। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের ভূখণ্ডের এমন ব্যবহার ঠেকাতে পারেনি।” ইজাদির দাবি, যুদ্ধের শুরুর দিকে প্রকাশিত কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, কুয়েতের মরুভূমি থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। তার ভাষায়, “মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের ভিডিওতে যে মরু অঞ্চল দেখা গেছে, সেটি যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনা বা নেভাডা নয়; বরং কুয়েতের মরুভূমি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি এমন একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো যাবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলার ঘটনা আর না ঘটে।”
এর আগে বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি টার্মিনালে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে টার্মিনালের ছাদের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কুয়েত কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, হামলায় একজন নিহত এবং প্রায় ৭০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর সাময়িকভাবে বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়।
আজকের বাণী 


























