আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo কারিনা কায়সারের লিভার ডোনার দুই ভাই Logo জরুরি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ স্কোয়াডে পরিবর্তন Logo “হ্যানিম্যানের চিকিৎসা দর্শন আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত” — ইজ্জত উল্লাহ এমপি Logo আগরদাঁড়ি ইউনিয়নে তিন মরহুমের একসঙ্গে জানাজা, শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায় Logo পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদার: সাতক্ষীরায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo কলারোয়ায় তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক কর্মশালা Logo ডেভিড স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্লিস হসপিটাল চ্যাম্পিয়ন Logo সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন Logo সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘রিসোর্স পুল’ গঠনের নির্দেশ Logo আগের চেয়ে সুস্থ মির্জা আব্বাস, ঈদের আগে দেশে ফেরার আশা পরিবারের
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান ঘাঁটি ইরানি হামলায় তছনছ

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১০:৩১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের পর থেকে ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি ও সরঞ্জামের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা ওয়াশিংটনের জনসম্মুখে স্বীকার করা তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি হোয়াইট হাউস। এনবিসি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে অন্তত কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার শিকার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম, কমান্ড হেডকোয়ার্টার, বিমানের হ্যাঙ্গার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ অবকাঠামো এবং রানওয়ে।

এছাড়া ডজনখানেক যুদ্ধবিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ গুদামঘরও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে, পেন্টাগন এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি। এমনকি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গোপন রাখায় জোরালো বিতর্ক শুরু হয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি এবং তা সংস্কারের বিপুল ব্যয় নতুন করে এক পুরনো বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো প্রতিপক্ষের এত কাছাকাছি দূরত্বে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বজায় রাখা আসলে কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে এখন ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক বোঝা এবং সামরিক ঝুঁকি আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

কারিনা কায়সারের লিভার ডোনার দুই ভাই

মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান ঘাঁটি ইরানি হামলায় তছনছ

আপডেট সময়: ১০:৩১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের পর থেকে ইরানের পাল্টা হামলায় মার্কিন ঘাঁটি ও সরঞ্জামের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা ওয়াশিংটনের জনসম্মুখে স্বীকার করা তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি ভয়াবহ। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি হোয়াইট হাউস। এনবিসি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। এই ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে অন্তত কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলার শিকার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেম, কমান্ড হেডকোয়ার্টার, বিমানের হ্যাঙ্গার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ অবকাঠামো এবং রানওয়ে।

এছাড়া ডজনখানেক যুদ্ধবিমান এবং গুরুত্বপূর্ণ গুদামঘরও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে, পেন্টাগন এখন পর্যন্ত এই ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি। এমনকি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তথ্য গোপন রাখায় জোরালো বিতর্ক শুরু হয়েছে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর এই বিশাল ক্ষয়ক্ষতি এবং তা সংস্কারের বিপুল ব্যয় নতুন করে এক পুরনো বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো প্রতিপক্ষের এত কাছাকাছি দূরত্বে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বজায় রাখা আসলে কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে এখন ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে নতুন করে চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক বোঝা এবং সামরিক ঝুঁকি আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতির সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।