আজ মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

হলুদ ফুলে রঙিন কৃষি মাঠে বাম্পার ফলনের আশা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৭:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এবারের সরিষা আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে, কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১,০৯১ হেক্টর। তবে এ বছরের আবাদ রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ। সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরিষা ফুলের হলদে রঙে জমি রঙিন হয়ে উঠেছে। বিস্তীর্ণ ক্ষেতজুড়ে মৌমাছির গুনগুন শব্দ এবং পল্লীর যুবক ও রমণীরা ফুলের সমারোহে সময় কাটাচ্ছেন। কৃষকরা জানান, এবারের সরিষা আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলনও বাম্পার হবে। উপজেলার কৃষক আবু তাহের বলেন, “সরিষা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম, সামান্য ক্ষতি হলেও এখন ফুলে ক্ষেত পূর্ণ, অল্পদিনের মধ্যে দানা হবে। এ বছর ভালো ফলনের সম্ভাবনা অনেক বেশি।” এ উপজেলায় বিভিন্ন উন্নত জাতের সরিষা চাষ করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য জাতগুলো হলো- বারি সরিষা-৯, ১৪, ১৫, ১৭: গাছের উচ্চতা ৭৫–৯৭ সেমি, ফলন হেক্টর প্রতি ১.২৫-১.৮ মেট্রিক টন। বিনাসরিষা-৪, ৯, ১০: গাছের উচ্চতা ৮৫-১০৫ সেমি, ফলন হেক্টর প্রতি ১.৫-১.৮ মেট্রিক টন। এই জাতের সরিষা স্বল্প খরচে বেশি লাভজনক, বর্ষা ও শৈত্যপ্রবাহ সহনশীল এবং তেল উৎপাদনে উপযোগী। উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী অফিসার হাজিরা খাতুন “দৈনিক দক্ষিণের মশাল”-কে জানান, উপজেলার ১,০৯১ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া তালার সরিষা চাষে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং সরকারি সব সহায়তা দেওয়া হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরান যুদ্ধে যুক্ত হলো বৃটেন’

হলুদ ফুলে রঙিন কৃষি মাঠে বাম্পার ফলনের আশা

আপডেট সময়: ০৭:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এবারের সরিষা আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে, কৃষকদের মুখে আনন্দের হাসি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ১,০৯১ হেক্টর। তবে এ বছরের আবাদ রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে বলে আশাবাদী কৃষি বিভাগ। সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরিষা ফুলের হলদে রঙে জমি রঙিন হয়ে উঠেছে। বিস্তীর্ণ ক্ষেতজুড়ে মৌমাছির গুনগুন শব্দ এবং পল্লীর যুবক ও রমণীরা ফুলের সমারোহে সময় কাটাচ্ছেন। কৃষকরা জানান, এবারের সরিষা আবাদ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলনও বাম্পার হবে। উপজেলার কৃষক আবু তাহের বলেন, “সরিষা চাষে খরচ ও পরিশ্রম কম, সামান্য ক্ষতি হলেও এখন ফুলে ক্ষেত পূর্ণ, অল্পদিনের মধ্যে দানা হবে। এ বছর ভালো ফলনের সম্ভাবনা অনেক বেশি।” এ উপজেলায় বিভিন্ন উন্নত জাতের সরিষা চাষ করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য জাতগুলো হলো- বারি সরিষা-৯, ১৪, ১৫, ১৭: গাছের উচ্চতা ৭৫–৯৭ সেমি, ফলন হেক্টর প্রতি ১.২৫-১.৮ মেট্রিক টন। বিনাসরিষা-৪, ৯, ১০: গাছের উচ্চতা ৮৫-১০৫ সেমি, ফলন হেক্টর প্রতি ১.৫-১.৮ মেট্রিক টন। এই জাতের সরিষা স্বল্প খরচে বেশি লাভজনক, বর্ষা ও শৈত্যপ্রবাহ সহনশীল এবং তেল উৎপাদনে উপযোগী। উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী অফিসার হাজিরা খাতুন “দৈনিক দক্ষিণের মশাল”-কে জানান, উপজেলার ১,০৯১ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছে। কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া তালার সরিষা চাষে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং সরকারি সব সহায়তা দেওয়া হবে।