আজ শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শিক্ষক হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর ও অনিয়মের অভিযোগ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহাজাতপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মু. আলিবুদ্দীন মোড়লের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, ২৪ মে (শনিবার) তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে পরদিন ২৫ মে (রবিবার)-এর জন্য শিক্ষক হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর করেন। অথচ ওই দিনের জন্য তিনি নামেমাত্র মাদ্রাসা সুপারের কাছে ছুটির দরখাস্ত জমা দেন, যা পরবর্তীতে সুপার মঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, এর আগেও আলিবুদ্দীন মোড়লের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল, তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শিক্ষক নিজেই মাদ্রাসার পাশেই বসবাস করায় তিনি ইচ্ছেমতো মাদ্রাসায় প্রবেশ ও বের হন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম ব্যবহার করে এবং প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা বিষয়টির তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময়: ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের দক্ষিণ শাহাজাতপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মু. আলিবুদ্দীন মোড়লের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সূত্র জানায়, ২৪ মে (শনিবার) তিনি মাদ্রাসায় গিয়ে পরদিন ২৫ মে (রবিবার)-এর জন্য শিক্ষক হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর করেন। অথচ ওই দিনের জন্য তিনি নামেমাত্র মাদ্রাসা সুপারের কাছে ছুটির দরখাস্ত জমা দেন, যা পরবর্তীতে সুপার মঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, এর আগেও আলিবুদ্দীন মোড়লের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল, তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। শিক্ষক নিজেই মাদ্রাসার পাশেই বসবাস করায় তিনি ইচ্ছেমতো মাদ্রাসায় প্রবেশ ও বের হন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের নাম ব্যবহার করে এবং প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছেন বলে অভিযোগ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা বিষয়টির তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।