আজ বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের পায়তারা ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৮৫ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলা ভোমরা ইউনিয়নের পল্লীতে দীর্ঘ ৫০ বছরের ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টা ও হত্যার হুমকি চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। ভুক্তভোগী সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দীন সরদারের পুত্র মোঃ আব্দুস সাত্তার সরদার গতকাল বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান আমি ১৯৭৫ সালের ২৫ শে নভেম্বর তারিখ ১০৪৩১ নং দলিল মূলে আমি আব্দুস ছাত্তার, ৪৮৩১ শতক জমি ক্রয় করি এবং আমার পিতা মফিজ উদ্দীন সরদার খরিদ সূত্রে ৪৮৩১ শতক সহ মোট ৯৬৩২ শতক জমি যার বি.আর.এস জরিপে নিজ নামে রেকর্ড করি এবং তার খতিয়ান ১১৭৪ এর হাল দাগ ১১৫, মৌজা-বৈচনা, জে.এল নং-৩১, জমির পরিমান ৪৮ শতক বি.আর.এস ৮২৯ নং খতিয়ানের ১২৫ দাগের ৭২ শতকের মধ্যে ৪৮৩১ শতক যাহা সদর সহকারী জজ আদালতের ৮৬/১৯৮২ নং মোকদ্দমার পার্টিশন চিহ্নিত মোতাবেক দক্ষিন পার্শ্ব হইতে ৪৭/৪৮ বছরের উর্দ্ধকাল ধরে শান্তিপূর্ন ভোগ দখলকার রহিয়াছি।

পরবর্তীতে সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ৮৬/১৯৮২ নং মোকদ্দমায় প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ যুগ্ম জেলা ১ম আদালতে আপীল দায়ের করেন, আপীল নং-১২/২০০৩, ভোমরা ইউনিয়নের পদ্ম শাখরা এলাকার মৃত এজাহার আলী গাজীর পুত্র মোঃ শহর আলী । উক্ত আপীল মোকদ্দমার ২০২৪ সালের ৩১ শে মার্চ ইং তারিখে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত বিজ্ঞ সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত দেওয়ানী মামলার রায়াটি অপ্রতুল কারনে রদ রহিত করেন। পরবর্তীতে আমি আব্দুস ছাত্তার সরদার বিজ্ঞ হাইকোর্ট ডিভিশনে একটি সিভিল রিভিশন দায়ের করি। যাহার নং- সিভিল রিভিশন নং ২১৪৭/২০২৪।

উক্ত রিভিশন শুনানীতে বিজ্ঞ হাইকোর্ট ডিভিশন ২০২৪ সালের ২৫ শে মে তারিখে বিবাদী পক্ষকে হাজির হয়ে কেন যুগ্ম জেলা জজ আদালতের রায় বাতিল করা হবে না তার কারন দর্শাইতে আদেশ দেন এবং তর্কিত জমিতে ঝঃধঃঁং য়ঁড় বা স্থিতি অবস্থা ৬ মাসের জন্য জারি করেন। মহামান্য হাইকোর্ট পরবর্তী আদেশে বিগত ২০২৪ সালের ২৪ শে অক্টোবর ইং তারিখে যুগ্ম জেলা জজ আদালত ১ম এর রায় স্থগিত করে ঝঃধঃঁং য়ঁড় বা স্থিতি অবস্থা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশটি বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন যাহা অদ্যবধি বহাল আছে ও মোকদ্দমাটি বিচারাধীন রহিয়াছে।

এখন আমি বি.আর.এস খতিয়ানে স্বত্ব ও দখল অনুযায়ী নিজ নামে তর্কিত জমি রেকর্ড করিয়া এবং হাল সন অব্দি সরকারী করাদী পরিশোধ করিয়া শান্তিপূর্ন ভাবে অদ্যবধি ধান ও মাছ চাষ করিয়া এবং ভেড়িতে গাছ গাছালি রোপন করিয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। বিগত ৫ই আগষ্টে রাজনৈতীক পট পরিবর্তনের কারণে বিবাদীঃ ১। মোঃ শহর আলী (৬০), পিতা- মৃত এজাহার আলী গাজী, গ্রাম-পদ্ম শাখরা, পোষ্ট- শাখরা কোমরপুর, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, ২। মোঃ নাছির সরদার (৪০), ৩। মোঃ নিজাম উদ্দীন সরদার (৩৫), উভয় পিতা- মৃত নিয়ামদ্দিন সরদার, গ্রাম-বৈচনা, পোষ্ট-শাখরা কোমরপুর, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, ৪। আবুল হোসেন (৪৮), ৫। আবুল হাসান (৩৮), ৬। হাবিবুর রহমান (৩৪), ৭। হুমায়ন (৩২), সর্ব পিতা- মোঃ শহর আলী, সর্ব সাং- পদ্ম শাখরা, থানা+জেলা- সাতক্ষীরা।

উক্ত বিবাদী পক্ষ আমার ভোগ দখলীয় সম্পত্তি গায়ের জোরে দখলের হীন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অপচেষ্টা চালাইয়া আসিতেছে। আমার ও আমার পরিবারের উপর একাধিকবার জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রান নাশের হুমকি ধামকি প্রদান করিতেছে। বরবার হুমকি ধামকিতে আতঙ্কিত হয়ে আমি বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সাতক্ষীরায় ফৌঃ কাঃ ১৪৫ ধারায় একটি পিটিশন মামলা দায়ের করি। যাহার মামলা নাম্বার ৭৭০/২৪ সাতক্ষীরা। উক্ত মামলায় ২য় আদেশে উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে আমাকে ঘেরে মাছ ও ধান চাষের কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং অফিসার ইনচার্জ সাতক্ষীরা সদরকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আদেশ দেন। কিন্তু তারা বিবাদী পক্ষ মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন, অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা অন্য কোন আইনগত কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মানছে না।

বর্তমানে আমি ও আমায় পরিবার বর্গ নিয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে আছি এমনকি তাদের বারংবার হুমকি ধামকিতে অত্যান্ত আতঙ্কের মাঝে দিনাতিপাত করছি। গত ২০১৪ সালের ১৭ই জানুয়ারী তারিখে বিবাদী শহর আলীর পুত্র আবু হানিফ পুলিশের ক্রস ফায়ারের ঘটনায় নিহত হয়। শহর আলীর সাথে আমার ১৯৮২ সাল থেকে দেওয়ানী ৮৬/৮২ নং মামলা চলমান থাকায়। তার মৃত পুত্রকে ব্যবহার করে বিগত ২০২৪ সালে তৎকালীন পুলিশ সুপার সহ কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সহ আমাকে ১৩ নং ও আমার পোতা মোঃ মোশারফ হোসেন কে ১৪ নং আসামী করে একটি গত ২০২৪ সালে তৎকালীন পুলিশ সুপার সহ কয়েকজন নিরীহ গ্রামবাসীকে আসামী করে একটি মামলা করে।

উল্লেখ্য জমি জায়গার লোভে নিজের মৃত পুত্রকে ব্যবহার করে একটি স্বনামধন্য রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে আমার পরিবার সহ এলাকার একাধিক ব্যক্তির জমি দখল, হুমকি ও এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমার উক্ত দখলীয় জমি যেন গায়ের জোরে বিবাদীপক্ষ উচ্ছেদ না করিতে পারে এবং স্থিতি অবস্থা বজায় থাকে সে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের পায়তারা ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময়: ০৪:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

সাতক্ষীরা জেলার সদর উপজেলা ভোমরা ইউনিয়নের পল্লীতে দীর্ঘ ৫০ বছরের ভোগদখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টা ও হত্যার হুমকি চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল। ভুক্তভোগী সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দীন সরদারের পুত্র মোঃ আব্দুস সাত্তার সরদার গতকাল বেলা ১১ টায় সাতক্ষীরা জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান আমি ১৯৭৫ সালের ২৫ শে নভেম্বর তারিখ ১০৪৩১ নং দলিল মূলে আমি আব্দুস ছাত্তার, ৪৮৩১ শতক জমি ক্রয় করি এবং আমার পিতা মফিজ উদ্দীন সরদার খরিদ সূত্রে ৪৮৩১ শতক সহ মোট ৯৬৩২ শতক জমি যার বি.আর.এস জরিপে নিজ নামে রেকর্ড করি এবং তার খতিয়ান ১১৭৪ এর হাল দাগ ১১৫, মৌজা-বৈচনা, জে.এল নং-৩১, জমির পরিমান ৪৮ শতক বি.আর.এস ৮২৯ নং খতিয়ানের ১২৫ দাগের ৭২ শতকের মধ্যে ৪৮৩১ শতক যাহা সদর সহকারী জজ আদালতের ৮৬/১৯৮২ নং মোকদ্দমার পার্টিশন চিহ্নিত মোতাবেক দক্ষিন পার্শ্ব হইতে ৪৭/৪৮ বছরের উর্দ্ধকাল ধরে শান্তিপূর্ন ভোগ দখলকার রহিয়াছি।

পরবর্তীতে সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের ৮৬/১৯৮২ নং মোকদ্দমায় প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদী পক্ষ যুগ্ম জেলা ১ম আদালতে আপীল দায়ের করেন, আপীল নং-১২/২০০৩, ভোমরা ইউনিয়নের পদ্ম শাখরা এলাকার মৃত এজাহার আলী গাজীর পুত্র মোঃ শহর আলী । উক্ত আপীল মোকদ্দমার ২০২৪ সালের ৩১ শে মার্চ ইং তারিখে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালত বিজ্ঞ সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত দেওয়ানী মামলার রায়াটি অপ্রতুল কারনে রদ রহিত করেন। পরবর্তীতে আমি আব্দুস ছাত্তার সরদার বিজ্ঞ হাইকোর্ট ডিভিশনে একটি সিভিল রিভিশন দায়ের করি। যাহার নং- সিভিল রিভিশন নং ২১৪৭/২০২৪।

উক্ত রিভিশন শুনানীতে বিজ্ঞ হাইকোর্ট ডিভিশন ২০২৪ সালের ২৫ শে মে তারিখে বিবাদী পক্ষকে হাজির হয়ে কেন যুগ্ম জেলা জজ আদালতের রায় বাতিল করা হবে না তার কারন দর্শাইতে আদেশ দেন এবং তর্কিত জমিতে ঝঃধঃঁং য়ঁড় বা স্থিতি অবস্থা ৬ মাসের জন্য জারি করেন। মহামান্য হাইকোর্ট পরবর্তী আদেশে বিগত ২০২৪ সালের ২৪ শে অক্টোবর ইং তারিখে যুগ্ম জেলা জজ আদালত ১ম এর রায় স্থগিত করে ঝঃধঃঁং য়ঁড় বা স্থিতি অবস্থা মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদেশটি বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন যাহা অদ্যবধি বহাল আছে ও মোকদ্দমাটি বিচারাধীন রহিয়াছে।

এখন আমি বি.আর.এস খতিয়ানে স্বত্ব ও দখল অনুযায়ী নিজ নামে তর্কিত জমি রেকর্ড করিয়া এবং হাল সন অব্দি সরকারী করাদী পরিশোধ করিয়া শান্তিপূর্ন ভাবে অদ্যবধি ধান ও মাছ চাষ করিয়া এবং ভেড়িতে গাছ গাছালি রোপন করিয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছি। বিগত ৫ই আগষ্টে রাজনৈতীক পট পরিবর্তনের কারণে বিবাদীঃ ১। মোঃ শহর আলী (৬০), পিতা- মৃত এজাহার আলী গাজী, গ্রাম-পদ্ম শাখরা, পোষ্ট- শাখরা কোমরপুর, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, ২। মোঃ নাছির সরদার (৪০), ৩। মোঃ নিজাম উদ্দীন সরদার (৩৫), উভয় পিতা- মৃত নিয়ামদ্দিন সরদার, গ্রাম-বৈচনা, পোষ্ট-শাখরা কোমরপুর, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, ৪। আবুল হোসেন (৪৮), ৫। আবুল হাসান (৩৮), ৬। হাবিবুর রহমান (৩৪), ৭। হুমায়ন (৩২), সর্ব পিতা- মোঃ শহর আলী, সর্ব সাং- পদ্ম শাখরা, থানা+জেলা- সাতক্ষীরা।

উক্ত বিবাদী পক্ষ আমার ভোগ দখলীয় সম্পত্তি গায়ের জোরে দখলের হীন উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অপচেষ্টা চালাইয়া আসিতেছে। আমার ও আমার পরিবারের উপর একাধিকবার জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রান নাশের হুমকি ধামকি প্রদান করিতেছে। বরবার হুমকি ধামকিতে আতঙ্কিত হয়ে আমি বিজ্ঞ অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সাতক্ষীরায় ফৌঃ কাঃ ১৪৫ ধারায় একটি পিটিশন মামলা দায়ের করি। যাহার মামলা নাম্বার ৭৭০/২৪ সাতক্ষীরা। উক্ত মামলায় ২য় আদেশে উভয় পক্ষের শুনানী অন্তে আমাকে ঘেরে মাছ ও ধান চাষের কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন এবং অফিসার ইনচার্জ সাতক্ষীরা সদরকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আদেশ দেন। কিন্তু তারা বিবাদী পক্ষ মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন, অতিঃ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কিংবা অন্য কোন আইনগত কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মানছে না।

বর্তমানে আমি ও আমায় পরিবার বর্গ নিয়ে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে আছি এমনকি তাদের বারংবার হুমকি ধামকিতে অত্যান্ত আতঙ্কের মাঝে দিনাতিপাত করছি। গত ২০১৪ সালের ১৭ই জানুয়ারী তারিখে বিবাদী শহর আলীর পুত্র আবু হানিফ পুলিশের ক্রস ফায়ারের ঘটনায় নিহত হয়। শহর আলীর সাথে আমার ১৯৮২ সাল থেকে দেওয়ানী ৮৬/৮২ নং মামলা চলমান থাকায়। তার মৃত পুত্রকে ব্যবহার করে বিগত ২০২৪ সালে তৎকালীন পুলিশ সুপার সহ কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সহ আমাকে ১৩ নং ও আমার পোতা মোঃ মোশারফ হোসেন কে ১৪ নং আসামী করে একটি গত ২০২৪ সালে তৎকালীন পুলিশ সুপার সহ কয়েকজন নিরীহ গ্রামবাসীকে আসামী করে একটি মামলা করে।

উল্লেখ্য জমি জায়গার লোভে নিজের মৃত পুত্রকে ব্যবহার করে একটি স্বনামধন্য রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে আমার পরিবার সহ এলাকার একাধিক ব্যক্তির জমি দখল, হুমকি ও এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট সাহায্য প্রার্থনা করছি এবং মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আমার উক্ত দখলীয় জমি যেন গায়ের জোরে বিবাদীপক্ষ উচ্ছেদ না করিতে পারে এবং স্থিতি অবস্থা বজায় থাকে সে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।