আজ শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার Logo বাংলাদেশের পেস ইতিহাসে হাসানের হ্যাটট্রিক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

এইচএমপিভি থেকে বাঁচতে যা করবেন

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ১০:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৬২৬ বার পড়া হয়েছে

হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) ২০০১ সালে প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল, এটি আবারও হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এইচএমপিভি সব বয়সের গোষ্ঠীকে সংক্রামিত করে, তাই এর বিস্তার সীমিত করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ। এইচএমপিভি মূলত শ্বাসযন্ত্রের ফোঁটার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তাই স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এইচএমপিভির বিস্তার রোধে এই বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি-

১. হাত পরিষ্কার রাখা

কোভিড-১৯ আমাদের কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়ার শিক্ষা দিয়েছে। যেকোনো ভাইরাসের বিস্তার কমাতে হাতের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, ভালোভাবে এবং ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন। সাবান ও পানি না থাকলে অ্যালকোহল-বেইজড হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। এছাড়াও অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।

২. মাস্ক পরা

মাস্ক পরা ভাইরাস ছড়ানো উল্লেখযোগ্যভাবে রোধ করতে পারে। নিশ্চিত করুন যেন মাস্কটি আপনার নাক এবং মুখ ঢেকে রাখে এবং কাশি বা হাঁচি দেওয়া ব্যক্তির থেকে আপনি দূরে থাকেন।

৩. রেসপিরেটরি ম্যানার্স

যদি আপনার কাশি বা হাঁচি হয়, তাহলে টিস্যু বা কনুই দিয়ে মুখ এবং নাক ঢেকে রাখুন। ব্যবহৃত টিস্যুগুলো দ্রুত কোনো বন্ধ বিনে ফেলে দিন এবং পরে হাত স্যানিটাইজ করুন।

৪. বারবার স্পর্শ করা হয় এমন জিনিসগুলো পরিষ্কার করুন

দরজার হাতল, আলোর সুইচ, স্মার্টফোন এবং কীবোর্ডের মতো বারবার স্পর্শ করা জিনিসগুলো পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করুন। সঠিক জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন যাতে ভাইরাস ভালোভাবে দূর হয়।

৫. অসুস্থ ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়িয়ে চলুন

যদি আপনার বা আপনার পরিবারের কারো শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার লক্ষণ থাকে, তাহলে সম্ভাব্য সংস্পর্শ এড়াতে দূরে থাকুন। এইচএমপিভির কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে বলুন।

৬. অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন

যদি আপনি জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন, তাহলে কাজ বা স্কুল বা জনসাধারণের স্থান থেকে দূরে থাকুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা সেবা নিন এবং আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখুন

তিনটি জিনিস- তাজা ফল, শাক-সবজি এবং হোল গ্রেইনসহ সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত তরল এবং সক্রিয় থাকা- আপনার যেকোনো ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে কম রাখবে। তাই সঠিক ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় থাকবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী

এইচএমপিভি থেকে বাঁচতে যা করবেন

আপডেট সময়: ১০:১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৫

হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) ২০০১ সালে প্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল, এটি আবারও হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এইচএমপিভি সব বয়সের গোষ্ঠীকে সংক্রামিত করে, তাই এর বিস্তার সীমিত করার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ। এইচএমপিভি মূলত শ্বাসযন্ত্রের ফোঁটার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তাই স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এইচএমপিভির বিস্তার রোধে এই বিষয়গুলো মনে রাখা জরুরি-

১. হাত পরিষ্কার রাখা

কোভিড-১৯ আমাদের কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও পানি দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোয়ার শিক্ষা দিয়েছে। যেকোনো ভাইরাসের বিস্তার কমাতে হাতের স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতএব, ভালোভাবে এবং ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিন। সাবান ও পানি না থাকলে অ্যালকোহল-বেইজড হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। এছাড়াও অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।

২. মাস্ক পরা

মাস্ক পরা ভাইরাস ছড়ানো উল্লেখযোগ্যভাবে রোধ করতে পারে। নিশ্চিত করুন যেন মাস্কটি আপনার নাক এবং মুখ ঢেকে রাখে এবং কাশি বা হাঁচি দেওয়া ব্যক্তির থেকে আপনি দূরে থাকেন।

৩. রেসপিরেটরি ম্যানার্স

যদি আপনার কাশি বা হাঁচি হয়, তাহলে টিস্যু বা কনুই দিয়ে মুখ এবং নাক ঢেকে রাখুন। ব্যবহৃত টিস্যুগুলো দ্রুত কোনো বন্ধ বিনে ফেলে দিন এবং পরে হাত স্যানিটাইজ করুন।

৪. বারবার স্পর্শ করা হয় এমন জিনিসগুলো পরিষ্কার করুন

দরজার হাতল, আলোর সুইচ, স্মার্টফোন এবং কীবোর্ডের মতো বারবার স্পর্শ করা জিনিসগুলো পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত করুন। সঠিক জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন যাতে ভাইরাস ভালোভাবে দূর হয়।

৫. অসুস্থ ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়িয়ে চলুন

যদি আপনার বা আপনার পরিবারের কারো শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার লক্ষণ থাকে, তাহলে সম্ভাব্য সংস্পর্শ এড়াতে দূরে থাকুন। এইচএমপিভির কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে বলুন।

৬. অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন

যদি আপনি জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে শুরু করেন, তাহলে কাজ বা স্কুল বা জনসাধারণের স্থান থেকে দূরে থাকুন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসা সেবা নিন এবং আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখুন

তিনটি জিনিস- তাজা ফল, শাক-সবজি এবং হোল গ্রেইনসহ সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত তরল এবং সক্রিয় থাকা- আপনার যেকোনো ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে কম রাখবে। তাই সঠিক ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় থাকবে।