আজ সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরা শহরতলী লাবসা মুন্সিপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরি: স্বর্ণ-নগদসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট Logo খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব অধিকার ও সুরক্ষা কৌশল শীর্ষক কর্মশালা Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৬ পালিত র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভা Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস Logo ২৪ ঘণ্টায় হামে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর Logo কলারোয়ায় পাঁচটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ Logo ভালোবাসার একযুগ: এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৮:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। ফলে শহরের পাম্পগুলোতে তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিটি পাম্পের সামনে দীর্ঘ মোটরসাইকেল লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, কখনো হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ড্রাম বা পটে তেল সংগ্রহ করে চড়া দামে বিক্রি করছেন। খালিশপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ৩ ভ্যানে ৬ ড্রাম তেল আটক করলেও অব্যবস্থা রোধ করা যায়নি। নগরীর ‘মাই ম্যাক্সসিস’ পাম্পে এক লিটার অকটেন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চললেও শহরের মানুষের ভোগান্তি কমছে না। খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় প্রশাসন জনভোগান্তি কমাতে চেষ্টা করছে। সুন্দরবনে মায়াবি চিত্র হরিণের অবাধ বিচরণ দেখা গেলেও শিকার বন্ধ হচ্ছে না। বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার হরিণ রয়েছে। কিন্তু কিছু অসৎ বন কর্মকর্তা ও চোরা শিকারিচক্রের সহায়তায় বছরের বিভিন্ন সময়ে হরিণ শিকার হচ্ছে। হরিণের ফাঁদে পড়ছে বন্য শুকর এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারও। স্থানীয় চিহ্নিত শিকারিচক্র জেলের ছদ্মবেশে বনাঞ্চলে প্রবেশ করে ফাঁদ স্থাপন করেন। শিকার করা হরিণের মাংস ও চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করে পাচার করা হয়। প্রতি কেজি হরিণের গোশত পাওয়া যাচ্ছে ৬০০–৭০০ টাকা, জেলা শহরে দাম ১০০০–২০০০ টাকা, এবং একটি জীবিত হরিণের দাম ১৫-২০ হাজার টাকা। সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক শুভ্র শচীন বলেন, হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বন বিভাগের নতুন পদ্ধতিতে টহল জোরদার করা হলেও বনজ সম্পদের সুরক্ষায় শুধু টহল যথেষ্ট নয়, বনভিত্তিক মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানও জরুরি। সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধু আহরণ চলাকালীন বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও হরিণ শিকার প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা শহরতলী লাবসা মুন্সিপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরি: স্বর্ণ-নগদসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট

খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে

আপডেট সময়: ০৮:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

খুলনায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। ফলে শহরের পাম্পগুলোতে তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিটি পাম্পের সামনে দীর্ঘ মোটরসাইকেল লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, কখনো হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ড্রাম বা পটে তেল সংগ্রহ করে চড়া দামে বিক্রি করছেন। খালিশপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ৩ ভ্যানে ৬ ড্রাম তেল আটক করলেও অব্যবস্থা রোধ করা যায়নি। নগরীর ‘মাই ম্যাক্সসিস’ পাম্পে এক লিটার অকটেন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চললেও শহরের মানুষের ভোগান্তি কমছে না। খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় প্রশাসন জনভোগান্তি কমাতে চেষ্টা করছে। সুন্দরবনে মায়াবি চিত্র হরিণের অবাধ বিচরণ দেখা গেলেও শিকার বন্ধ হচ্ছে না। বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার হরিণ রয়েছে। কিন্তু কিছু অসৎ বন কর্মকর্তা ও চোরা শিকারিচক্রের সহায়তায় বছরের বিভিন্ন সময়ে হরিণ শিকার হচ্ছে। হরিণের ফাঁদে পড়ছে বন্য শুকর এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারও। স্থানীয় চিহ্নিত শিকারিচক্র জেলের ছদ্মবেশে বনাঞ্চলে প্রবেশ করে ফাঁদ স্থাপন করেন। শিকার করা হরিণের মাংস ও চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করে পাচার করা হয়। প্রতি কেজি হরিণের গোশত পাওয়া যাচ্ছে ৬০০–৭০০ টাকা, জেলা শহরে দাম ১০০০–২০০০ টাকা, এবং একটি জীবিত হরিণের দাম ১৫-২০ হাজার টাকা। সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক শুভ্র শচীন বলেন, হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বন বিভাগের নতুন পদ্ধতিতে টহল জোরদার করা হলেও বনজ সম্পদের সুরক্ষায় শুধু টহল যথেষ্ট নয়, বনভিত্তিক মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানও জরুরি। সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধু আহরণ চলাকালীন বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও হরিণ শিকার প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।