খুলনায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। ফলে শহরের পাম্পগুলোতে তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিটি পাম্পের সামনে দীর্ঘ মোটরসাইকেল লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, কখনো হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ড্রাম বা পটে তেল সংগ্রহ করে চড়া দামে বিক্রি করছেন। খালিশপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ৩ ভ্যানে ৬ ড্রাম তেল আটক করলেও অব্যবস্থা রোধ করা যায়নি। নগরীর ‘মাই ম্যাক্সসিস’ পাম্পে এক লিটার অকটেন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চললেও শহরের মানুষের ভোগান্তি কমছে না। খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় প্রশাসন জনভোগান্তি কমাতে চেষ্টা করছে। সুন্দরবনে মায়াবি চিত্র হরিণের অবাধ বিচরণ দেখা গেলেও শিকার বন্ধ হচ্ছে না। বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার হরিণ রয়েছে। কিন্তু কিছু অসৎ বন কর্মকর্তা ও চোরা শিকারিচক্রের সহায়তায় বছরের বিভিন্ন সময়ে হরিণ শিকার হচ্ছে। হরিণের ফাঁদে পড়ছে বন্য শুকর এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারও। স্থানীয় চিহ্নিত শিকারিচক্র জেলের ছদ্মবেশে বনাঞ্চলে প্রবেশ করে ফাঁদ স্থাপন করেন। শিকার করা হরিণের মাংস ও চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করে পাচার করা হয়। প্রতি কেজি হরিণের গোশত পাওয়া যাচ্ছে ৬০০–৭০০ টাকা, জেলা শহরে দাম ১০০০–২০০০ টাকা, এবং একটি জীবিত হরিণের দাম ১৫-২০ হাজার টাকা। সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক শুভ্র শচীন বলেন, হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বন বিভাগের নতুন পদ্ধতিতে টহল জোরদার করা হলেও বনজ সম্পদের সুরক্ষায় শুধু টহল যথেষ্ট নয়, বনভিত্তিক মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানও জরুরি। সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধু আহরণ চলাকালীন বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও হরিণ শিকার প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন
খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে
-
রিপোর্টার - আপডেট সময়: ০৮:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
- ৬ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস:
জনপ্রিয় সংবাদ




























