আজ মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৮:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। ফলে শহরের পাম্পগুলোতে তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিটি পাম্পের সামনে দীর্ঘ মোটরসাইকেল লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, কখনো হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ড্রাম বা পটে তেল সংগ্রহ করে চড়া দামে বিক্রি করছেন। খালিশপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ৩ ভ্যানে ৬ ড্রাম তেল আটক করলেও অব্যবস্থা রোধ করা যায়নি। নগরীর ‘মাই ম্যাক্সসিস’ পাম্পে এক লিটার অকটেন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চললেও শহরের মানুষের ভোগান্তি কমছে না। খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় প্রশাসন জনভোগান্তি কমাতে চেষ্টা করছে। সুন্দরবনে মায়াবি চিত্র হরিণের অবাধ বিচরণ দেখা গেলেও শিকার বন্ধ হচ্ছে না। বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার হরিণ রয়েছে। কিন্তু কিছু অসৎ বন কর্মকর্তা ও চোরা শিকারিচক্রের সহায়তায় বছরের বিভিন্ন সময়ে হরিণ শিকার হচ্ছে। হরিণের ফাঁদে পড়ছে বন্য শুকর এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারও। স্থানীয় চিহ্নিত শিকারিচক্র জেলের ছদ্মবেশে বনাঞ্চলে প্রবেশ করে ফাঁদ স্থাপন করেন। শিকার করা হরিণের মাংস ও চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করে পাচার করা হয়। প্রতি কেজি হরিণের গোশত পাওয়া যাচ্ছে ৬০০–৭০০ টাকা, জেলা শহরে দাম ১০০০–২০০০ টাকা, এবং একটি জীবিত হরিণের দাম ১৫-২০ হাজার টাকা। সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক শুভ্র শচীন বলেন, হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বন বিভাগের নতুন পদ্ধতিতে টহল জোরদার করা হলেও বনজ সম্পদের সুরক্ষায় শুধু টহল যথেষ্ট নয়, বনভিত্তিক মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানও জরুরি। সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধু আহরণ চলাকালীন বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও হরিণ শিকার প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে

আপডেট সময়: ০৮:০৮:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

খুলনায় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে তেলের সরবরাহে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে। ফলে শহরের পাম্পগুলোতে তেল চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। প্রতিটি পাম্পের সামনে দীর্ঘ মোটরসাইকেল লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, কখনো হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনাও ঘটছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা ড্রাম বা পটে তেল সংগ্রহ করে চড়া দামে বিক্রি করছেন। খালিশপুরে জাতীয় সংসদের হুইপ ৩ ভ্যানে ৬ ড্রাম তেল আটক করলেও অব্যবস্থা রোধ করা যায়নি। নগরীর ‘মাই ম্যাক্সসিস’ পাম্পে এক লিটার অকটেন বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চললেও শহরের মানুষের ভোগান্তি কমছে না। খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত জানিয়েছেন, নতুন নির্দেশনার অপেক্ষায় প্রশাসন জনভোগান্তি কমাতে চেষ্টা করছে। সুন্দরবনে মায়াবি চিত্র হরিণের অবাধ বিচরণ দেখা গেলেও শিকার বন্ধ হচ্ছে না। বন বিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবনে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৬ হাজার হরিণ রয়েছে। কিন্তু কিছু অসৎ বন কর্মকর্তা ও চোরা শিকারিচক্রের সহায়তায় বছরের বিভিন্ন সময়ে হরিণ শিকার হচ্ছে। হরিণের ফাঁদে পড়ছে বন্য শুকর এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারও। স্থানীয় চিহ্নিত শিকারিচক্র জেলের ছদ্মবেশে বনাঞ্চলে প্রবেশ করে ফাঁদ স্থাপন করেন। শিকার করা হরিণের মাংস ও চামড়া স্থানীয়ভাবে সংরক্ষণ করে পাচার করা হয়। প্রতি কেজি হরিণের গোশত পাওয়া যাচ্ছে ৬০০–৭০০ টাকা, জেলা শহরে দাম ১০০০–২০০০ টাকা, এবং একটি জীবিত হরিণের দাম ১৫-২০ হাজার টাকা। সুন্দরবন ও বাংলাদেশ উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন প্রধান সমন্বয়ক শুভ্র শচীন বলেন, হরিণ শিকার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বন বিভাগের নতুন পদ্ধতিতে টহল জোরদার করা হলেও বনজ সম্পদের সুরক্ষায় শুধু টহল যথেষ্ট নয়, বনভিত্তিক মানুষের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানও জরুরি। সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগের বন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মধু আহরণ চলাকালীন বনজ সম্পদের সুরক্ষা ও হরিণ শিকার প্রতিরোধে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।