সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মারদিয়া মমতাজ বলেছেন, কোনো জনপ্রতিনিধি নাগরিকের প্রাপ্য অধিকার পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হলে জনগণকেই তা বুঝে নিতে হবে। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব হচ্ছে রাষ্ট্রীয় অধিকার জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। জামায়াতে ইসলামী সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বে বিশ্বাস করে এবং দলটি ক্ষমতা নয়, জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চায়। তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীতে কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের দাগ নেই এবং দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্বের মাধ্যমেই কল্যাণ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সোমবার (২৫ মে) দুপুরে পুরানা পল্টন কলেজ মিলনায়তনে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দরিদ্রদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে তার নামে বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগর দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, মজলিসে শুরা সদস্য ও মতিঝিল দক্ষিণ থানা আমির মাওলানা মোতাছিম বিল্লাহ, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সালেহা মমতাজ ও দিলারা বেগম, শাহজাহানপুর থানা মহিলা সেক্রেটারি পারভীন আক্তারসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন না হলে জনগণের অধিকার ফিরে আসবে না। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা হলো ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ, যেখানে বৈষম্য ও রক্তপাত থাকবে না এবং ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। তিনি অভিযোগ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে হলেও সরকার গণভোটের ফল মেনে নিচ্ছে না। তবে ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা হতে দেবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতেই হবে। তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশ কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হবে এবং সেখানে নাগরিকদের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও ঈদ উপহারের পরিমাণ বাড়ানো হবে।
আজকের বাণী 






















