আজ সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরা শহরতলী লাবসা মুন্সিপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরি: স্বর্ণ-নগদসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট Logo খুলনায় জ্বালানি সংকট ও সুন্দরবনে হরিণ শিকার – উদ্বেগ বাড়ছে Logo খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব অধিকার ও সুরক্ষা কৌশল শীর্ষক কর্মশালা Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস ২০২৬ পালিত র‌্যালি ও আলোচনা সভা Logo সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভা Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উদযাপন Logo সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর করে সংসদে বিল পাস Logo ২৪ ঘণ্টায় হামে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর Logo কলারোয়ায় পাঁচটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ Logo ভালোবাসার একযুগ: এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশন
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব অধিকার ও সুরক্ষা কৌশল শীর্ষক কর্মশালা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৮:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস (টিটিও), হিট সাব-প্রজেক্টের আওতায় ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস এন্ড প্রটেকশন স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, গবেষণার প্রকৃত মূল্য তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তা সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও প্রয়োগযোগ্য হয়। মেধাস্বত্ব অধিকার নিশ্চিত হলে গবেষণার ফলাফল শুধু একাডেমিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং জাতীয় উন্নয়ন ও শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তিনি গবেষকদের উদ্ভাবন সুরক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, গবেষণার মূল উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ। জীবনমান উন্নয়নে গবেষণার অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তবে গবেষণার ফল যেন মালিকানা হারিয়ে না ফেলে, তার জন্য মেধাস্বত্ব অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী বলেন, গবেষণার ফলাফলের মালিকানা সংরক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ না করলে উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব নয় এবং বাণিজ্যিক সুযোগও হারিয়ে যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্কুল ও ডিসিপ্লিনের উদ্ভাবনসমূহকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুরক্ষিত করার কৌশল নিয়ে তিনটি টেকনিক্যাল ও তিনটি ডিসকাশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, হিট প্রকল্পের প্রতিনিধি, শিল্প প্রতিনিধি, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা শহরতলী লাবসা মুন্সিপাড়ায় দুঃসাহসিক চুরি: স্বর্ণ-নগদসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাস্বত্ব অধিকার ও সুরক্ষা কৌশল শীর্ষক কর্মশালা

আপডেট সময়: ০৮:০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস (টিটিও), হিট সাব-প্রজেক্টের আওতায় ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস এন্ড প্রটেকশন স্ট্র্যাটেজিস’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, গবেষণার প্রকৃত মূল্য তখনই প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তা সঠিকভাবে সংরক্ষিত ও প্রয়োগযোগ্য হয়। মেধাস্বত্ব অধিকার নিশ্চিত হলে গবেষণার ফলাফল শুধু একাডেমিক পরিসরেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং জাতীয় উন্নয়ন ও শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তিনি গবেষকদের উদ্ভাবন সুরক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান বলেন, গবেষণার মূল উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ। জীবনমান উন্নয়নে গবেষণার অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তবে গবেষণার ফল যেন মালিকানা হারিয়ে না ফেলে, তার জন্য মেধাস্বত্ব অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী বলেন, গবেষণার ফলাফলের মালিকানা সংরক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, উদ্ভাবনের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ না করলে উদ্ভাবক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া সম্ভব নয় এবং বাণিজ্যিক সুযোগও হারিয়ে যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি স্কুল ও ডিসিপ্লিনের উদ্ভাবনসমূহকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুরক্ষিত করার কৌশল নিয়ে তিনটি টেকনিক্যাল ও তিনটি ডিসকাশন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, বিভাগীয় পরিচালক, হিট প্রকল্পের প্রতিনিধি, শিল্প প্রতিনিধি, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।