মোংলার শেহালাবুনিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৯ জন নিহত হওয়ায় পুরো এলাকা শোকের ছায়ায় ছেয়ে গেছে। দুর্ঘটনার শিকাররা ছিলেন নববধূ মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার ছোট বোন লামিয়া আক্তার, দাদী রাশিদা বেগম, নানী আনোয়ারা বেগম, পরিবারের সদস্য বর আহাদুর রহমান ছাব্বির, ভাই আব্দুল্লাহ সানি, বোন উম্মে সুমাইয়া ঐশী, ঐশীর ছেলে সামিউল ইসলাম ফাহিম, এবং অন্যান্য আত্মীয়-সদস্য।
জুমার নামাজের আগে মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজন করা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, স্থানীয় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। পরে একই পরিবারের নয়জনকে মোংলা কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়।
নিহতদের ছোট ভাই মো. সাজ্জাদ সরদার বলেন, “আমি বাবা, ভাই, স্ত্রী, সন্তান, বোন, ভাগ্নে–সবই হারিয়েছি। আমরা তাদের দেনা-পাওনা পরিশোধ করব এবং সবাইকে ক্ষমা করার অনুরোধ করছি।” প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী নিহত পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।” মোংলা-খুলনা সড়কে দুর্ঘটনার পর সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ প্রত্যেক নিহতকে ৫ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসক এবং নৌবাহিনীর পক্ষ থেকেও সহায়তা প্রদান করা হবে। দুর্ঘটনায় মাইক্রোবাস চালক নাঈমও নিহত হন। এখনো বেলাই ব্রিজ এলাকায় ছড়িয়ে আছে দুর্ঘটনার চিহ্ন—শিশুদের ফিডার, জুতা এবং কাচের টুকরো, যা স্থানীয়দেরকে মর্মাহত করছে।
রিপোর্টার 




























