আজ বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo রেলসেবায় প্রতিবন্ধী, শিক্ষার্থী ও ৬৫+ নাগরিকদের জন্য ২৫% ভাড়া ছাড় Logo সরকারের চারটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ Logo আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান এমপি আব্দুল খালেকের Logo আশাশুনিতে গোয়াল ঘরে গরু দুধ আহরণ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহ বধূর মৃত্যু Logo বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দ Logo ইরানে হামলার প্রতিবাদে দেবহাটায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ Logo শ্যামনগরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন Logo ধলবাড়িয়ায় এমপি মুহাদ্দিস রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল Logo “সংবাদিক দায়িত্বের কথা বললেন অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ | তালা সাংবাদিক ইফতার” Logo লেবাননে স্থল অভিযান চালাবে ইসরায়েল
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সপ্তাহের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলায় সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে যখন অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এই দরপতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলো এতে কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সুলতানপুর বড়বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাইকারিতে প্রতি কেজি ৪৮–৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০–৩২ টাকায় নেমে এসেছে। মুড়িকাটা মোটা জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে ২৮ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা পলাশপোল এলাকার ক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “রমজান শুরুর আগে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। রোজার সময় পেঁয়াজের চাহিদা বেশি থাকে, তাই এই মূল্যহ্রাস সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক।”

খুচরা বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনি ব্যস্ততার কারণে অনেক কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজানের বাড়তি চাহিদার কারণে মোকাম পর্যায়ে দাম বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে কৃষকরা বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ উত্তোলন করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমেছে।

পাইকারি বিক্রেতা তাপস ঘোষ বলেন, “রমজান শুরুর কয়েকদিন পর থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা কমে যায়। এদিকে হঠাৎ সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম পড়ে গেছে। সকালে দুই বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করে ১ হাজার ৪১০ টাকা লোকসান হয়েছে। এভাবে দাম কমতে থাকলে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।” সুলতানপুর বড়বাজারের মেসার্স মোল্যা ভাণ্ডারের মালিক আব্দুল আজিজ মোল্যা জানান, “রমজানে বেশি দামের আশায় অনেক কৃষক পেঁয়াজ উত্তোলন বন্ধ রাখায় আগে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়ে। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। ফলে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮–২০ টাকা কমেছে। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়লেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

রেলসেবায় প্রতিবন্ধী, শিক্ষার্থী ও ৬৫+ নাগরিকদের জন্য ২৫% ভাড়া ছাড়

সপ্তাহের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা

আপডেট সময়: ১১:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলায় সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে যখন অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এই দরপতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলো এতে কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সুলতানপুর বড়বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাইকারিতে প্রতি কেজি ৪৮–৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০–৩২ টাকায় নেমে এসেছে। মুড়িকাটা মোটা জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে ২৮ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা পলাশপোল এলাকার ক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “রমজান শুরুর আগে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। রোজার সময় পেঁয়াজের চাহিদা বেশি থাকে, তাই এই মূল্যহ্রাস সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক।”

খুচরা বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনি ব্যস্ততার কারণে অনেক কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজানের বাড়তি চাহিদার কারণে মোকাম পর্যায়ে দাম বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে কৃষকরা বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ উত্তোলন করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমেছে।

পাইকারি বিক্রেতা তাপস ঘোষ বলেন, “রমজান শুরুর কয়েকদিন পর থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা কমে যায়। এদিকে হঠাৎ সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম পড়ে গেছে। সকালে দুই বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করে ১ হাজার ৪১০ টাকা লোকসান হয়েছে। এভাবে দাম কমতে থাকলে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।” সুলতানপুর বড়বাজারের মেসার্স মোল্যা ভাণ্ডারের মালিক আব্দুল আজিজ মোল্যা জানান, “রমজানে বেশি দামের আশায় অনেক কৃষক পেঁয়াজ উত্তোলন বন্ধ রাখায় আগে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়ে। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। ফলে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮–২০ টাকা কমেছে। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়লেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে।”