আজ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo কারিনা কায়সারের লিভার ডোনার দুই ভাই Logo জরুরি পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ স্কোয়াডে পরিবর্তন Logo “হ্যানিম্যানের চিকিৎসা দর্শন আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত” — ইজ্জত উল্লাহ এমপি Logo আগরদাঁড়ি ইউনিয়নে তিন মরহুমের একসঙ্গে জানাজা, শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায় Logo পশুর হাটে নিরাপত্তা জোরদার: সাতক্ষীরায় আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo কলারোয়ায় তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক কর্মশালা Logo ডেভিড স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্লিস হসপিটাল চ্যাম্পিয়ন Logo সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন Logo সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘রিসোর্স পুল’ গঠনের নির্দেশ Logo আগের চেয়ে সুস্থ মির্জা আব্বাস, ঈদের আগে দেশে ফেরার আশা পরিবারের
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সপ্তাহের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলায় সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে যখন অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এই দরপতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলো এতে কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সুলতানপুর বড়বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাইকারিতে প্রতি কেজি ৪৮–৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০–৩২ টাকায় নেমে এসেছে। মুড়িকাটা মোটা জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে ২৮ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা পলাশপোল এলাকার ক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “রমজান শুরুর আগে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। রোজার সময় পেঁয়াজের চাহিদা বেশি থাকে, তাই এই মূল্যহ্রাস সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক।”

খুচরা বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনি ব্যস্ততার কারণে অনেক কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজানের বাড়তি চাহিদার কারণে মোকাম পর্যায়ে দাম বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে কৃষকরা বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ উত্তোলন করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমেছে।

পাইকারি বিক্রেতা তাপস ঘোষ বলেন, “রমজান শুরুর কয়েকদিন পর থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা কমে যায়। এদিকে হঠাৎ সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম পড়ে গেছে। সকালে দুই বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করে ১ হাজার ৪১০ টাকা লোকসান হয়েছে। এভাবে দাম কমতে থাকলে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।” সুলতানপুর বড়বাজারের মেসার্স মোল্যা ভাণ্ডারের মালিক আব্দুল আজিজ মোল্যা জানান, “রমজানে বেশি দামের আশায় অনেক কৃষক পেঁয়াজ উত্তোলন বন্ধ রাখায় আগে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়ে। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। ফলে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮–২০ টাকা কমেছে। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়লেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

কারিনা কায়সারের লিভার ডোনার দুই ভাই

সপ্তাহের ব্যবধানে সাতক্ষীরায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা

আপডেট সময়: ১১:০৩:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলায় সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে যখন অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এই দরপতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবারগুলো এতে কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সুলতানপুর বড়বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের শুরুতে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ পাইকারিতে প্রতি কেজি ৪৮–৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে ৩০–৩২ টাকায় নেমে এসেছে। মুড়িকাটা মোটা জাতের পেঁয়াজ পাইকারিতে ২৮ টাকায়ও পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে পেঁয়াজ কিনতে আসা পলাশপোল এলাকার ক্রেতা সিরাজুল ইসলাম বলেন, “রমজান শুরুর আগে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সংসারের বাজেট সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। এখন দাম কেজিতে ১৮ থেকে ২০ টাকা কমায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। রোজার সময় পেঁয়াজের চাহিদা বেশি থাকে, তাই এই মূল্যহ্রাস সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক।”

খুচরা বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনি ব্যস্ততার কারণে অনেক কৃষক ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজানের বাড়তি চাহিদার কারণে মোকাম পর্যায়ে দাম বেড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে কৃষকরা বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ উত্তোলন করায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে, ফলে দাম কমেছে।

পাইকারি বিক্রেতা তাপস ঘোষ বলেন, “রমজান শুরুর কয়েকদিন পর থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা কমে যায়। এদিকে হঠাৎ সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম পড়ে গেছে। সকালে দুই বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করে ১ হাজার ৪১০ টাকা লোকসান হয়েছে। এভাবে দাম কমতে থাকলে বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।” সুলতানপুর বড়বাজারের মেসার্স মোল্যা ভাণ্ডারের মালিক আব্দুল আজিজ মোল্যা জানান, “রমজানে বেশি দামের আশায় অনেক কৃষক পেঁয়াজ উত্তোলন বন্ধ রাখায় আগে সরবরাহ কমে গিয়ে দাম বাড়ে। বর্তমানে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা তুলনামূলক কম। ফলে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৮–২০ টাকা কমেছে। এতে ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়লেও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি এসেছে।”