আজ বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ Logo জনগণকে নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে হবে: এমপি মারদিয়া মমতাজ Logo খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ Logo দেবহাটায় সরকারি জমিতে পাকাঁ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo টেকসই উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা Logo আশাশুনিতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo আশাশুনি সদর ইউনিয়নে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo জাল নোট ঠেকাতে সাতক্ষীরার পশুর হাটে র‌্যাবের আধুনিক বুথ চালু Logo বাঁশদহা ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা ও স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা Logo উপহারে হাসলো সাতক্ষীরার পিছিয়ে পড়া ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৭১ হাজার

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৪:৪২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের দুই বছরের আগ্রাসনের পর নতুন করে গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধবিরতির মধ্যেই স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। আড়াই মাসের বেশি এ সময়ে ৪০০’র বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলিরা। এতে দুই বছরের বেশি সময়ের মধ্যে মোট নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭১ হাজার।

শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আগের ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় চারজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া আগের হামলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ১১ অক্টোবর থেকে শনিবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪১৪ ও আহত এক হাজার ১৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া মোট ৬৭৯ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শনিবার পর্যন্ত দুই বছরের বেশি সময় ইসরাইলি আগ্রাসনে মোট ৭১ হাজার ২৬৬ জন নিহত এবং এক লাখ ৭১ হাজার ২১৯ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, শনিবার অবরুদ্ধ উপত্যকার বিভিন্ন স্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার খবরে জানানো হয়, ইসরাইলি বাহিনী গাজা শহর, জাবালিয়া ও খান ইউনুসে বিমান হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মধ্য গাজার মাগাজি ও নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে কামানের গোলাবর্ষণ করেছে ইসরাইলিরা। অপরদিকে গাজা শহরের উপকূলে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে ইসরাইলি নৌবাহিনী গুলি চালিয়েছে।

গাজায় হামলার সঙ্গে সঙ্গে ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে তাণ্ডব চালিয়ে আসছে। ওয়াফার খবরে জানানো হয়, ইসরাইলি সেনারা জেনিনের দক্ষিণে কাবাতিয়া গ্রামে শনিবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা। অভিযানের সময় কয়েকটি বাড়িকে মিলিটারি চেকপোস্টে পরিবর্তিত করে তারা। এছাড়া গ্রামের স্কুলকে সামরিক ঘাঁটিতে রূপান্তর করে তারা। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করে ইসরাইলি সেনারা। এছাড়া গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন কেটে দেয় তারা।

এর আগে শুক্রবার নাবলুসে একদল ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর হামলায় এক ফিলিস্তিনি আহত হন। এছাড়া হেবরনের কাছে ইয়াত্তা ও বাইত উম্মার গ্রাম থেকে এক নারী, এক বৃদ্ধ ও চার শিশুসহ বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে আটক করে ইসরাইলি সেনারা।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক শিশুদের মাঝে জামায়াতের ঈদ পোশাক বিতরণ

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ছাড়াল ৭১ হাজার

আপডেট সময়: ০৪:৪২:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের দুই বছরের আগ্রাসনের পর নতুন করে গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধবিরতির মধ্যেই স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। আড়াই মাসের বেশি এ সময়ে ৪০০’র বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলিরা। এতে দুই বছরের বেশি সময়ের মধ্যে মোট নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭১ হাজার।

শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আগের ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় চারজন নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। এছাড়া আগের হামলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ১১ অক্টোবর থেকে শনিবার পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪১৪ ও আহত এক হাজার ১৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া মোট ৬৭৯ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ নিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শনিবার পর্যন্ত দুই বছরের বেশি সময় ইসরাইলি আগ্রাসনে মোট ৭১ হাজার ২৬৬ জন নিহত এবং এক লাখ ৭১ হাজার ২১৯ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, শনিবার অবরুদ্ধ উপত্যকার বিভিন্ন স্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার খবরে জানানো হয়, ইসরাইলি বাহিনী গাজা শহর, জাবালিয়া ও খান ইউনুসে বিমান হামলা চালিয়েছে। এছাড়া মধ্য গাজার মাগাজি ও নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরে কামানের গোলাবর্ষণ করেছে ইসরাইলিরা। অপরদিকে গাজা শহরের উপকূলে ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে ইসরাইলি নৌবাহিনী গুলি চালিয়েছে।

গাজায় হামলার সঙ্গে সঙ্গে ইসরাইলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে তাণ্ডব চালিয়ে আসছে। ওয়াফার খবরে জানানো হয়, ইসরাইলি সেনারা জেনিনের দক্ষিণে কাবাতিয়া গ্রামে শনিবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে তারা। অভিযানের সময় কয়েকটি বাড়িকে মিলিটারি চেকপোস্টে পরিবর্তিত করে তারা। এছাড়া গ্রামের স্কুলকে সামরিক ঘাঁটিতে রূপান্তর করে তারা। অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করে ইসরাইলি সেনারা। এছাড়া গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন কেটে দেয় তারা।

এর আগে শুক্রবার নাবলুসে একদল ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর হামলায় এক ফিলিস্তিনি আহত হন। এছাড়া হেবরনের কাছে ইয়াত্তা ও বাইত উম্মার গ্রাম থেকে এক নারী, এক বৃদ্ধ ও চার শিশুসহ বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে আটক করে ইসরাইলি সেনারা।