আজ শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে উৎসবমুখর: প্রধান উপদেষ্টা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১০:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

ন্যাশনাল ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২২ অক্টোবর) জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন যেন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে কাজ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত লোটজকে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তার মেয়াদকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্রমশ বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে—এটি একটি উৎসাহব্যঞ্জক বিষয়। রাষ্ট্রদূত সরকার ঘোষিত সংস্কার উদ্যোগ, বিশেষ করে জুলাই মাসের জাতীয় সনদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় বসতে দেখা সত্যিই ইতিবাচক। নির্বাচন পরবর্তী সময়েও এ ধরনের সংস্কার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা উচিত। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রে এনে জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করানোর মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে। এটি ছিল ঐক্য ও পরিবর্তনের প্রতি যৌথ অঙ্গীকারের প্রতীক। আসন্ন নির্বাচনের আগে এটি জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করছে। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহী বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা সম্পর্কেও আলোচনা করেন। উভয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও বন্ধনের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি, তারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিস্থিতি ও এ ক্ষেত্রে জার্মানির সহায়তা নিয়েও মতবিনিময় করেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ইউরোপে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। আশা করি, নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখবেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মতবিনিময় সভা

ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে উৎসবমুখর: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময়: ১০:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (২২ অক্টোবর) জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচন যেন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে কাজ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত লোটজকে বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তার মেয়াদকালে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্রমশ বেশি সম্পৃক্ত হচ্ছে—এটি একটি উৎসাহব্যঞ্জক বিষয়। রাষ্ট্রদূত সরকার ঘোষিত সংস্কার উদ্যোগ, বিশেষ করে জুলাই মাসের জাতীয় সনদের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় বসতে দেখা সত্যিই ইতিবাচক। নির্বাচন পরবর্তী সময়েও এ ধরনের সংস্কার উদ্যোগ অব্যাহত রাখা উচিত। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রে এনে জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করানোর মাধ্যমে একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে। এটি ছিল ঐক্য ও পরিবর্তনের প্রতি যৌথ অঙ্গীকারের প্রতীক। আসন্ন নির্বাচনের আগে এটি জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করছে। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহী বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা সম্পর্কেও আলোচনা করেন। উভয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও বন্ধনের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি, তারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পরিস্থিতি ও এ ক্ষেত্রে জার্মানির সহায়তা নিয়েও মতবিনিময় করেন। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ইউরোপে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। আশা করি, নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি করতে ভূমিকা রাখবেন।