আজ মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল Logo খুলনাসহ চার বিভাগে কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত Logo আশাশুনিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজাদ ফারুকের মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক ও বাইতুলমাল ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Logo ভোমরা স্থলবন্দর সংলগ্ন ঢালাই রাস্তার হওয়ায় স্বস্তিতে ব্যবসায়ী ও পথচারীরা Logo তৃণমূল ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গড়ে তোলা হবে: জেলা প্রশাসক Logo কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে ফেরার পথে শ্যামনগরের লিটু আটক Logo পাটকেলঘাটায় ২০০ কেজি আম আটক করে ধ্বংশ Logo প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo আশাশুনিতে ভাঙন কবলিত বাঁধ ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

ইসলামী বাংকের অবৈধ বিনিয়োগ ও নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৫:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ দেশের ব্যাংক লুটের লক্ষ্যে ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকে এস আলমের নিয়োগ দেওয়া চট্টগ্রামের প্রার্থীদের ‘অবৈধ নিয়োগ’ বাতিল করে অবিলম্বে সারা দেশ থেকে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম।
সোমবার (৬অক্টোবর) সকালে সাতক্ষীরা তুফান কোম্পানি মোড় ইসলামী ব্যাংকের  অফিসের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এস আলম ও চট্টগ্রামের অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের দ্রুত অপসারণের জন্য ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ডা. রুহুল ফারহাদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল হালিম ও মোঃ সানি আব্দুল্লাহ এবং চাকরি প্রত্যাশী মোঃ আব্দুস সামাদ ও আল মামুন প্রমুখ ।
অন্য দিকে বৈষম্য বিরোধী চাকরি প্রত্যাশী পরিষদ একই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।
এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘এস আলম নিজ বাড়িতে বাক্স বসিয়ে অবৈধভাবে ইসলামী ব্যাংকে পটিয়া ও চট্টগ্রামের চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি দিয়ে ব্যাংকের সেবার মান ধ্বংস করে দিয়েছেন। তাঁরা গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। কোনো সেবা চাইলে তাঁরা ঠিকমতো সেবা দিতে পারেন না। তাঁরা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন, যা আমরা বুঝতে পারি না। এ ধরনের অযোগ্য লোক দিয়ে ইসলামী ব্যাংক চালানোর চেষ্টা করলে অবিলম্বে গ্রাহকেরা এ ব্যাংক ছেড়ে দেবে। তাই এ ধরনের কর্মকর্তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে।’
বক্তারা আরও বলেন, এস আলম ইসলামী ব্যাংক দখলের পর ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদমর্যাদায় শুধু চট্টগ্রামের ৭ হাজার ২২৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনের বেশি শুধু পটিয়া উপজেলার। দেশের ৬৩টি জেলার চাকরিপ্রার্থীদের বঞ্চিত করে একটি জেলার প্রার্থীদের গোপনে নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকের শৃঙ্খলা চরমভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
বক্তারা এস আলমের সব অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে অবিলম্বে মেধার ভিত্তিতে সারা দেশ থেকে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান। অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তার যোগ্যতা ও দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য ব্যাংক ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করে। এসব কর্মকর্তা মূল্যায়ন পরীক্ষা দিতে অস্বীকার করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর এসব কর্মকর্তার মধ্য থেকে ৫ হাজার ৩৮৫ জনের মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলা হয়। ব্যাংকের সিদ্ধান্তকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এঁদের একটি বড় অংশ, অর্থাৎ ৪ হাজার ৯৭১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। এর মধ্যে ৪১৪ জন কর্মকর্তা মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেন।
যাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেননি, ব্যাংক তাঁদের ওএসডি করেছে এবং বিদ্রোহী ৪০০ জনকে চাকরিচ্যুত করেছে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল

ইসলামী বাংকের অবৈধ বিনিয়োগ ও নিয়োগ বাতিলের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময়: ০৫:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ দেশের ব্যাংক লুটের লক্ষ্যে ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকে এস আলমের নিয়োগ দেওয়া চট্টগ্রামের প্রার্থীদের ‘অবৈধ নিয়োগ’ বাতিল করে অবিলম্বে সারা দেশ থেকে মেধা যাচাইয়ের মাধ্যমে সৎ ও যোগ্য প্রার্থী নিয়োগের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরাম।
সোমবার (৬অক্টোবর) সকালে সাতক্ষীরা তুফান কোম্পানি মোড় ইসলামী ব্যাংকের  অফিসের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এস আলম ও চট্টগ্রামের অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের দ্রুত অপসারণের জন্য ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ডা. রুহুল ফারহাদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল হালিম ও মোঃ সানি আব্দুল্লাহ এবং চাকরি প্রত্যাশী মোঃ আব্দুস সামাদ ও আল মামুন প্রমুখ ।
অন্য দিকে বৈষম্য বিরোধী চাকরি প্রত্যাশী পরিষদ একই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে।
এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘এস আলম নিজ বাড়িতে বাক্স বসিয়ে অবৈধভাবে ইসলামী ব্যাংকে পটিয়া ও চট্টগ্রামের চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি দিয়ে ব্যাংকের সেবার মান ধ্বংস করে দিয়েছেন। তাঁরা গ্রাহকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। কোনো সেবা চাইলে তাঁরা ঠিকমতো সেবা দিতে পারেন না। তাঁরা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন, যা আমরা বুঝতে পারি না। এ ধরনের অযোগ্য লোক দিয়ে ইসলামী ব্যাংক চালানোর চেষ্টা করলে অবিলম্বে গ্রাহকেরা এ ব্যাংক ছেড়ে দেবে। তাই এ ধরনের কর্মকর্তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে।’
বক্তারা আরও বলেন, এস আলম ইসলামী ব্যাংক দখলের পর ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন পদমর্যাদায় শুধু চট্টগ্রামের ৭ হাজার ২২৪ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫০০ জনের বেশি শুধু পটিয়া উপজেলার। দেশের ৬৩টি জেলার চাকরিপ্রার্থীদের বঞ্চিত করে একটি জেলার প্রার্থীদের গোপনে নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকের শৃঙ্খলা চরমভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
বক্তারা এস আলমের সব অবৈধ নিয়োগ বাতিল করে অবিলম্বে মেধার ভিত্তিতে সারা দেশ থেকে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান। অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত এসব কর্মকর্তার যোগ্যতা ও দক্ষতা মূল্যায়নের জন্য ব্যাংক ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন পরীক্ষার আয়োজন করে। এসব কর্মকর্তা মূল্যায়ন পরীক্ষা দিতে অস্বীকার করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর এসব কর্মকর্তার মধ্য থেকে ৫ হাজার ৩৮৫ জনের মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলা হয়। ব্যাংকের সিদ্ধান্তকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এঁদের একটি বড় অংশ, অর্থাৎ ৪ হাজার ৯৭১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। এর মধ্যে ৪১৪ জন কর্মকর্তা মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেন।
যাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেননি, ব্যাংক তাঁদের ওএসডি করেছে এবং বিদ্রোহী ৪০০ জনকে চাকরিচ্যুত করেছে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত।