আজ মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল Logo খুলনাসহ চার বিভাগে কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত Logo আশাশুনিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজাদ ফারুকের মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক ও বাইতুলমাল ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Logo ভোমরা স্থলবন্দর সংলগ্ন ঢালাই রাস্তার হওয়ায় স্বস্তিতে ব্যবসায়ী ও পথচারীরা Logo তৃণমূল ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গড়ে তোলা হবে: জেলা প্রশাসক Logo কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে ফেরার পথে শ্যামনগরের লিটু আটক Logo পাটকেলঘাটায় ২০০ কেজি আম আটক করে ধ্বংশ Logo প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo আশাশুনিতে ভাঙন কবলিত বাঁধ ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরায় যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রি: আদালতে মামলা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরায় চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্র ও সদর উপজেলার তালতলা এলাকার মৃত সোনা গাজীর স্ত্রী মামলার বাদী জোহরা খাতুন জানায়, ভারতে পাচার হওয়া রোজিনা খাতুনের বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে সে তার মায়ের কাছেই থাকতো। দরিদ্র হওয়ায় রোজিনা খাতুন অন্যের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
একপর্যায়ে মামলার আসামী আশাশুনি উপজেলার হাড়িভাঙ্গা গ্রামের বদর গাজীর ছেলে নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলার ফিরোজ গাজীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত. জহুর সরদারের ছেলে জিয়াদ সরদার (৪৫) ও শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত. রাজ্জাক গাইনের ছেলে আব্দুর রব গাইন (৪৫) এর সাথে মামলার বাদী জোহরা খাতুনের পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্রে তারা তার মেয়ে রোজিনা খাতুনকে ঢাকায় ভাল চাকুরীর প্রলোভন দেখায়। সেই মোতাবেক তারা রোজিনা খাতুনকে ঢাকার গার্মেন্টেসে চাকুরী দেওয়ার নামে ভারতে পাচার করে একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়।
পরে মামলার বাদী জোহরা খাতুন তার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে সে চাকুরীতে ব্যস্ত আছে এখন যোগাযোগ করা সম্ভব না বলে তালবাহানা করতে থাকে। এভাবে ৬/৭মাস অতিবাহিত হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তার মেয়েকে ভারতের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে। পরবর্তীতে অনেক চেষ্টা করেও তার মেয়েকে আর ফেরত আনা সম্ভব না জানতে পেরে মানব পাচার অপরাধ ট্রাইবুনাল সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা করে। যার মামলা নং- ৩২৯/২৫। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিেেসব সাতক্ষীরা থানার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পিংকু মন্ডল জানান, মামলাটি এখনও তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত সত্য যা হবে সেভাবেই আদালতে রিপোর্ট প্রদান করা হবে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল

সাতক্ষীরায় যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রি: আদালতে মামলা

আপডেট সময়: ০২:০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাতক্ষীরায় চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

মামলা সূত্র ও সদর উপজেলার তালতলা এলাকার মৃত সোনা গাজীর স্ত্রী মামলার বাদী জোহরা খাতুন জানায়, ভারতে পাচার হওয়া রোজিনা খাতুনের বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে সে তার মায়ের কাছেই থাকতো। দরিদ্র হওয়ায় রোজিনা খাতুন অন্যের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
একপর্যায়ে মামলার আসামী আশাশুনি উপজেলার হাড়িভাঙ্গা গ্রামের বদর গাজীর ছেলে নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলার ফিরোজ গাজীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত. জহুর সরদারের ছেলে জিয়াদ সরদার (৪৫) ও শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত. রাজ্জাক গাইনের ছেলে আব্দুর রব গাইন (৪৫) এর সাথে মামলার বাদী জোহরা খাতুনের পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্রে তারা তার মেয়ে রোজিনা খাতুনকে ঢাকায় ভাল চাকুরীর প্রলোভন দেখায়। সেই মোতাবেক তারা রোজিনা খাতুনকে ঢাকার গার্মেন্টেসে চাকুরী দেওয়ার নামে ভারতে পাচার করে একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়।
পরে মামলার বাদী জোহরা খাতুন তার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে সে চাকুরীতে ব্যস্ত আছে এখন যোগাযোগ করা সম্ভব না বলে তালবাহানা করতে থাকে। এভাবে ৬/৭মাস অতিবাহিত হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তার মেয়েকে ভারতের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে। পরবর্তীতে অনেক চেষ্টা করেও তার মেয়েকে আর ফেরত আনা সম্ভব না জানতে পেরে মানব পাচার অপরাধ ট্রাইবুনাল সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা করে। যার মামলা নং- ৩২৯/২৫। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিেেসব সাতক্ষীরা থানার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পিংকু মন্ডল জানান, মামলাটি এখনও তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত সত্য যা হবে সেভাবেই আদালতে রিপোর্ট প্রদান করা হবে।