সাতক্ষীরায় চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে এক যুবতীকে ভারতের পতিতালয়ে বিক্রির অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।
মামলা সূত্র ও সদর উপজেলার তালতলা এলাকার মৃত সোনা গাজীর স্ত্রী মামলার বাদী জোহরা খাতুন জানায়, ভারতে পাচার হওয়া রোজিনা খাতুনের বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে সে তার মায়ের কাছেই থাকতো। দরিদ্র হওয়ায় রোজিনা খাতুন অন্যের বাড়িতে ঝি-এর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো।
একপর্যায়ে মামলার আসামী আশাশুনি উপজেলার হাড়িভাঙ্গা গ্রামের বদর গাজীর ছেলে নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার ছাতিয়ানতলার ফিরোজ গাজীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), শ্যামনগর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত. জহুর সরদারের ছেলে জিয়াদ সরদার (৪৫) ও শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত. রাজ্জাক গাইনের ছেলে আব্দুর রব গাইন (৪৫) এর সাথে মামলার বাদী জোহরা খাতুনের পরিচয় হয়। পরিচয় সূত্রে তারা তার মেয়ে রোজিনা খাতুনকে ঢাকায় ভাল চাকুরীর প্রলোভন দেখায়। সেই মোতাবেক তারা রোজিনা খাতুনকে ঢাকার গার্মেন্টেসে চাকুরী দেওয়ার নামে ভারতে পাচার করে একটি পতিতালয়ে বিক্রি করে দেয়।
পরে মামলার বাদী জোহরা খাতুন তার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে সে চাকুরীতে ব্যস্ত আছে এখন যোগাযোগ করা সম্ভব না বলে তালবাহানা করতে থাকে। এভাবে ৬/৭মাস অতিবাহিত হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারে তার মেয়েকে ভারতের একটি পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে। পরবর্তীতে অনেক চেষ্টা করেও তার মেয়েকে আর ফেরত আনা সম্ভব না জানতে পেরে মানব পাচার অপরাধ ট্রাইবুনাল সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা করে। যার মামলা নং- ৩২৯/২৫। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিেেসব সাতক্ষীরা থানার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পিংকু মন্ডল জানান, মামলাটি এখনও তদন্ত চলছে। তদন্তে প্রকৃত সত্য যা হবে সেভাবেই আদালতে রিপোর্ট প্রদান করা হবে।
রিপোর্টার 























