আজ মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল Logo খুলনাসহ চার বিভাগে কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত Logo আশাশুনিতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আজাদ ফারুকের মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় পৌর জামায়াতের সাংগঠনিক ও বাইতুলমাল ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Logo ভোমরা স্থলবন্দর সংলগ্ন ঢালাই রাস্তার হওয়ায় স্বস্তিতে ব্যবসায়ী ও পথচারীরা Logo তৃণমূল ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গড়ে তোলা হবে: জেলা প্রশাসক Logo কক্সবাজার থেকে ইয়াবার চালান নিয়ে ফেরার পথে শ্যামনগরের লিটু আটক Logo পাটকেলঘাটায় ২০০ কেজি আম আটক করে ধ্বংশ Logo প্রতাপনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo আশাশুনিতে ভাঙন কবলিত বাঁধ ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

খুলনায় টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০২:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে টাইফয়েড জ্বরের প্রাদুর্ভাব রোধে আগামী অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করছে সরকার। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় শিশুদের বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। কর্মসূচির আওতায় খুলনা বিভাগে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৭ জন শিশু-কিশোরকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে খুলনায় এখন পর্যন্ত টিকা নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে মাত্র ১৩ লাখ ১০ হাজার ৬৯ শিশু-কিশোর। যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৩১ শতাংশ।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন ওয়ার্কশপে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মো. আরিফুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ টিকা সাধারণ টাইফয়েড প্রতিরোধের পাশাপাশি দিন দিন বেড়ে চলা ওষুধ প্রতিরোধী টাইফয়েডের বিস্তার রোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে মৃত্যু ঘটে প্রায় এক লাখ দশ হাজার মানুষের। আক্রান্ত ও মারা যাওয়াদের বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার মানুষ। উন্নত দেশগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় টাইফয়েডের প্রাদুর্ভাব অনেকাংশেই কমেছে। তবে বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে এই সংক্রামক রোগ এখনো অন্যতম জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

তিনি বলেন, বছরের অন্তত ৫ লাখের বেশি মানুষ টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হয়। তারমধ্যে প্রায় ৭০ ভাগই শিশু। টাইফয়েড থেকে শিশুদের রক্ষায় সরকার ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সি সবাইকে বিনামূল্যে টাইফয়েডের টিকা নিশ্চিত করতে চায়। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে এক ডোজের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এক ডোজের এই টিকায় টাইফয়েড প্রতিরোধে ৯৫ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দিতে সক্ষম।

জানা গেছে, বাগেরহাটে ৪ লাখ ১১ হাজার ৩৮১ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২ লাখ ৭৭ হাজার ২৪৭ জন, যশোরে ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৩ জন, ঝিনাইদহে ৫ লাখ ১ হাজার ১৩৫ জন, খুলনা জেলায় ৪ লাখ ৩১ হাজার ২৫ জন, খুলনা সিটি করপোরেশনে ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৭০ জন, কুষ্টিয়ায় ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৭১০ জন, মাগুরায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৭৬ জন, মেহেরপুরে ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৯৭ জন, নড়াইলে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৫ জন, সাতক্ষীরায় ৫ লাখ ৬ হাজার ৭৫৮ জন শিশু-কিশোরকে টাইফয়েড প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাগেরহাটে রেজিস্ট্রেশন করেছে ৮২ হাজার ৬৯৫ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ ১ হাজার ৯৫২, যশোরে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭১০ জন, ঝিনাইদহে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৫ জন, খুলনা জেলায় ৯০ হাজার ১৮১ জন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৩৩ হাজার ৭৬২ জন, কুষ্টিয়ায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪৮ জন, মাগুরায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০৯ জন, মেহেরপুরে ৫৭ হাজার ১২৪ জন, নড়াইলে ৬০ হাজার ৪১০ জন, সাতক্ষীরায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৯২৩ জন রেজিস্ট্রেশন করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফয়জুল হক বলেন, টাইফয়েড জীবাণু স্যালমোনেলা টাইফি দ্বারা সৃষ্ট। এটি মূলত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। ঝুঁকি বেশি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বস্তি, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং যেখানে নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের অভাব রয়েছে। আক্রান্ত হলে শুধু শারীরিক জটিলতাই নয়, অর্থনৈতিক ক্ষতিও হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। একবার টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে শুধু চিকিৎসা খরচই নয়, দীর্ঘ সময় কর্মক্ষমতা হারাতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়ে জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকা গ্রহণের বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী এই টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে টাইফয়েডজনিত মৃত্যু অনেকাংশে কমে আসবে। একইসঙ্গে শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবনধারা গড়ে তুলতে জনসচেতনতা কার্যক্রমও চালানো হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খুলনা নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, বিপিএএ খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মো. ইব্রাহিম আল মামুন, খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার এসএম ছায়েদুর রহমান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হকসহ খুলনায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন ২৯ এপ্রিল

খুলনায় টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা

আপডেট সময়: ০২:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে টাইফয়েড জ্বরের প্রাদুর্ভাব রোধে আগামী অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু করছে সরকার। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এর আওতায় শিশুদের বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। কর্মসূচির আওতায় খুলনা বিভাগে ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৭ জন শিশু-কিশোরকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে খুলনায় এখন পর্যন্ত টিকা নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছে মাত্র ১৩ লাখ ১০ হাজার ৬৯ শিশু-কিশোর। যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৩১ শতাংশ।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ক কনসালটেশন ওয়ার্কশপে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মো. আরিফুল ইসলাম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ টিকা সাধারণ টাইফয়েড প্রতিরোধের পাশাপাশি দিন দিন বেড়ে চলা ওষুধ প্রতিরোধী টাইফয়েডের বিস্তার রোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ড. মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৯ সালের তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে মৃত্যু ঘটে প্রায় এক লাখ দশ হাজার মানুষের। আক্রান্ত ও মারা যাওয়াদের বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়া এবং সাব-সাহারান আফ্রিকার মানুষ। উন্নত দেশগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় টাইফয়েডের প্রাদুর্ভাব অনেকাংশেই কমেছে। তবে বাংলাদেশসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে এই সংক্রামক রোগ এখনো অন্যতম জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

তিনি বলেন, বছরের অন্তত ৫ লাখের বেশি মানুষ টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হয়। তারমধ্যে প্রায় ৭০ ভাগই শিশু। টাইফয়েড থেকে শিশুদের রক্ষায় সরকার ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সি সবাইকে বিনামূল্যে টাইফয়েডের টিকা নিশ্চিত করতে চায়। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে এক ডোজের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এক ডোজের এই টিকায় টাইফয়েড প্রতিরোধে ৯৫ শতাংশের বেশি সুরক্ষা দিতে সক্ষম।

জানা গেছে, বাগেরহাটে ৪ লাখ ১১ হাজার ৩৮১ জন, চুয়াডাঙ্গায় ২ লাখ ৭৭ হাজার ২৪৭ জন, যশোরে ৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৩ জন, ঝিনাইদহে ৫ লাখ ১ হাজার ১৩৫ জন, খুলনা জেলায় ৪ লাখ ৩১ হাজার ২৫ জন, খুলনা সিটি করপোরেশনে ১ লাখ ৭২ হাজার ৩৭০ জন, কুষ্টিয়ায় ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৭১০ জন, মাগুরায় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৭৬ জন, মেহেরপুরে ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৯৭ জন, নড়াইলে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৫ জন, সাতক্ষীরায় ৫ লাখ ৬ হাজার ৭৫৮ জন শিশু-কিশোরকে টাইফয়েড প্রতিরোধী ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী বাগেরহাটে রেজিস্ট্রেশন করেছে ৮২ হাজার ৬৯৫ জন, চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ ১ হাজার ৯৫২, যশোরে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৭১০ জন, ঝিনাইদহে ১ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৫ জন, খুলনা জেলায় ৯০ হাজার ১৮১ জন, খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৩৩ হাজার ৭৬২ জন, কুষ্টিয়ায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৪৮ জন, মাগুরায় ১ লাখ ২৮ হাজার ৫০৯ জন, মেহেরপুরে ৫৭ হাজার ১২৪ জন, নড়াইলে ৬০ হাজার ৪১০ জন, সাতক্ষীরায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৯২৩ জন রেজিস্ট্রেশন করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফয়জুল হক বলেন, টাইফয়েড জীবাণু স্যালমোনেলা টাইফি দ্বারা সৃষ্ট। এটি মূলত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। ঝুঁকি বেশি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা, বস্তি, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং যেখানে নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের অভাব রয়েছে। আক্রান্ত হলে শুধু শারীরিক জটিলতাই নয়, অর্থনৈতিক ক্ষতিও হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। একবার টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে শুধু চিকিৎসা খরচই নয়, দীর্ঘ সময় কর্মক্ষমতা হারাতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়ে জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকা গ্রহণের বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, দেশব্যাপী এই টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে টাইফয়েডজনিত মৃত্যু অনেকাংশে কমে আসবে। একইসঙ্গে শিশুদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জীবনধারা গড়ে তুলতে জনসচেতনতা কার্যক্রমও চালানো হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খুলনা নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ, বিপিএএ খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মো. ইব্রাহিম আল মামুন, খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার এসএম ছায়েদুর রহমান, সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, খুলনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হকসহ খুলনায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।