আজ সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

সাতক্ষীরা–শ্যামনগর সড়ক মরণফাঁদে, ভোগান্তি কয়েক লাখ মানুষের

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৭:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১২৯ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার অন্যতম আকর্ষণ সুন্দরবনে যাওয়ার একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় যাত্রী ও চালকরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। সদর থেকে কালিগঞ্জ হয়ে শ্যামনগর পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার এ সড়কে ছোট-বড় গর্ত আর খানাখন্দে চলাচল এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, গেল এক দশকে সড়কটিতে ছোটখাটো মেরামত ছাড়া বড় কোনো সংস্কার হয়নি। ফলে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, প্রাণহানির ঘটনাও কম নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চিংড়ি রপ্তানি ও পর্যটন খাত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সড়কের সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। তারা বলেন, “চার লেনের রাস্তা করার কথা শোনা গেলেও কাজ শুরু হয়নি। ফলে প্রতিদিন আমাদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।”

ব্যবসায়ীরা জানান, ভাঙা সড়কের কারণে চিংড়ি ও মাছ পরিবহনে খরচ বাড়ছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও সর্বক্ষণ তাড়া করে ফিরছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে।

সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ বলেন, “এই মৌসুমে ভারী বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু করতে সময় লাগছে। তবে দ্রুতই নতুন সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।”

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতক্ষীরা–শ্যামনগর সড়ক মরণফাঁদে, ভোগান্তি কয়েক লাখ মানুষের

আপডেট সময়: ০৭:৩৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার অন্যতম আকর্ষণ সুন্দরবনে যাওয়ার একমাত্র সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় যাত্রী ও চালকরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। সদর থেকে কালিগঞ্জ হয়ে শ্যামনগর পর্যন্ত প্রায় ৬২ কিলোমিটার এ সড়কে ছোট-বড় গর্ত আর খানাখন্দে চলাচল এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

জানা গেছে, গেল এক দশকে সড়কটিতে ছোটখাটো মেরামত ছাড়া বড় কোনো সংস্কার হয়নি। ফলে প্রতিদিন ঘটছে দুর্ঘটনা, প্রাণহানির ঘটনাও কম নয়। যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চিংড়ি রপ্তানি ও পর্যটন খাত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সড়কের সংস্কার দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। তারা বলেন, “চার লেনের রাস্তা করার কথা শোনা গেলেও কাজ শুরু হয়নি। ফলে প্রতিদিন আমাদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।”

ব্যবসায়ীরা জানান, ভাঙা সড়কের কারণে চিংড়ি ও মাছ পরিবহনে খরচ বাড়ছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও সর্বক্ষণ তাড়া করে ফিরছে। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে।

সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ বলেন, “এই মৌসুমে ভারী বৃষ্টির কারণে কাজ শুরু করতে সময় লাগছে। তবে দ্রুতই নতুন সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।”