আজ সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

শ্যামনগরে প্রতিবেশীর দখলীয় সম্পত্তি দখল ও উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ

  • রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ১১:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

Oplus_131074

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রতিবেশীর অত্যাচার-নির্যাতনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৪০ বছরের দখলীয় সম্পত্তি দখল ও উচ্ছেদের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্যামনগরের মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিনের স্ত্রী গৃহবধূ স্বপ্না খাতুন এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে স্বপ্না খাতুন জানান, তার খালু মুনছুর মিস্ত্রী (৬০), শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব ধানখালী গ্রামের বাসিন্দা, প্রায় ২০ শতক জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে ৪০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। কিন্তু একই গ্রামের মৃত জোহর আলী মল্লিকের ছেলে আনারুল মল্লিক, মৃত সামছুর মিস্ত্রীর ছেলে মোসলেম মিস্ত্রী, মোসলেমের ছেলে মোস্তফা মিস্ত্রী, আবুল মিস্ত্রীর ছেলে শহিদ মিস্ত্রী ও আলমগীর মিস্ত্রী বিভিন্ন অজুহাতে মুনছুর মিস্ত্রীর ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে এবং জমি দখলের পাঁয়তারা করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ২৪ তারিখে আনারুল ও তার সহযোগীরা গলায় ছুরি ধরে মুনছুর মিস্ত্রীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে হত্যার চেষ্টা চালায়। ফাতেমা বেগমের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায় এবং ওই বাড়িতে থাকতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। পরে এ ঘটনায় সাতক্ষীরা আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আবারও হামলার চেষ্টা চালায় এবং গত সোমবার বিচালি গাদা ও কাঠের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

স্বপ্না খাতুন বলেন, আনারুল গংদের ভয়ে স্থানীয়রা মুখ খুলতে সাহস পান না। বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ও তারা বিভিন্ন অন্যায় কাজে লিপ্ত ছিল। বর্তমানে সরকার পরিবর্তন হলেও তাদের দখল, লুটপাট ও হত্যাচেষ্টা বন্ধ হয়নি। এর আগেও ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে হামলার ঘটনা ঘটে। তখন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক হয়, কিন্তু সমাধান না হওয়ায় আদালতে মামলা হয় এবং কোর্টের নির্দেশে উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়ে ফেরত যায়।

তিনি দাবি করেন, যে কোন সামান্য অজুহাতে আনারুল গংরা ঝগড়া বাঁধিয়ে মুনছুর মিস্ত্রীকে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্যামনগরে প্রতিবেশীর দখলীয় সম্পত্তি দখল ও উচ্ছেদ চেষ্টার অভিযোগ

আপডেট সময়: ১১:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রতিবেশীর অত্যাচার-নির্যাতনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৪০ বছরের দখলীয় সম্পত্তি দখল ও উচ্ছেদের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের আব্দুল মোতালেব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্যামনগরের মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিনের স্ত্রী গৃহবধূ স্বপ্না খাতুন এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে স্বপ্না খাতুন জানান, তার খালু মুনছুর মিস্ত্রী (৬০), শ্যামনগর উপজেলার পূর্ব ধানখালী গ্রামের বাসিন্দা, প্রায় ২০ শতক জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে ৪০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। কিন্তু একই গ্রামের মৃত জোহর আলী মল্লিকের ছেলে আনারুল মল্লিক, মৃত সামছুর মিস্ত্রীর ছেলে মোসলেম মিস্ত্রী, মোসলেমের ছেলে মোস্তফা মিস্ত্রী, আবুল মিস্ত্রীর ছেলে শহিদ মিস্ত্রী ও আলমগীর মিস্ত্রী বিভিন্ন অজুহাতে মুনছুর মিস্ত্রীর ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে এবং জমি দখলের পাঁয়তারা করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ২৪ তারিখে আনারুল ও তার সহযোগীরা গলায় ছুরি ধরে মুনছুর মিস্ত্রীর স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে হত্যার চেষ্টা চালায়। ফাতেমা বেগমের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে তারা পালিয়ে যায় এবং ওই বাড়িতে থাকতে দেবে না বলে হুমকি দেয়। পরে এ ঘটনায় সাতক্ষীরা আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর ক্ষিপ্ত হয়ে তারা আবারও হামলার চেষ্টা চালায় এবং গত সোমবার বিচালি গাদা ও কাঠের ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

স্বপ্না খাতুন বলেন, আনারুল গংদের ভয়ে স্থানীয়রা মুখ খুলতে সাহস পান না। বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ও তারা বিভিন্ন অন্যায় কাজে লিপ্ত ছিল। বর্তমানে সরকার পরিবর্তন হলেও তাদের দখল, লুটপাট ও হত্যাচেষ্টা বন্ধ হয়নি। এর আগেও ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে হামলার ঘটনা ঘটে। তখন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক হয়, কিন্তু সমাধান না হওয়ায় আদালতে মামলা হয় এবং কোর্টের নির্দেশে উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়ে ফেরত যায়।

তিনি দাবি করেন, যে কোন সামান্য অজুহাতে আনারুল গংরা ঝগড়া বাঁধিয়ে মুনছুর মিস্ত্রীকে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।