আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
Logo সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ Logo ধান কাটতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে জখম ও হয়রানী Logo আশাশুনি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের দায়িত্বশীল বৈঠক Logo দায়ের কোপে আহত ব্যক্তির মৃত্যু, হামলার অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে Logo সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এমপি ইজ্জত উল্লাহ, পাইলট হাইস্কুলে স্মৃতিচারণ Logo দেবহাটায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার Logo আশাশুনিতে শিক্ষক ও পিটিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ Logo আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে র‍্যালি, আলোচনা ও মহড়া Logo পানামায় আবারও ৬ মাত্রার ভূমিকম্প, আগের কম্পনে আহত ২৭ Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরনিদ্রায় শায়িত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার
বিজ্ঞাপন দিন
জাতীয়, আঞ্চলিক, স্থানীয় পত্রিকাসহ অনলাইন পোর্টালে যে কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন। মেসার্স রুকাইয়া এড ফার্ম 01711-211241, 01971 211241

অর্থ মন্ত্রণালয় প্রদত্ত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি

  • আজকের বাণী
  • আপডেট সময়: ০৭:১৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪
  • ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ১৩ই মার্চ জারিকৃত একটি প্রজ্ঞাপন (এস.আর.ও. নং-৪৭-আইন/২০২৪) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকার, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪ এর উপ-ধারা (২) এর শতাংশে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, সকল স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং উহাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহের চাকরিতে যে সকল কর্মকর্তা বা কর্মচারী, তাহারা যে নামেই অভিহিত হউন না কেন, ১ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ ও তৎপরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান করিবেন, তাহাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত করিল।’ এমন বৈষম্যমূলক ও অগ্রহণযোগ্য প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি চরমভাবে হতাশ ও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণার মূল চালিকাশক্তি। সেই সঙ্গে জাতি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইহা সত্ত্বেও একই বেতন স্কেলে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ভিন্ন নীতি অবলম্বন সংবিধানের মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা-দর্শন বিরোধী বলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি মনে করে।

উল্লেখ্য যে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষা ও গবেষণার মর্যাদাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করেন। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তখন তাদের সাথে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ এই উচ্চ লক্ষ্য অর্জনকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই পেনশন নীতি বাস্তবায়িত হলে বর্তমান শিক্ষকগণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হবেন এবং মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে নিরুৎসাহিত হবেন ফলশ্রুতিতে দেশ মেধা শূন্য হবে। একই সঙ্গে এই অসন্তোষজনক প্রজ্ঞাপন সরকার এবং শিক্ষকগণকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর দুরভিসন্ধি কিনা সেটাও ভেবে দেখা দরকার।

পেনশন ব্যবস্থার এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষক সমাজের মধ্যে যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি পেনশন সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাখ্যান করছে এবং অনতিবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ সুপ্রশস্ত করার দাবি জানাচ্ছে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

লেখকের তথ্য সম্পর্কে

সাতক্ষীরায় সহকারী শিক্ষকের পদায়নপত্র প্রদানকালে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ

অর্থ মন্ত্রণালয় প্রদত্ত পেনশন সংক্রান্ত বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট সময়: ০৭:১৮:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০২৪

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ১৩ই মার্চ জারিকৃত একটি প্রজ্ঞাপন (এস.আর.ও. নং-৪৭-আইন/২০২৪) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘সরকার, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪ এর উপ-ধারা (২) এর শতাংশে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, সকল স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং উহাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহের চাকরিতে যে সকল কর্মকর্তা বা কর্মচারী, তাহারা যে নামেই অভিহিত হউন না কেন, ১ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ ও তৎপরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান করিবেন, তাহাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত করিল।’ এমন বৈষম্যমূলক ও অগ্রহণযোগ্য প্রজ্ঞাপনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি চরমভাবে হতাশ ও গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও গবেষণার মূল চালিকাশক্তি। সেই সঙ্গে জাতি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইহা সত্ত্বেও একই বেতন স্কেলে কর্মরত শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ভিন্ন নীতি অবলম্বন সংবিধানের মূল চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শিক্ষা-দর্শন বিরোধী বলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি মনে করে।

উল্লেখ্য যে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষা ও গবেষণার মর্যাদাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করেন। যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসে মূল কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তখন তাদের সাথে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ এই উচ্চ লক্ষ্য অর্জনকে বাধাগ্রস্থ করতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই পেনশন নীতি বাস্তবায়িত হলে বর্তমান শিক্ষকগণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হবেন এবং মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে নিরুৎসাহিত হবেন ফলশ্রুতিতে দেশ মেধা শূন্য হবে। একই সঙ্গে এই অসন্তোষজনক প্রজ্ঞাপন সরকার এবং শিক্ষকগণকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর দুরভিসন্ধি কিনা সেটাও ভেবে দেখা দরকার।

পেনশন ব্যবস্থার এই পরিবর্তনের ফলে শিক্ষক সমাজের মধ্যে যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি পেনশন সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনটি প্রত্যাখ্যান করছে এবং অনতিবিলম্বে এই বৈষম্যমূলক প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ সুপ্রশস্ত করার দাবি জানাচ্ছে।